Thursday, October 1, 2020

পাটকল চালু ও শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধের দাবীতে খুলনায় ওয়ার্কার্স পার্টির মানববন্ধন https://ift.tt/eA8V8J

বন্ধ ঘোষিত রাষ্ট্রায়ত্ব পাটকলসমূহ রাষ্ট্রীয় খাতে রেখেই পুনরায় চালু ও আধুনিকায়ন করা এবং শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা পরিশোধের দাবীতে আজ সকাল ১০টায় ষ্টার জুট মিল সংলগ্ন চন্দনীমহল বাজার (চৌরাস্তা মোড়) ওয়ার্কার্স পার্টি দিঘলিয়া শাখার উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন দিঘলিয়া পার্টির সদস্য ও শ্রমিকনেতা জসিম গাজী এবং পরিচালনা করেন শ্রমিকনেতা শামসুর রহমান। মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্টির খুলনা মহানগর সভাপতি শেখ মফিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন পার্টির জেলা কমিটির সম্পাদকম-লীর সদস্য ও জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার উদ্দিন দিলু, মহানগর পার্টির সম্পাদকম-লীর সদস্য খলিলুর রহমান ও আব্দুস সাত্তার মোল্লা। মানববন্ধনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেনÑপার্টির মহানগর নেতা হাফিজুর রহমান, ১৩নং ওয়ার্ড ওয়ার্কার্স পাটির সভাপতি হান্নান শেখ, শ্রমিকনেতা রমজান হোসেন, শওকত আলী, সুজিত বর্মণ, জলিল হাওলাদার, ওজিয়ার রহমান, খাদিজা খানম, ছাত্রনেতা নাজমুর রাকিব উজ্জ্বল, আলামিন গাজী প্রমুখ। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তৃতায় বলেন, সরকার কর্তৃক রাষ্ট্রায়ত্ব ২৫টি পাটকল বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্তে ওয়ার্কার্স পার্টি একমত পোষণ করেনি। তিনি বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ব পাটকলসমূহ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার ও রাষ্ট্রীয় খাতে রেখেই আধুনিকায়ন করে চালুর দাবীতে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক গত ২০ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। তিনি আরও বলেন, ২০১৯ সালের শ্রমিকদের ৬টি মজুরী বিলসহ সকল পাওনাদি সঠিক হিসাবের ভিত্তিতে পরিশোধ করে রাষ্ট্রীয় খাতে পাটকলগুলো অবিলম্বে চালু করতে হবে। একই সাথে আধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপন ও যুগোপযোগী করে বিশ্বে পাটজাত দ্রব্যের বাজার ধরে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

The post পাটকল চালু ও শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধের দাবীতে খুলনায় ওয়ার্কার্স পার্টির মানববন্ধন appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/2GjDQrn

কয়রায় প্রায় ৩ লাখ টাকার ভারতীয় রুপিসহ ৩ জন গ্রেপ্তার https://ift.tt/eA8V8J

খুলনা জেলা ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে কয়রা থানা এলাকা হতে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে, ২ লাখ ৯৬ হাজার ভারতীয় রুপি

এছাড়া একটি রেজিষ্ট্রেশন বিহীন ১৬০ সিসি অ্যাপাচি আরটিআর মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, কয়রার ফতেকাটি গ্রামের মো. আমিন উদ্দিন মোল্লার ছেলে সাইফুল ইসলাম, আশাশুনির কুড়িকাহুনিয়া গ্রামের রেজাউল করিমের ছেলে মো. রমজান আলী এবং একই গ্রামের হাবিবুর রহমান গাজীর ছেলে মো. কাজল ইসলাম।

খুলনা জেলা ডিবি পুলিশ অফিস জানায়, জাল টাকা লেনদেনের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার বেলা পৌনে ৪টার দিকে কয়রা থানাধীন নারায়নপুর এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় উক্ত ব্যক্তিদের আটক করা হয়। তাদেরকে তল্লাসী করে ২ লাখ ৯৬ হাজার ভারতীয় রুপি উদ্ধার করা হয়।

ডিবি অফিস আরো জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা দীর্ঘদিন যাবৎ সাতক্ষীরার ভোমরা বর্ডার এলাকা থেকে ভারতীয় জাল রুপি সংগ্রহ করে খুলনা জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় বাংলাদেশী টাকার বিনিময়ে সরবরাহসহ আদান প্রদান করে।

উল্লেখ্য যে, আসামিরা দীর্ঘদিন যাবৎ ভারতীয় জাল নোট হেফাজতে ও বাংলাদেশি টাকার বিনিময়ে খাটি বলে প্রতারণা করার জন্য এক বা একাধিক মামলা রয়েছে। এ সংক্রান্তে খুলনা জেলা গোয়েন্দা শাখা, খুলনার এসআই (নিঃ) মোঃ নাজমুল হক বাদী হয়ে কয়রা থানায় আসামিদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

The post কয়রায় প্রায় ৩ লাখ টাকার ভারতীয় রুপিসহ ৩ জন গ্রেপ্তার appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/2SlkWTz

রক্তাক্ত রাজপথ হতে গণতন্ত্রের পুনোরুত্থান: সহে না মানবতার অবমাননা: শেখ হাসিনা https://ift.tt/eA8V8J

প্রতিদিন সারাবিশ্বের মত বাংলাদেশের নানা প্রেক্ষাপটেও ঘটছে বিভিন্ন ঘটনা। অতীতেও ঘটনাবহুল সময়ের এই অব্যাহত পদচারণায় ঘটেছে অনেক কিছুই। তবে তার সব কিছুই হয়তো স্মৃতির দুয়ারে কড়া নাড়ে না। তবে সম্প্রতিক সময়ে ক্ষমতাসীনদের বিভিন্ন পর্যায়ে বিতর্কিত করতে যে রাজনৈতিক অপচর্চা  চালানো হচ্ছে আর পদে পদে সরকারের দোষ ধরার চেষ্টা চলছে, এর প্রেক্ষিতে স্মৃতির আর্কাইভে খুঁজে দেখলে ২০০১ সালের অক্টোবর মাসের প্রথম দিনটি চোখে পড়ে।

আজ থেকে ঠিক ১৯ বছর আগে তৎকালীন বিচারপতি লতিফুর রহমানের নেতৃত্বে একটি নীলনক্সার নির্বাচনের আয়োজন করে তত্বাবধায়ক সরকার। নীলনক্সার ঐ নির্বাচনের পরপরই শুরু হয় সারাদেশে ভয়াল তাণ্ডব। আর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিভীষিকাময় একটি অধ্যয় রচিত হয় ২০০১ এর রক্তঝরা এমনই অক্টোবর মাসে। সেদিনের সেই রক্তাক্ত রাজপথে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা গণমানুষের দুর্গ অটল ছিলো বলেই দেশ বিরোধীদের পরাজয় ঘটেছিল।

সেই রক্তাক্ত সময়কে স্মরণ করে তৎকালীন বিরোধী রাজনৈতিক দল, বর্তমানে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রচিত বিপন্ন গণতন্ত্র লাঞ্ছিত মানবতা – গ্রন্থটি হতে সংকলিত বিশেষ লেখাটি দৈনিক পত্রদূত পাঠকদের জন্য প্রকাশিত হলো।

অক্টোবর ২০০১ নির্বাচন ষড়যন্ত্রের চরম খেলা হলো। কিভাবে নির্বাচনে অতি চালাকির সঙ্গে কারচুপি করা হয়েছিল তা গবেষণায় ভোট জালিয়াতির ১৭টি ভিন্ন ভিন্ন পন্থা চিহ্নিত করা হয়েছে-

টাকার বিনিময়ে ভোট ক্রয়।
• নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নির্দিষ্ট ভোটকেন্দ্র দখল ও ব্যালট বাক্স ভরে ফেলা।
• ডামি প্রার্থী দিয়ে তার এজেন্টকে নিজের পক্ষে ব্যবহার।
• বিশেষ (দলের সমর্থক বা নীরব কর্মী) ব্যক্তিকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ, যে ভোটকে প্রভাবিত করবে এবং সুযোগমতো   ব্যালট বাক্স ভরবে।
• প্রকৃত ভোটারকে ভোটদানে বিরত রাখা। দুর্বলকে হুমকি দিয়ে অথবা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটিয়ে ভোটদান প্রক্রিয়া     ধীর করে দেওয়া।
• আইনরক্ষাকারী বাহিনীকে প্রবাবিত করে প্রতিপক্ষের কর্মী- নেতাদের আটক, অপদস্থ করা এবং প্রতিপক্ষ এলাকায়   ঘন ঘন টহল দিয়ে প্রতিপক্ষ ভোটার ও সমর্থকদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করা।
• একজন প্রার্থীর হাতে ভুল ভোটার তালিকা ধরিয়ে দিয়ে ভোটকেন্দ্রে অন্য ভোটার তালিকা ব্যবহার করা।
• পোলিং ও প্রিজাইডিং অফিসারদের হাত করে ব্যালট বাক্স ভরা।
• নির্বাচনী কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগসাজশে ব্যালট বাক্স আগে থেকে ভর্তি করে রাখা বা ব্যালট বাক্স ঠিকমতো       সিলগালা না করা যাতে পরে ব্যালট ভর্তি করা যায়।
• সমস্যার দোহাই দিয়ে ভোট গ্রহণ বন্ধ করে অন্য প্রার্থীদের না জানিয়ে আবার ভোট গ্রহণ শুরু, অথবা পিটিয়ে   ভোটার বের করে দেওয়ার মতো সংকটময় পরিস্থিতিতেও ভোট গ্রহণ বন্ধ করতে অস্বীকৃতি জানানো।
• অনেকভাবেই ভোট গণনায় কারচুপি করা যায়।
ক. প্রার্থীর ভোট বদল করে দেওয়া।
খ. ব্যালট পেপার বান্ডিল করার সময় বৈষম্যের মাধ্যমে।
গ. ব্যালট বক্স হারিয়ে ফেলে।
ঘ. ট্যালি গড়াপেটার মাধ্যমে।
• জেলা সদরে যাওয়ার সময় ভোট বাক্স জালিয়াতি বা গায়েব করা।
• ভোট গণনা ও ফল ঘোষণার পর কেন্দ্রের নির্বাচন বাতিল ঘোষণা।
• ভুল ফল ঘোষণা বা পছন্দের দল এগিয়ে থাকা আসনগুলোর ফল ঘোষণা দিয়ে নির্বাচন কমিশনের জনমতকে   প্রভাবিত করা।
• প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত ব্যালট পেপার ছাপানো এবং তা নির্দিষ্ট পার্টির প্রার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া। যাতে করে   সুযোগমতো ওই প্রার্থী ব্যালট বাক্স ভরতে পারে। অথবা এমনভাবে ব্যালট পেপার ছাপানো যাতে করে যাকে   হারানো  হবে তার পক্ষের ভোটগুলো বাতিল হয়ে যায়।
• এমন পরিমাণ জাল ভোট প্রদান যাতে কেন্দ্রে মোট ভোটারের ভোট বেশি হয়ে যায়। প্রতি ঘন্টায় সম্ভাব্যের চেয়ে     বেশি ভোট প্রদান অনেক কেন্দ্রেই ঘটে। যেমন: ঘণ্টায় এক বুথে ৮০ ভোটের বেশি ভোট। কিন্তু আমাদের অনেক   কেন্দ্রে ভোট প্রদানের হার ঘণ্টায় এক শ/দু শও হয়ে থাকে।
• প্রত্যন্ত অঞ্চলে, যেখানে যাতায়তের সহজ সুবিধা নেই, সেখানে শতকরা ৯০ ভাগের বেশি ভোট গ্রহণ ডাহা   জালিয়াতির পর্যায়ে পড়ে। (গ্রস্থ কারচুপির নির্বাচন: অবৈধ সরকার)

নির্বাচনের কয়েকদিন পূর্ব থেকে এবং নির্বাচনের দিন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ওপর চারদলীয় জোট সন্ত্রাস, সশস্ত্রবাহিনী, পুলিশ, বিডিআর কর্তৃক হয়রানি, গ্রেপ্তার, নির্যাতন, ভোটারদের ভোট দিতে না দেওয়া-এটা কি নিরপেক্ষ সুষ্ঠ নির্বাচন? এতকিছুর পরও আওয়ামী লীগ ৪১% ভোট পেয়েছে। ১৯৯১ সালে ৩৪% ভোট পেয়ে ১০৩ সিট, ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে ৩৮% ভোট পেয়ে ১৪৬টি আসন পেয়েছিল আর এবার ৪১% ভোট পেয়ে ৬২টি আসন পাওয়া কি অস্বাভাবিক নয়? জোট ৪৬% ভোট পেয়ে ২১৫টি আসন পায়। মাত্র ৫% ভোটের ব্যবহানে এত বড় আসনের ব্যবধান কি সম্ভব?

শুধু কারচুপি করেই তো শেষ হয় নি। আওয়ামী লীগকে শেষ করে দিতে হবে। এবারে নির্বাচনের রেজাল্ট দখল করতে ভুল করেনি। রেজাল্ট দখল করেছে তারপর শুরু করেছে রাজনৈতকি প্রতিহিংসা চরিতার্থ করা। গ্রামের পর গ্রাম আক্রমন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ঘরছাড়া করে দেওয়া। শিশু কন্যাও রেহাই পায় নি এদের হাত থেকে। বিএনপি ও জামায়াত শিবির ক্যাডাররা সমগ্র বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, কৃষক লীগ, শ্রমিক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও মহিলা আওয়ামী লীগের অগণিত নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে নির্বাচনের পর থেকে। হাত, পা, চোখ তুলে নষ্ট করে দেওয়া, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করা, লুটপাট করা। প্রশাসনের কর্মকর্তা, কর্মচারী, সশস্ত্রবাহিনী অর্থাৎ সেনা, নৌ বিমানবাহিনীর অফিসার, পুলিশ কর্মকর্তা, চাকরি হারাচ্ছে। সাংবাদিকরা খবর লিখে নিহত ও আক্রান্ত হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করতে পারছে না। প্রতি পদে পদে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে। দেশ পরিচালনা না করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করাটাই যেন এই সরকারের সব থেকে বড় কাজ। প্রায় ৪৫ হাজার সন্ত্রাসীর মামলা তুলে নিয়ে মুক্ত করে দিয়েছে। সন্ত্রাসী সমাজবিরোধীদের আনন্দের সীমা নেই বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় আসায়। খুলনার কুখ্যাত এক সন্ত্রাসী জামিন পেয়েই প্রথম স্লোগান দিয়েছে খালেদা জিয়া জিন্দাবাদ বলে। তার মন্তব্য খুবই লক্ষণীয় যে, খালেদা জিয়া ক্ষমতায় না এলে সে জামিন পেত না, তার ফাঁসি হতো। এবার অনেকগুলো নৃশংস হত্যা মামলার আসামি ও ফাঁসির রায় হয়েছে তারপরও সে স্বপ্ল দেখে এবার হয়তো মুক্তি পাবে।

জাতির পিতার হত্যাকারী, শিশু, নারী হত্যাকারী, যারা আত্মস্বীকৃত হত্যাকারী এবং জাতীয় চার নেতা হত্যাকারী তাদেরও রক্ষার প্রক্রিয়া চালাচ্ছে এ সরকার। ১৫ আগস্ট যাঁরা শাহাদাতবরণকারী হলেন-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রাসেল, সুলতানা কামাল, পারভীন জামাল, শেখ আবু নাসের, কৃষিমন্ত্রী আবদুর রব, সেরনিয়াবাত, সুকান্ত আবদুল্লাহ বাবু, শহীদ সেরনিয়াবাত, আবদুল নঈম খান রিন্টু। কর্নেল জামিল, কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তা, সরকারি কর্মচারী, কাজের লোকজনসহ অনেক মানুষকে হত্যা করেছে। ৩ নভেম্বর নিহত জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমেদ, এম. মনসুর আলী ও কামরুজ্জামানকে হত্যা করেছে।

একের পর এক ঘটনা ঘটছে, হত্যাকাণ্ড ঘটছে অথচ হত্যাকারী-অপরাধী সন্ত্রাসীদের প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে।

লেখক: শেখ হাসিনা, বিশিষ্ট রাজনীতিক ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।

The post রক্তাক্ত রাজপথ হতে গণতন্ত্রের পুনোরুত্থান: সহে না মানবতার অবমাননা: শেখ হাসিনা appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/30n5dYQ

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর ৪ প্রস্তাব https://ift.tt/eA8V8J

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় জাতিসংঘে চারটি প্রস্তাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকালে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৫তম অধিবেশনের সাইডলাইনে ভার্চুয়াল জীববৈচিত্র্য সম্মেলনে দেয়া বিবৃতিতে এ প্রস্তাব দেন। সংবাদ সংস্থা বাসস এ খবর জানিয়েছে।

প্রথম প্রস্তাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘পৃথিবী ও আমাদের রক্ষার জন্য বিনিয়োগের সময় টেকসই ভবিষ্যতের প্রতি মনোযোগী হতে হবে।’

‘টেকসই উন্নয়নের জন্য জীববৈচিত্র্য রক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ’ শীর্ষক আয়োজনে প্রধানমন্ত্রী তার দ্বিতীয় প্রস্তাবে বলেন, ‘শিক্ষাব্যবস্থা এবং গবেষণার মাধ্যমে জনগণের মধ্যে বৃহত্তর গণসচেতনতা সৃষ্টি এবং জাতীয় পর্যায়ে আইনকানুন জোরদার করা এবং নিরীক্ষণ প্রক্রিয়া জীববৈচিত্র্য রক্ষার মূল পদক্ষেপ।’

প্রধানমন্ত্রী তার তৃতীয় প্রস্তাবে বলেন, জেনেটিক রিসোর্স এবং ঐতিহ্যবাহী জ্ঞানের প্রকৃত মালিকদের জন্য বিশ্বব্যাপী সুফল বাটোয়ারায় প্রবেশাধিকার অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে।

চতুর্থ প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্যারিসের (সনদ) লক্ষ্য অর্জন আমাদের বিলুপ্তি ও টিকে থাকার মধ্যে পার্থক্য তৈরি করতে পারে। আমাদের অবশ্যই সেগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে।

বাংলাদেশ ‘টেকসই উন্নয়নের জন্য জীববৈচিত্র্য রক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ’-এর ব্যাপারে ‘সম্পূর্ণরূপে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ’ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা একটি আন্তঃনির্ভরশীল বিশ্বে বাস করি, যেখানে পৃথিবী গ্রহের প্রতিটি প্রজাতি আমাদের বাস্তুসংস্থানে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

বাংলাদেশ মিঠাপানির ওপর অনেক বেশি নির্ভরশীল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মিঠাপানির জীববৈচিত্র্য বিশ্বে সবচেয়ে দ্রুত হারে হ্রাস পাচ্ছে, বৈশ্বিক জলাভূমির ৮৫ শতাংশ ইতিমধ্যে শিল্পবিপ্লবের পরে হারিয়ে গেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭০ সাল থেকে মিঠাপানির স্তন্যপায়ী প্রাণী, পাখি, উভচর, সরীসৃপ ও মাছের সংখ্যা প্রতিবছর গড়ে ৪ শতাংশ হারে হ্রাস পেয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা জলবায়ু পরিবর্তন ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি আশঙ্কাজনকভাবে বাড়িয়ে তুলছি এবং ফলস্বরূপ, কোভিড ১৯-এর মতো ‘জুনটিক’ (প্রাণী থেকে মানুষে সংক্রমিত) রোগের ঝুঁকি বেড়ে গেছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের বর্তমান ক্রিয়াকলাপ অব্যাহত রাখা হলে আমরা কেবল অন্যান্য প্রজাতির বিলুপ্তির কারণই হচ্ছি না, মূলত আমরা মানবজাতিরও চূড়ান্ত বিলুপ্তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণকে সংবিধানে রাষ্ট্রের মৌলিক নীতি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।

তিনি জাতির পিতার অবদার স্মরণ করে বলেন, আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালের প্রথম দিকেই বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের আদেশ কার্যকর করেন।

তিনি বলেন, জীববৈচিত্র্য সম্পর্কিত কনভেনশন বাস্তবায়নের জন্য আইন প্রণয়নকারী অল্প কয়েকটি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। আমাদের সংসদ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ‘বায়োলজিক্যাল ডাইভারসিটি অ্যাক্ট ২০১৭’ পাস করেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, সরকার দেশের মোট স্থলভাগের ৫ শতাংশেরও বেশি এবং সামুদ্রিক জলভাগের প্রায় ৫ শতাংশ অঞ্চলকে ‘সংরক্ষিত ও পরিবেশগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল’ ঘোষণা করেছে।

The post জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর ৪ প্রস্তাব appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/3n6PR4j

তালায় কেশা বিলে ডোবা থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির ভাসমান লাশ উদ্ধার https://ift.tt/eA8V8J

সাতক্ষীরার তালায় ডোবা থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির গলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। জানা গেছে স্থানীয়রা বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে উপজেলার কেশা বিলে ডোবার ভিতর ভাসমান লাশ দেখতে পেয়ে পাটকেলঘাটা থানা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ডোবা থেকে গলিত অবস্থায় লাশ উদ্ধার করে।

পাটকেলঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ ওয়াহিদ মুর্শেদ লাশের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিচয় না পাওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাচ্ছে না।

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি:

The post তালায় কেশা বিলে ডোবা থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির ভাসমান লাশ উদ্ধার appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/2HLYPUx

প্রথম প্রহর ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরার কমিটি গঠন https://ift.tt/eA8V8J

সাতক্ষীরায় প্রথম প্রহর ফাউন্ডেশন নামে একটি সংগঠনের কমিটি গঠন করা হয়েছে। মো. রফিকুল হাসান সভাপতি ও মো. তরিকুল ইসলাম অন্তরকে সাধারণ সম্পাদক করে ২১ সদস্য বিশিষ্ঠ উক্ত কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটির অন্যান্যরা হলেন, সহ-সভাপতি খন্দকার সজল, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাইদ হোসেন, অর্থ সম্পাদক কাজী খালিদ উদ্দিন, প্রচার প্রকাশনা সম্পাদক সজীব মন্ডল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মার্সিয়া শাহেদ ও সদস্য যথাক্রমে মোঃ আরিফুর রহমান, ফয়সাল আজাদ, সৈয়দ এনামুল হাসান, তারিশা তাসমিন, মোঃ সাজিদ,মোঃ আরাফাত হোসেন , মোঃ শাহাদাত জামান, সুতীর্থ রয়, ফারহানা আক্তার জ্যোতি, সাব্বির রহমান, করীব হোসেন, শেখ ইরতিয়াজ হোসেন।
উল্লেখ্য সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের শিক্ষায় আলোয় আলোকিত করতে কাজ করে যাচ্ছে প্রথম প্রহর ফাউন্ডেশন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

The post প্রথম প্রহর ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরার কমিটি গঠন appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/34fmJzm

শাখরায় র‌্যাবের অভিযানে ২৬১ পিস ইয়াবাসহ এক বক্তি গ্রেপ্তার https://ift.tt/eA8V8J

সাতক্ষীরার শাখরা সীমান্তে র‌্যাবের অভিযানে ২৬১ পিস ইয়াবাসহ এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতের নাম মোঃ আসাদুল ইসলাম ওরফে খোকা(৪০)। সে শাখরা গ্রামের মোঃ মাজেদ আলী মোড়লের ছেলে।

র‌্যাব-৬ সাতক্ষীরা কোম্পানী কমান্ডার সিনিয়র এএসপি মোঃ বজলুর রশীদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার বিকাল ৫টা ২০ মিনিটের সময় শাখরা গ্রামের রউফ চেয়ারম্যানের মোড়ে অভিযান চালানো হয়। এ সময় উক্ত ব্যক্তিকে ইয়াবাসহ হাতে নাতে আটক করা হয়।

এব্যাপারে সাতক্ষীরা থানায় মামলা হয়েছে। মামলা নং-০১, তাং-০১/১০/২০২০ইং। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

The post শাখরায় র‌্যাবের অভিযানে ২৬১ পিস ইয়াবাসহ এক বক্তি গ্রেপ্তার appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/33ikGvd