Friday, May 29, 2020

আজ কালবৈশাখী হতে পারে দেশের ১৮ অঞ্চলে https://ift.tt/eA8V8J

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের রেশ কাটতে না কাটতেই আবারো কালবৈশাখী ঝড়ের শঙ্কা প্রকাশ করেছে আবহাওয়া অধিদফতর।

শুক্রবার (২৯ মে) দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজশাহী, রংপুর, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। দক্ষিণ/দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইতে পারে। দিনের তাপমাত্রা প্রায়ই অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

গতকাল বৃহস্পতিবার আবহাওয়া অফিস জানায়, উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখানো হয়েছে। এই সতর্কতা শুক্রবারও বহাল রেখেছে আবহাওয়া অফিস।

উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে হবে।

The post আজ কালবৈশাখী হতে পারে দেশের ১৮ অঞ্চলে appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/2TKkcsv

দেশে ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ আক্রান্ত, মৃত্যু ২৩ https://ift.tt/eA8V8J

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরো দুই হাজার ৫২৩ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। যা একদিনের আক্রান্তের পরিসংখ্যানে সর্বোচ্চ। এ নিয়ে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৪২ হাজার ৮৪৪ জনে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে মারা গেছেন আরো ২৩ জন। এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৫৮২জন। 

শুক্রবার দুপুর আড়াইটায় করোনা পরিস্থিতি নিয়ে অনলাইনে দৈনন্দিন স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

বুলেটিনে বলা হয়, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৯টি ল্যাবে ১১ হাজার ৩০১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে আরো দুই হাজার ৫২৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ফলে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪২ হাজার ৮৪৪ জনে।

আক্রান্তদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ২৩ জন। যাদের মধ্যে ১৯ জন পুরুষ এবং ৪ জন মহিলা। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৫৮২ জনে। 

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে- ১১ থেকে ২০ বছর বয়সের মধ্যে এক জন, ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সের মধ্যে এক জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে দুই জন, ৪১ থেকে ৫০ বছর বয়সের মধ্যে পাঁচ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে পাঁচ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ছয় জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে দুই জন এবং ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে এক জন। এদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১০ জন, চট্টগ্রামে ৯ জন, রংপুরে ২ জন, বরিশালে দুই জন ও সিলেট বিভাগে এক জন মারা গেছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৫৯০ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এ নিয়ে মোট ৯ হাজার ১৫ জন সুস্থ হলেন।

দেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত (কোভিড-১৯) প্রথম রোগী শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। ১৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

আন্তর্জাতিক জরিপকারী সংস্থা ওয়ার্ল্ডওমিটার এর তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত মহামারি করোনাভাইরাসে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা ৩ লাখ ৬২ হাজার ৩৬৫। এছাড়া আক্রান্ত হয়েছেন ৫৯ লাখ ২০ হাজার ২৩১ জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২৫ লাখ ৯২ হাজার ২৪ জন।

The post দেশে ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ আক্রান্ত, মৃত্যু ২৩ appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/2ZPmgn0

শীর্ষ জেএমবি জঙ্গি বড় করিম মুর্শিদাবাদে গ্রেপ্তার https://ift.tt/eA8V8J

জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ(জেএমবি)-র পশ্চিবঙ্গের অন্যতম শীর্ষ সংগঠক আবদুল করিম ওরফে বড় করিমকে গ্রেপ্তার করল কলকাতা পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। কলকাতা পুলিশ জানিয়েছে, মুর্শিদাবাদের সূতি থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে আব্দুলকে।

এসটিএফের গোয়েন্দাদের দাবি, এই মূহুর্তে এই নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের তিন শীর্ষ নেতার একজন করিম। সংগঠনের অর্থ জোগাড় থেকে বিস্ফোরক সরবরাহ এবং ‘লজিস্টিক’ ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব ছিল তাঁর। বর্তমানে তিনি সংগঠনের প্রধান সালাউদ্দিন সালেহিনের ঘনিষ্ঠ বলে দাবি গোয়েন্দাদের।

গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৮ সালে দলাই লামার বুদ্ধগয়া সফরের সময় সেখানে বিস্ফোরণের ছক কষে খাগড়াগড় বিস্ফোরণের পিছনে থাকা নিষিদ্ধ জঙ্গি গোষ্ঠী জেএমবি। ততদিনে জেএমবি-র সংগঠন দু’টি ভাগে বিভক্ত হয়ে গিয়েছে এবং সালাউদ্দিন সালেহিন, জহিদুল ইসলাম-সহ শীর্ষ নেতারা ভারতে সংগঠন বিস্তার করা শুরু করেছে। খাগড়াগড়ের সঙ্গে সঙ্গে বেলডাঙা, বীরভূমের সমস্ত মডিউল ভেঙে যাওয়ায়, তারা নতুন নিয়োগ করা যুবকদের নিয়ে তৈরি করে ধূলিয়ান মডিউল।

মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ, সূতি-সহ জঙ্গিপুর মহকুমার বিস্তীর্ণ এলাকায় সেই সংগঠন তৈরি হয়। ধূলিয়ান মডিউলকেই ব্যবহার করা হয় বুদ্ধগয়ায় বিস্ফোরণ ঘটানোর জন্য। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে কলকাতা পুলিশের এসটিএফ ধূলিয়ান মডিউলের অন্যতম চাঁই পয়গম্বর শেখ এবং জমিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে। সেই সময় তল্লাশি চালাতে গিয়ে সামশেরগঞ্জে আবদুল করিমের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় প্রায় ৫০ কিলোগ্রাম অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট-সহ বিভিন্ন ধরনের বিস্ফোরক। কিন্তু গোয়েন্দাদের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে যায় করিম। ধরা পড়ে মডিউলের আরও এক সদস্য ছোট করিম। এর পর বিভিন্ন সময়ে ধূলিয়ান মডিউলের বিভিন্ন সদস্য পাকড়াও হয়েছে। কিন্তু অধরা থেকে যায় বড় করিম।

গোয়েন্দাদের দাবি, এই দুই বছরে জেএমবি-র সংগঠনে অনেক পরিবর্তন হয়। জহিদুল ওরফে কৌসরের সঙ্গে সালাউদ্দিনের আদর্শগত বিরোধ থেকে এদেশের জেএমবি সংগঠনেও আড়াআড়ি ভাগ তৈরি হয়। দক্ষিণ ভারত থেকে একে একে ধরা পড়ে কৌসর এবং তাঁর ঘনিষ্ঠরা। গত বছরের গোড়ার দিকে সালাউদ্দিন তৈরি করে জামাতুল মুজাহিদিন হিন্দ অর্থাৎ জেএমবি-র ভারতীয় শাখা।

এসটিএফের গোয়েন্দাদের দাবি, গত কয়েক বছরে বড় করিম বাংলাদেশেও জেএমবি-র সালাউদ্দিন গোষ্ঠীর লোকজনদের সঙ্গে দেখা করেছে এবং বৈঠক করেছে। করিমের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল সালাউদ্দিন এবং বাংলাদেশে জেএমবির অন্য এক শীর্ষ নেতা মাস্টারের। এরা দু’জন ২০১৫ সালে করিমের বাড়িতেও থেকে গিয়েছেন।

করিম বাংলাদেশের সংগঠনের একটি অংশের সঙ্গে সমন্বয় রাখছিল। এসটিএফের এক শীর্ষ কর্তা বলেন, ‘‘বাংলাদেশের গোয়েন্দাদের কাছে পাওয়া শীর্ষ এবং সক্রিয় জেএমবি নেতাদের তালিকায় প্রথম সারিতে রয়েছে করিমের নাম।”

গত প্রায় আড়াই বছর করিম কোথায় ছিল তা জানতে চাইলে ডিসি এসটিএফ অপরাজিতা রাই জানিয়েছেন,‘‘আমরা সেই তথ্য জানার চেষ্টা করছি। এখনও করিম কিছু বলেনি। তবে এ টুকু জানা গিয়েছে, করিম এই মূহুর্তে সংগঠনের তৃতীয় শীর্ষ নেতা।” গোয়েন্দা সূত্রে খবর, কয়েকদিন আগেই মুর্শিদাবাদে ফেরে করিম। এই ক’বছর কেরল, তামিলনাড়ু-সহ দক্ষিণ ভারতের বিভিন্ন এলাকায় এ রাজ্যের পরিযায়ী শ্রমিকদের ভিড়ে গা ঢাকা দিয়েছিলসে। সম্ভবত কোভিড আতঙ্কের জেরে বা লকডাউনে বিপাকে পড়ে সম্প্রতি নিজের এলাকায় ফেরেন করিম।” এক এসটিএফ কর্তার কথায়, ‘‘খবর পেয়ে আমরা প্রথমে সামশেরগঞ্জে করিমের বাড়িতে তল্লাশি চালাই। সেখানে সে ছিল না। আরও পাঁচটি জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে শেষ পর্যন্ত সূতি থানা এলাকায় এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে করিমকে পাকড়াও করা হয়েছে।” করিমের গ্রেপ্তারির পর গোয়েন্দাদের দাবি, সংগঠনের বাকি দুই নেতা সালাউদ্দিন এবং মিন্টু খানকে পাকড়াও করা সম্ভব হবে।

তবে গোয়েন্দাদের অনুমান, লকডাউনে কাজ হারানো পরিযায়ী শ্রমিকরা বাড়ি ফেরা শুরু করতেই বিপাকে পড়ে করিম। তাই ভিনরাজ্যের ডেরা থেকে ফিরে এসেছে করিম। তবে শ্রমিক স্পেশ্যাল ট্রেনে কি না, সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত নন গোয়েন্দারা। বাসে বা ট্রাকে করেও ফিরতে পারে, অনুমান গোয়েন্দাদের।
সূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন

The post শীর্ষ জেএমবি জঙ্গি বড় করিম মুর্শিদাবাদে গ্রেপ্তার appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/3gsUfrb

যুক্তরাষ্ট্র: শ্বেতাঙ্গ পুলিশের হাতে নিরস্ত্র কৃষ্ণাঙ্গ খুন, সহিংস বিক্ষোভ, সেনা মোতায়েন https://ift.tt/eA8V8J

সহিংস বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনেপোলিস শহর। সম্প্রতি সেখানে পুলিশের হাতে এক নিরস্ত্র কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে টানা তিন দিন ধরে এ বিক্ষোভ চলছে। ভাংচুর, সমাবেশ ও স্লোগানসহ ঘটেছে পুলিশ স্টেশনে আগুন লাগিয়ে দেয়ার ঘটনাও। বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে শহরজুড়ে ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করেছেন মিনেসোটা গভর্নর টিম ওয়ালজ। এ খবর দিয়েছে বিবিসি।
খবরে বলা হয়, গত সোমবার পুলিশি হেফাজতে থাকাকালীন মারা যান ৪৪ বছর বয়সী জর্জ ফ্লয়েড। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, এক শ্বেতাঙ্গ পুলিশকর্মী ফ্লয়েডের ঘাড়ে হাটু চেপে ধরে রেখেছেন। ফ্লয়েডকে শ্বাসকষ্টে ভুগতে দেখা যায়। তিনি বারবার নিজের শ্বাসকষ্টের কথা জানিয়ে আকুতি করলেও শোনেননি ওই শ্বেতাঙ্গ পুলিশকর্মী।

নিরস্ত্র ফ্লয়েডের ঘাড় হাটু দিয়ে চেপে ধরে রাখেন। এ সময় তার পাশেই দাঁড়িয়ে ছিল আরো চার পুলিশকর্মী। এ ঘটনায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন ফ্লয়েড। পরবর্তীতে হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
এ ঘটনায় জড়িত পুলিশ সদস্যদের বক্তব্য অনুসারে, তাদের কাছে খবর ছিল যে ফ্লয়েড জাল নোট ব্যবহার করছেন। সোমবার তাকে ধরতে ঘটনাস্থলে যায় তারা। তাকে তার গাড়ি থেকে নেমে আসতে বলা হয়। তিনি নেমে আসলে তাকে হাতকড়া পড়ানো হয়। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায় যে, ফ্লয়েডের ঘাড়ের উপর চেপে বসেছেন এক শ্বেতাঙ্গ পুলিশকর্মী। ফ্লয়েড বারবার বলছেন, প্লিজ, আমি শ্বাস ‘নিতে পারছি না’, ‘আমায় মেরে ফেলবেন না’। এ ঘটনায় জড়িত পুলিশকর্মীদের চিহ্নিত করা হয়েছে।
স্থানীয় গণমাধ্যম অনুসারে, ফ্লয়েডের মৃত্যুতে বিক্ষোভে ফেটে পড়েছে পুরো মিনেপোলিস। বিক্ষোভকারীরা শহরের পুলিশ বিভাগের একটি স্টেশনে ঢুকে ভাংচুর চালিয়েছে। বিক্ষোভকারীদের তোপের মুখে ভবন ছেড়ে পালিয়েছেন পুলিশ সদস্যরা। পরবর্তীতে ভবনটিতে আগুন লাগিয়ে দেয়া হয়েছে। জানা গেছে, ফ্লয়েডের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংলিষ্ট পুলিশকর্মীরা ওই স্টেশনে কাজ করতেন। এর আগে বুধবার বহু দোকানপাট ভেঙে লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশ্যে কাঁদানে গ্যাস ছুড়েছে পুলিশ। মিনেপোলিস ছাড়া শিকাগো, লস এঞ্জেলস ও মেমফিসেও বিক্ষোভ হয়েছে। প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশের বিরুদ্ধে আফ্রিকান-আমেরিকানদের নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগ বহু পুরনো। সম্প্রতি পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারান কেনটাকির কৃষ্ণাঙ্গ বাসিন্দা ব্রেওনা টেইলর।
এদিকে, মিনেপোলিসের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শহরটিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করেছেন মিনেসোটার গভর্নর ওয়ালজ। তিনি বৃহস্পতিবার বলেন, গত রাতে লুটপাট, ভাংচুর ও অগ্নিকাণ্ডে বহু ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ফ্লয়েডের মৃত্যু ঘিরে ন্যায় বিচার ও বিদ্যমান ব্যবস্থায় পরিবর্তন নিয়ে কাজ করা উচিৎ, আরো মৃত্যু ও ধংস করা উচিৎ নয়। বুধবার ফ্লয়েডের হত্যাকারী পুলিশকর্মীরে বিরুদ্ধে অপরাধ মামলা দায়েরের আহ্বান জানান মিনেপোলিসের মেয়র জ্যাকব ফ্রে।

The post যুক্তরাষ্ট্র: শ্বেতাঙ্গ পুলিশের হাতে নিরস্ত্র কৃষ্ণাঙ্গ খুন, সহিংস বিক্ষোভ, সেনা মোতায়েন appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/36HIQ2b

আনসারের ৩১৬ সদস্য করোনায় আক্রান্ত https://ift.tt/eA8V8J

আনসার বাহিনীর ৩১৬ সদস্য করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এরমধ্যে ঢাকায় অক্রান্ত হয়েছেন ২৬৭ জন এবং ঢাকার বাইরে ৪৯ জন। মারা গেছেন একজন। এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৭৯ জন।

শুক্রবার বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

আক্রান্তদের মধ্যে রয়েছেন বাহিনীর উপ-মহাপরিচালক এক জন, ১০২ জন ব্যাটালিয়ন আনসার, ২০৭ জন অঙ্গীভূত আনসার, একজন বিশেষ আনসার, একজন সিগন্যাল অপারেটর, একজন নাসিংসহকারী, ২ জন মহিলা আনসার এবং একজন ভিডিপি সদস্য।

The post আনসারের ৩১৬ সদস্য করোনায় আক্রান্ত appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/2TQfQ31

সুড়ঙ্গ শেষের আলো https://ift.tt/eA8V8J

বহু কাল আগে আমি বেশ কয়েক বছর লস এঞ্জেলস এলাকায় ছিলাম। সেখানে যাওয়ার পর আমি আবিষ্কার করেছিলাম সেটি হচ্ছে ভূমিকম্পের এলাকা। একবার একটা মোটামুটি বড়োসড়ো ভূমিকম্পের ভেতর দিয়ে যাওয়ার পর আমার ভেতর ভূমিকম্প নিয়ে এক ধরনের আতঙ্কের জন্ম নিল। আমার বাসাটি ছিল কাঠের, ভূমিকম্পের সময় কাঠের বাসা বেশ নড়েচড়ে এবং অত্যন্ত  বিচিত্র এক ধরনের ক্যাঁচ-ক্যাঁচ শব্দ করে এবং সেই শব্দ শুনে আমার আত্মা খাঁচা ছাড়া হয়ে যেতে লাগল। রাতে ঘুমাতে পারি না বিছানায় বসে থাকি। কোনও উপায় না দেখে তখন একদিন আমি ভূমিকম্পের উপর লেখা একটা বই কিনে আনলাম, এলাকায় ভূমিকম্প বেশি বলে সেখানে ভূমিকম্পের উপর বিজ্ঞানী বেশি, গবেষণাও বেশি। মানুষ যেভাবে ডিটেকটিভ বই পড়ে আমি সেভাবে এক নিঃশ্বাসে সেই বইটি পড়ে শেষ করলাম। ভূমিকম্প কীভাবে হয়, সেটি হলে কী হতে পারে তার একেবারে পুরোপুরি বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ পড়ার পর আমি হঠাৎ করে আবিষ্কার করলাম যে, ভূমিকম্প নিয়ে আমার যে ভয়াবহ একটা আতঙ্ক ছিল সেটি পুরোপুরি দূর হয়ে গেছে। আমি তখন শুধু যে ভূমিকম্প সম্পর্কে জেনেছিলাম তা নয়, আমি আরো একটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শিখেছিলাম। সেটি হচ্ছে, যে বিষয়টি সম্পর্কে আমরা কিছু জানি না সেটি নিয়ে আমাদের এক ধরনের আতঙ্ক থাকে, বিষয়টি জেনে গেলে আতঙ্ক দূর হয়ে যায়। যত বড় দুর্যোগই হোক বাস্তবমুখী হয়ে সেটার মুখোমুখি হওয়াটাও তখন অনেক সহজ হয়ে যায়।

করোনার দুর্যোগের সময় সারা পৃথিবীতে এই ব্যাপারটা ঘটছে। এটা সম্পর্কে জানে না বলে মানুষের মনে অযৌক্তিক আতঙ্ক অনেক বেশি। শুধু তাই নয়, যারা পুরো বিষয়টা সম্পর্কে না জেনে শুধু খণ্ডখণ্ডভাবে সেটা জানেন, তারা বিষয়টাও খণ্ডখণ্ডভাবে বিশ্লেষণ করছেন। যারা অর্থনীতিবিদ তারা শুধু অর্থনীতির দিকটা দেখছেন, যারা ব্যবসায়ী তারা শুধু নিজের ব্যবসার কথা চিন্তা করছেন, শ্রমিকদের ভালো-মন্দ নিয়ে তাদের বিশেষ মাথাব্যথা নেই। যারা সমাজ বিজ্ঞানী তারা সমাজের কী অবস্থা সেটা নিয়ে চিন্তা ভাবনা করছেন, মনোবিজ্ঞানীরা মানসিক স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করছেন, শিক্ষাবিদেরা ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া নিয়ে ভাবনা এবং দুর্ভাবনা করছেন এবং আমার ধারণা ডাক্তার-নার্সরা তাদের কাজ নিয়ে এতই ব্যস্ত যে অন্য কিছু নিয়ে চিন্তাভাবনা করার সময়ই পাচ্ছেন না। সবচেয়ে কঠিন দায়িত্ব এখন রাষ্ট্রনেতাদের, সবার কথা শুনে তাদের এমন একটি সিদ্ধান্ত নিতে হবে যেটি সবকিছুকে সমানভাবে গুরুত্ব দেয়। (তবে সেই রাষ্ট্রনেতারা যদি ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো রাষ্ট্রনেতা হয়ে থাকে তাহলে ব্যাপারটি আলাদা, দোষ দেওয়ার জন্য শুধু একটির পর আরেকটি মানুষ, সংগঠন কিংবা দেশকে খুঁজে বের করতে হবে, তার বেশি কিছু করতে হবে না।)

এবারের করোনা দুর্যোগে একটা বিষয় বেশ বিচিত্র। এই বিষয়ে যারা সত্যিকারের বিশেষজ্ঞ তারা খুব বেশি মুখ খুলছেন না। কিছু একটা জিজ্ঞেস করলেই তারা বলছেন, এই ভাইরাসটি এতই নতুন যে কেউ এটা সম্পর্কে বিশেষ কিছু জানে না, আমরাও তাই নিশ্চিতভাবে কিছু বলতে পারছি না। এই সুযোগে ছোট বিশেষজ্ঞ কিংবা গুগল বিশেষজ্ঞরা মাঠে নেমে পড়েছেন, তারা সবসময়েই সবাইকে জ্ঞান দিয়ে যাচ্ছেন। তাদের জ্ঞানের ভারে পুরো পৃথিবীই মোটামুটি ভারাক্রান্ত। 

তবে কিছু কিছু বিষয় অবশ্য আমরা বুঝতে পারছি না, মাস্ক পড়ার প্রয়োজন আছে কী নেই সেটি নিয়ে বড় বড় প্রতিষ্ঠানের মাঝে বিশাল বিতর্ক, সেই বিতর্ক আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে কী না আমি জানি না কিন্তু এখন সবাই মাস্ক পড়ছে। হ্যারি পটারের জগৎবিখ্যাত লেখিকা জে. কে. রোলিং জানিয়েছেন তার সম্ভবত কোভিড-১৯ হয়েছিল, সেটা পরীক্ষা করতে পারেননি কিন্তু তার সব রকম উপসর্গ ছিল। ডাক্তার স্বামীর উপদেশ অনুযায়ী একটা বিশেষ ধরনের শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ে তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে গেছেন। একজন মানুষ যদি নিজের ঘরের ভেতর বিশেষ এক ধরনের পদ্ধতিতে শ্বাস-প্রশ্বাস নেন তাতে পৃথিবীর অন্য কারো কোনও সমস্যা হওয়ার কথা নয় কিন্তু আমি অবাক হয়ে লক্ষ্য করেছি এই কথাটি বলার জন্য বিশেষজ্ঞরা তার উপর চড়াও হয়েছেন! কোভিড আক্রান্ত হওয়া অনেক ডাক্তারই নিজের ঘরে আদা চা, গ্রীন টি, এসব খেয়েছেন কিন্তু মুখে সেটা উচ্চারণ করলেই বিশেষজ্ঞরা তাদের ওপর চড়াও হচ্ছেন। কারণটা কী কে জানে! নিজের মনোবল ঠিক রাখার জন্য কেউ যদি নিজের ঘরের ভেতর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন তাতে সমস্যা কী? কেউ তো দাবি করছেন না যে এটা ধন্বন্তরী ওষুধ।

যাই হোক আমরা সারা পৃথিবীব্যাপী বিশাল একটা মহামারি একেবারে নিজের চোখের সামনে ঘটতে দেখছি, এর জন্য নিজেদের কী সৌভাগ্যবান বলব না দুর্ভাগ্যবান বলবো বুঝতে পারছি না। তবে এটা পৃথিবীর জন্য প্রথমবার নয়, এর আগে অনেকবার হয়েছে এবং মোটামুটি নিশ্চিত ভবিষ্যতেও আরো অনেকবার হবে! ইনফ্লুয়েঞ্জার এরকম একটা মহামারি ১৯১৮ সালে একবার হয়েছিল। তখন পৃথিবীর জনসংখ্যা ছিল অনেক কম বর্তমান জনসংখ্যা চারভাগের একভাগ। সেই মহামারিতে প্রায় ৫০ লক্ষ মানুষ মারা গিয়েছিল, যেহেতু ১০০ বছর আগে পৃথিবীর মানুষ এত নিখুঁতভাবে হিসেব রাখত না তাই অনেকে মনে করেন মৃত্যুর সংখ্যা আরও অনেক বেশি ছিল, সম্ভবত প্রায় এক কোটি।

১৯১৮ সালের মহামারিটির নাম স্প্যানিশ ফ্লু—এর নামকরণের ইতিহাসটাও মোটামুটি চমকপ্রদ। তখন প্রথম মহাযুদ্ধ চলছে, তাই যেসব দেশ যুদ্ধ করছে তাদের খবর প্রকাশ করায় নানারকম বিধি-নিষেধ। মহামারিতে নানা দেশের সৈনিক মারা যাচ্ছে কিন্তু সেসব খবর গোপন রাখা হচ্ছে। সেই মহাযুদ্ধে স্পেন ছিল নিরপেক্ষ দেশ তাদের খবর প্রকাশে কোনও বিধিনিষেধ নেই তাই পৃথিবীর মানুষ ফ্লুয়ের খবর পেয়েছে শুধু স্পেন থেকে, সে কারণে এই ফ্লুয়ের নাম হয়ে গেল স্প্যানিশ ফ্লু! একটা অসুখের নামের সাথে অন্যায্যভাবে একটা দেশের নাম যুক্ত হয়ে যেতে পারে জেনে এবারের মহামারির রোগটির নাম তাড়াহুড়ো করে কোভিড-১৯ দেওয়া হয়েছে। (তারপরও আমেরিকা এটাকে চীনা ভাইরাস হিসেবে পরিচিত করার জন্য কম চেষ্টা করেনি!) 

একশ বছর আগে চিকিৎসা ব্যবস্থা মোটেও উন্নত ছিল না। এখন মানুষ যত কিছু জানে সে তুলনায় তখন মানুষেরা বলতে গেলে কিছুই জানতো না। চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হতো এসপিরিন, কতটুকু এসপিরিন খাওয়া উচিত সেটাও ভালো করে জানা ছিল না, তাই অনেক বেশি এসপিরিন খেয়ে তার বিষক্রিয়াতেও অনেকে মারা গেছে। তবে একটা বিষয় তখনও ঠিকভাবে জানা ছিল, সেটা হচ্ছে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা। সেটাই ছিল সেই মহামারির বিরুদ্ধে সবচেয়ে কার্যকরী অস্ত্র।

সেই স্প্যানিশ ফ্লু একবার আক্রমণ করেনি, বসন্তকালে প্রথমবার, শরৎকালে দ্বিতীয়বার এবং শীতকালে তৃতীয়বার আক্রমণ করেছিল। এর মাঝে দ্বিতীয়বার আক্রমণটি ছিল সবচেয়ে ভয়ানক, বিস্ময়কর ব্যাপার হলো সেই আক্রমণে শিশু এবং বৃদ্ধেরা নয় সবচেয়ে বেশি মারা গিয়েছিল তরতাজা জোয়ানেরা। সময়টি ছিল মহাযুদ্ধের কাল, আমেরিকাতে যত সৈনিক যুদ্ধে মারা গিয়েছিল তার থেকে বেশি মারা গিয়েছিল স্প্যানিশ ফ্লুতে। সেই মৃত্যুর কারণের অনেক ব্যাখ্যা রয়েছে এবং একশ বছর পরেও সেগুলো নিয়ে এখনও গবেষণা হচ্ছে।

এই মহামারিটি যেভাবে একদিন এসেছিল সেভাবে একদিন চলে গিয়েছিল, কীভাবে এটা নির্মূল হয়েছে তারও নানা রকম ব্যাখ্যা রয়েছে। কিন্তু যেহেতু আমি বিশেষজ্ঞ নই তাই রোগ-শোক নিয়ে একটু তথ্য জানাতে পারি কিন্তু তার ব্যাখ্যা নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করবো না। ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর একটি মহামারি যেহেতু একদিন পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছে, আমাদের এই করোনা মহামারিও নিশ্চয়ই একদিন বিদায় নেবে। ততদিন আমাদের শুধু দাঁতে দাঁত চেপে সময়টা পার করতে হবে।

২.

দুঃসময়ে একটুখানি ভালো খবরের জন্য আমরা সবাই উন্মুখ হয়ে থাকি। হোক সেটি খুবই ছোট একটা ভালো খবর তবুও সেটুকু শুনলে আমরা বুকে বল পাই, মনে হতে থাকে এরকম ছোট ছোট অনেকগুলো ভালো খবর দিয়েই তো বিশাল বিশাল ভালো খবরগুলো তৈরি হবে।

কোভিড-১৯ এর সেরকম কোনও চিকিৎসা নেই, তারপরও সংবাদপত্রে দুটো চিকিৎসার কথা মোটামুটি গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশিত হচ্ছে। তার মাঝে একটি হচ্ছে আরোগ্য হয়ে যাওয়া রোগীদের রক্ত থেকে প্লাজমা নিয়ে তার অ্যান্টি বডি দিয়ে চিকিৎসা। অন্যটি হলো রেমডেসিভির নামে একটি ওষুধ যার ফলাফল শুধুমাত্র আলাপ-আলোচনায় নয় মেডিকেল জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। এই দুটোই এখন আমাদের দেশে পাওয়া সম্ভব হয়েছে। আমাদের ডাক্তারেরা এবং আমাদের ওষুধ কোম্পানি সেগুলো আমাদের জন্য নিয়ে এসেছে। করোনা সংক্রমণের বিশ্বাসযোগ্য পিসিআর টেস্ট কিট এখনও বাইরে থেকে নিয়ে আসা হচ্ছে কিন্তু অ্যান্টিজেন অ্যান্টিবডি টেস্ট কিট আমাদের গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র নিজেদের উদ্যোগে তৈরি করেছে। আমরা খুবই আগ্রহ নিয়ে সেটার জন্য অপেক্ষা করছি। সেটার সরকারি অনুমোদন পাওয়া গেলে আমরা নিশ্চয়ই একেবারে ব্যাপকভাবে পরীক্ষা করতে শুরু করতে পারবো। ‘ফলস নিগেটিভ’ নিয়ে বিতর্কটি থাকলেও, কতজন আক্রান্ত হয়েছে তার একটা ধারণা নিশ্চয়ই পাওয়া যাবে। (এর মাঝে খবর পেলাম গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডক্টর জাফরুল্লাহ করোনাতে সংক্রামিত হয়েছেন, আমরা সবাই তার আরোগ্য কামনা করছি।) 

করোনাভাইরাস শুরু হওয়ার পর পৃথিবীর সব দেশেই তার জিনোম সিকোয়েন্সিং শুরু করেছে, ঠিক কেন জানি না আমরা পিছিয়ে ছিলাম। এখন আমাদের দেশে সেটা শুরু হয়েছে। আশা করছি শুধু যে সিকোয়েন্সিং হবে তা নয়, সেই তথ্য বিশ্লেষণ করে এই রোগটির গতিপ্রকৃতির অনেক তথ্য বের করে নিয়ে আসা যাবে। আমাদের অনেক ছাত্র-ছাত্রী পৃথিবীর দেশেবিদেশে বায়োইনফরমেটিক্স নিয়ে কাজ করছে, তারা নিশ্চয়ই এই তথ্যগুলো নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছে। আমরা তাদের মুখ থেকে সেই বিশ্লেষণের ফলাফল জানার জন্য আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছি।

আমাদের দেশের অনেক তথ্য সংবাদ মাধ্যমে আসে বলে আমরা জানতে পারি। ধান কাটা তার মাঝে একটি, এর মাঝে এবারকার বাম্পার ফলনের বিপুল পরিমাণ বোরো ধান কেটে ঘরে তোলা হয়েছে। (তবে সংবাদ মাধ্যমে ছবি ছাপানোর জন্য কিছু কাঁচা ধানও কাটা পড়েছে, আশা করছি ছবি তোলার জন্য বলে খুব বেশি কাঁচা ধান কাটা পড়েনি!) আবার অনেক তথ্য আছে আমরা সেগুলো সম্পর্কে জানি না কারণ সেগুলো যারা করছেন তারা নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন সেগুলো কাউকে জানাচ্ছেন না। এরকম একটি কাজ হচ্ছে বিভিন্ন পর্যায়ের পিপিই তৈরি করা। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা থেকে অনুমোদন পাওয়া প্রাথমিক লেভেলের পিপিই তৈরি করে বিতরণ করা শেষ করে এখন পুরোপুরি নিরাপত্তা দিতে পারে সেরকম পিপিই তৈরি করে বিভিন্ন হাসপাতালে সেগুলো বিতরণ করা শুরু হয়েছে। বিদেশে আমাদের দেশের যারা আছেন তারা এর জন্য অর্থ জোগাড় করে দিয়েছেন, দেশের গুরুত্বপূর্ণ মানুষেরা সেই কাজে সাহায্য করছেন। শুধু তাই নয় উত্তর আমেরিকার একটি বড় গ্রুপ তথ্য প্রযুক্তির কাজে নীরবে সাহায্য করে যাচ্ছেন, তাদের নাম কোথাও প্রকাশিত হয় না। আমরা আশা করবো আমাদের সরকার যেন পুরোপুরি নিঃস্বার্থ এই তরুণদের মেধাকে ব্যবহার করেন। লকডাউনের বিভিন্ন পর্যায়ে কখন কী সিদ্ধান্ত নিতে হবে সেটি আগে থেকে সিমুলেশান করে জেনে নিলে পুরো কাজটি অনেক বিজ্ঞানসম্মত হয়।

সারা পৃথিবীর সাথে সাথে আমরা এখন গভীর একটি সুড়ঙ্গের ভেতর আছি, দূরে সেই সুড়ঙ্গ শেষের আলো। সেই আলো ধরে আমরা সবাই এগিয়ে যাচ্ছি। অতীতে যেহেতু পেরেছি, এবারেও নিশ্চয়ই একসময় সেই অন্ধকার সুড়ঙ্গ থেকে বের হয়ে বাইরের আলোতে পৌঁছে যাব।

লেখক: মুহম্মদ জাফর ইকবাল, কথাসাহিত্যিক

The post সুড়ঙ্গ শেষের আলো appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/2AfOV9U

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মন ভালো নেই: মোদির সঙ্গে কথা বলে ট্রাম্প https://ift.tt/eA8V8J

সীমান্ত এলাকার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তুঙ্গে চীন ও ভারতের মধ্যে। আর এ কারণে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মন ভালো নেই বলে জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউজের সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এমনটি বলেন ট্রাম্প।

সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, চীন এবং ভারতের মধ্যে বড় দ্বন্দ্ব চলছে। ভারতীয়রা আমাকে খুব পছন্দ করে। আমার মনে হয় যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমের চেয়েও ভারতীয়রা আমাকে বেশি পছন্দ করে। আমিও মোদিকে পছন্দ করি। সে একজন ভদ্রলোক। তার সঙ্গে আমার ফোনে কথা হয়েছে। মোদি জানিয়েছেন যে চীনের সঙ্গে যে বিরোধ চলছে তাতে তার মন ভালো নেই।

এর আগের দিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীন এবং ভারতের দ্বন্দ্ব মেটাতে মধ্যস্থতা করতে চান বলে জানিয়েছিলেন।

গত ৫ মে চীন ও ভারতের সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষ হওয়ার পর থেকে পূর্ব লাদাখে উত্তেজনা বিরাজ করছে। দুই দেশের কমান্ডাররা আলোচনা করে বিষয়টি মিটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলেও উত্তেজনা কমেনি বরং আরো বাড়ছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার কাছে চীন অন্যান্যবারের তুলনায় এবার আলাদা প্রস্তুতি নিয়েছে। লাদাখের কাছে চীন বিমানবন্দর সম্প্রসারণের কাজ চালাচ্ছে। কয়েকটি যুদ্ধবিমানও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্যাংগং সো ও গালওয়ান উপত্যকায় বাড়তি দুই থেকে আড়াই হাজার সেনা মোতায়েন করেছে চীন।

চীনের তৎপরতার পরিপ্রেক্ষিতে ভারতও সীমান্তে সেনা উপস্থিতি বাড়িয়েছে। চীনের চেয়ে ভারতের সেনা উপস্থিতি বেশি বলেও দাবি করেছে ভারতীয় পক্ষ।

The post ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মন ভালো নেই: মোদির সঙ্গে কথা বলে ট্রাম্প appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/2ZUfWdA