Wednesday, May 13, 2020

কোয়ারেন্টাইনের সময়ে প্রথম ইন্দো-বাংলা শর্টফিল্ম “দূরে থাকা কাছের মানুষ” https://ift.tt/eA8V8J

সারসংক্ষেপ
নীরার অসুখ হলে কলকাতায় সবাই বড়ো দুঃখে থাকে / সূর্য নিভে গেলে পর, নিয়নের বাতি গুলি হঠাৎ জ্বলার আগে জেনে নেয় / নীরা আজ ভালো আছো?
দীপ্ত কবিতা থেকে অনেক দূরে। লন্ডন থেকে কলকাতায় এসেছে একমাস হল। ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া নিয়েই ওর গবেষণা। গোটা পৃথিবী যখন ভাইরাসে আক্রান্ত, সে তো খোঁজ নেবেই , তার নীরা কেমন আছে। ওর নীরা ভালোই আছে, নাম বন্যা। ঢাকা শহরে সে একজন সাংবাদিক, গান গাইয়ে হিসেবেও নাম আছে একটু আধটু। দুজনে কথা হল চৌদ্দ বছর পর। কেমন আছো বলতে গিয়ে বলে ফেললো অনেক কথা…… তারপর?
তার পর দেখতে হবে..
শর্টফিল্ম লিংক: https://www.youtube.com/watch?v=6YiwXNLAZsA&feature=youtu.be

ছবির পরিচালক শাহরিয়ার পলক বলেন “এই ছবির সঙ্গে যুক্ত সকলেই পারিশ্রমিক ছাড়াই সংযুক্ত হয়েছে এই সময়ের লড়াই-এ। এই শর্টফিল্ম থেকে সংগৃহীত পুরো তহবিল ঢাকা সিনে শ্রমিক এবং কলকাতা সিনেমা শ্রমিকদের কল্যাণ তহবিলে অনুদান দেওয়া হবে। এটাই আমাদের প্রতিশ্রুতি।”
ছবির প্রযোজনা করছে বাংলাদেশ থেকে প্রেক্ষাগৃহ এবং কলকাতা থেকে টিভিওয়ালা মিডিয়া। এর পাবলিসিটির দায়িত্বে আছে বাংলাদেশ থেকে ওয়াইড অ্যাঙ্গেল কমিউনিকেশনস এবং কলকাতা থেকে সুদীপ’স।
প্রসঙ্গত, এই ছবির সঙ্গে যুক্ত সকলেই পারিশ্রমিক ছাড়াই নিজেদের কাজটুকু দিয়েছেন এই কঠিন সময়ের লড়াইয়ে নিজেদের ঢাল তলোয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে। এই শর্টফিল্ম থেকে সংগৃহীত অর্থের পুরোটাই ঢাকা এবং কলকাতার সিনেমা শ্রমিকদের কল্যাণ তহবিলে অনুদান হিসেবে দেওয়া হবে। ১২ মিনিট ৫ সেকেন্ডের এই ছবির গল্পের দিকে তাকালে দেখবেন- নীরার অসুখ হলে কলকাতায় সবাই বড় দুঃখে থাকে / সূর্য নিভে গেলে পর, নিয়নের বাতিগুলি হঠাৎ জ্বলার আগে জেনে নেয়/ নীরা আজ ভালো আছো?
”এটা একেবারেই অন্যরকম অভিজ্ঞতা,” জানালেন বিক্রম। “ছবির গল্পটা ভীষণ সেনিসিটিভ। বহু বছর পর দুজন মানুষ একে অপরের সঙ্গে কথা বলেছ। একটা গভীর বন্ধুত্বের সুবাস ছড়িয়ে ছিল গোটা চিত্রনাট্য জুড়ে। আমি এবং আমার বন্ধু অভিনব মিলে শুটিং টা করেছি। ক্যামেরা, মেকাপ সব বিভাগের কাজ নিজেই সামলেছি। আমি কলকাতায় মিথিলা ঢাকায়। লকডাউনের সমস্ত নিয়মকানুন বজায় রেখে বাড়িতে বসেই হয়েছে শুট। নিঃসন্দেহে কঠিন একটা কাজ, তবে টিমের সবার সহযোগিতার কারণেই সম্ভব হয়েছে। আশা করি যে উদ্দেশ্যে ছবিটা বানানো সেটি সফল হবে এবং ছবিটি সবার ভালো লাগবে। আমরা খুব কঠিন সময় পার করছি অর্থনৈতিক, মানসিকভাবে। এই সমস্যার সময় নতুন অনেক জিনিস শিখছি। আশা করি আগামী দিনে সেসব কাজে লাগবে।”
মিথিলা জানালেন, “প্রথমে মনে হচ্ছিল কাজটা বেশ কঠিন হবে কারণ হাতে ধরা মোবাইল ক্যামেরায় যে যার নিজের অংশটুকু শুট করেছি। তবে সেই জড়তাটা কাটতে সময় লাগেনি। কাজটা খুবই উপভোগ করেছি। আশা করি ছবিটা সবার ভালো লাগবে।”
করোনার প্রকোপে দীর্ঘায়িত হচ্ছে লকডাউন। সবাই গৃহবন্দী। যানবাহন, কলকারখানা সবই বন্ধ। ভারত ও বাংলাদেশে বন্ধ রয়েছে চলচ্চিত্র শিল্পও। দুই বাংলায় অনেকেই কাজ হারিয়েছেন। এসময় তাদের জন্য তহবিল সংগ্রহ করার জন্য একটা ছবি করার আইডিয়াটা খুব ভালো লেগেছে, সে কারণেই কাজটি করা বলে জানালেন মিথিলা। “প্রথমদিকে ভেবেছিলাম খুব কঠিন হবে, তবে ধীরে ধীরে শুটিং উপভোগ করা শুরু করি। এখন আমার পুরোপুরি হোম অফিস। তার ভেতরে পরিচালকের কথা মেনে নিজে নিজেই সব শুটিং করেছি।”বলছিলেন মিথিলা।

শর্টফিল্ম “দূরে থাকা কাছের মানুষ”
অভিনয়:
বিক্রম চ্যাটার্জি – দীপ্ত
রাফিয়াত রশিদ মিথিলা – শাওন বন্যা পারভিন
পরিচালক – শাহরিয়ার পলক
গল্প- অভ্র চক্রবর্তী
সহযোগী পরিচালক – মুস্তাফি শিমুল
প্রযোজনায়
টিভিওয়ালা মিডিয়া এবং প্রেক্ষাগৃহ
সঙ্গীত ও শব্দ বিন্যাস – বিটকল মিউজিক

মিউজিক এরেঞ্জমেন্ট ও ভয়েস – গৌরব মন্ডল জন
ফিমেল ভয়েসঃ সিথি সাহা
টাইটেল মিউজিকঃ শাহারিয়ার আলম মার্শেল
বিশেষ সহায়তাঃ ইমন চৌধুরী
সম্পাদনা – প্রেক্ষাগৃহ ভ্যিজুয়াল ফ্যাক্টরি
বিভাজন অংশীদার – কাইনেটিক নেটওয়ার্ক
পোস্টার ডিজাইন – শুভব্রত
টিভিওয়ালা মিডিয়া টিম – দেবরতি, সৌভিক, অলোক, জয়দীপ, সুমন, সপ্তার্ন, সুভঙ্কর

গ্রাফিক্স প্যাকেজিং – প্রেক্ষাগৃহ ও ছায়াছবি ডিজাইন স্টুডিও
পোস্ট সুপারভাইজার – শুভ ভট্টাচার্জ
মোবাইল ক্যামেরা অপারেশন – মাইমুন খান , অভিনব ঘোষ
প্রেক্ষাগৃহ টিম- নিলয় , সুমন, রাকিব, ফারা, নাহিদ,নীল,তারিক,রবিন,মাহিন,
বিশেষ ধন্যবাদ – জুয়েল মুরশেদ, আর্কদীপ মল্লিকা নাথ, সরদার সানিয়ত হোসেইন, তানিম নূর
পাবলিসিটি পার্টনার – সুদীপস এবং ওয়াইড অ্যাঙ্গেল বিডি

The post কোয়ারেন্টাইনের সময়ে প্রথম ইন্দো-বাংলা শর্টফিল্ম “দূরে থাকা কাছের মানুষ” appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/3btMQEn

No comments:

Post a Comment