Thursday, July 1, 2021

সাতক্ষীরায় টহল দিচ্ছে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও বিজিবিসহ আইনশৃখংলা বাহিনী https://ift.tt/2ULcqBR

নিজস্ব  প্রতিনিধি: সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউনের প্রথমদিনে সাতক্ষীরায় বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে একযোগে মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী, বিজিবি, ম্যাজিষ্ট্রেট ও পুলিশসহ আইনশৃখংলা বাহিনীর সদস্যরা। জেলার সাতটি উপজেলায় নামানো হয়েছে সেনাবাহিনী। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা শহর মহড়া দেয় সেনাবাহিনীসহ আইনশৃখংলা বাহিনীর সদস্যরা।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির জানান, জেলায় সেনাবাহিনীর ১০ টি পেট্রোল টিম মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে সাত উপজেলায় সাতটি প্রেট্রোল টিম ও রিজার্ভ রাখা হয়েছে আরো তিনটি প্রেট্রোল টিম। এছাড়া জেলায় তিন প্লাটুন বিজিবি ও পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ ও আনসার ব্যাটেলিয়ন সদস্য নামানো হয়েছে। জেলায় একজন করে ম্যাজিস্ট্রের নেতৃত্বে ২২টি ভ্রাম্যমান আদালত টহল দিচ্ছে।
তিনি আরো  জানান, জেলাবাসীকে সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে ঘর থেকে বাইরে না বের হওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে। অকারণে বের হলেই তাকে শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।
এদিকে, সরকারের বিধিনিষেধ উপেক্ষা করেই ঘর থেকে বের হয়েছে কিছু মানুষ। শহরের অধিকাংশ দোকারপাট বন্ধ রয়েছে। লকডাউনে জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান খোলা রয়েছে। বন্ধ রয়েছে সকল প্রকার গণপরিবহন। এছাড়া শহরের বিভিন্নস্থানে কিছু মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

The post সাতক্ষীরায় টহল দিচ্ছে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও বিজিবিসহ আইনশৃখংলা বাহিনী appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/3xcbFjw

যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে অক্সিজেনের প্রেসার কমে ৪ রোগী মারা গেছে: ডা. কুদরত https://ift.tt/eA8V8J

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অক্সিজেন সংকটের কারনে ৭ রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী ৩ দিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। কমিটির নেতৃত্বে থাকবেন ডা. কাজী আরিফ আহমেদ। এছাড়া দু’জন সদস্য হলেন ডা. সাইফুল্লাহ ও ডা. মারুফ।

এদিকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতারের তত্বাবধায়ক ডা: কুদরত ই খোদা আজ সকালে ৪জনের মৃত্যুর কথা স্বীকার করেছেন। তিনি জানান, অক্সিজেন সংকট ছিল না। কিন্তু প্রেসার কমে যায়। এরফলে সমস্যা হয়েছে।

কেন প্রেসার কমে গেল তার জন্যে ডা. আরিফ আহমেদকে প্রধান করে ৩সদস্যের কমিটিকে আগামী ৩দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

The post যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে অক্সিজেনের প্রেসার কমে ৪ রোগী মারা গেছে: ডা. কুদরত appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/3dywmhT

সাতক্ষীরায় ২৪ ঘন্টায় আরো ১৪ জনের মৃত্যু https://ift.tt/eA8V8J

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ ডেডিকেটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত রেকর্ডসংখ্যক ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে অক্সিজেন সংকটে। এদের চারজন ছিলেন করোনা পজিটিভ। অন্যরা মারা গেছেন উপসর্গ নিয়ে।

বুধবার বিকালে সাতক্ষীরা মেডিকেলে সেন্ট্রাল অক্সিজেনের প্রেসার কমে আসতে থাকে। সেই সংকট মুহূর্তে পর পরই আইসিইউতে দুজন, সিসিইউতে দুজন এবং সাধারণ ওয়ার্ডে আরও তিনজনসহ আটজনের মৃত্যু হয়।

রোগীদের স্বজনদের অভিযোগ অক্সিজেন সংকট দেখা দিলেও তা পূরণ করতে কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতে এসব রোগী মারা গেছেন। রাত ৮টার দিকে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সরবরাহ স্বাভাবিক হয়।

এদিকে এর আগে বুধবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আরও সাতজনের মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে দুজন ছিল করোনা পজিটিভ। অন্যরা উপসর্গে মারা গেছেন।
সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডা. হুসাইন শাফায়েত জানান সেন্ট্রাল অক্সিজেনে প্রেসার কমে গেলেও অক্সিজেন সংকটে কেউ মারা যায়নি। এ সময় চারজন করোনা পজিটিভ রোগীর অবস্থা খুবই সংকটজনক ছিল দাবি করে তিনি বলেন, তারা ছিলেন সিসিইউ ও আইসিউতে।

সাতক্ষীরা মেডিকেলে ৭৬টি বড় আকারের অক্সিজেন সিলিন্ডার রয়েছে। সংকট দেখা দিলেই তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে অক্সিজেন সরবরাহ করে থাকে।
এদিকে এখন পর্যন্ত ২৭৫ জন রোগী মেডিকেলে চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে করোনা পজিটিভ ২৬ জন। অন্যরা করোনা উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৫২ জনের করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে; যা হিসেবে ৫৫ শতাংশ।

The post সাতক্ষীরায় ২৪ ঘন্টায় আরো ১৪ জনের মৃত্যু appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/3ducMna

Wednesday, June 30, 2021

ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে লকডাউনে জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ! https://ift.tt/eA8V8J

নাজমুল শাহাদাৎ জাকির: করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে দেশজুড়ে যে কার্যত ‘লকডাউন’ পরিস্থিতি চলছে, সেটা নিশ্চিত করতে কাজ করছেন জেলা প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সাতক্ষীরায় গত ৫ জুন থেকে লকডাউন শুরু হলেও সাতক্ষীরায় মাঠ পর্যায়ে কাজ করা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে বারবার। জনপ্রতিনিধিদের পাশাপাশি কিছু বিতর্কিত কর্মকান্ডে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের উদাসীনতায় লকডাউন মানছেনা কেউ। একদিকে ভোট ইস্যুকে কেন্দ্রকরে লকডাউন কার্যকরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অনীহা অপরদিকে লকডাউন অমান্যকারী জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় সেনাবাহিনীতে আস্থা রাখছেন সবাই।
জেলায় এ পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৩৭১ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২ হাজার ৪৮৫ জন। এছাড়া বর্তমানে জেলায় ৮১৬ জন করোনা আক্রান্ত রুগী রয়েছেন। এরমধ্যে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৫ জন করোনা আক্রান্ত রুগী ও ২৬০ জন উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আর বেসরকারি হাসপাতালে ১৭ জন আক্রান্ত রুগী ও ১৩৭ জন উপসর্গ নিয়ে ভর্তি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়া ৭৭৪ জন ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে বাড়িতে হোম আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
জেলায় চতুর্থ ধাপের লকডাউন চলাকালীন অবস্থায় ৩ হাজার ৬৪০জন ব্যক্তি করোনার টেস্ট করায়। বিপরীতে মোট টেস্টের ৪৪শতাংশ ব্যক্তি (১হাজার ৬৯৮জন ব্যক্তি) করোনায় আক্রান্ত হয়। ইতোমধ্যেই জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে লকডাউন চলাকালীন সময়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় করোনা উপসর্গ নিয়ে ১১৬ ও করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে মারা ২৩ জন ব্যক্তি।
জেলায় প্রথম দফার লকডাউনে ১হাজার ৪৫জন ব্যক্তি করোনার টেস্ট করায়। এর ভিতরে করোনায় আক্রান্ত হয় ৫৫৯জন ব্যক্তি। তবে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালসহ নিজ বাসায় করোনা ও করোনা উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় ২২জন ব্যক্তি। এর ভিতরে করোনায় আক্রান্ত ছিলো ৪জন। আর সংক্রমণের হার ছিলো ৬৮শতাংশ। পর্যায়ক্রমে দিত্বীয়ধাপের লকডাউনে ১হাজার ৫জন ব্যক্তি করোনার টেস্ট করায়। এর ভিতরে করোনায় আক্রান্ত হয় ৫১০জন ব্যক্তি। তবে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালসহ নিজ বাসায় করোনা ও করোনা উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় ২৪জন ব্যক্তি। এর ভিতরে করোনায় মারা যায় ৫জন। তবে প্রথম ধাপের লকডাউনের চেয়ে ২১শতাংশ করোনার সংক্রমণ কমে দিত্বীয় সপ্তাহে করোনার সংক্রমণ হার ছিলো ৪৭শতাংশ। তৃতীয়ধাপের লকডাউনে ৮৩৩জন ব্যক্তি করোনার টেস্ট করায়। এর ভিতরে করোনায় আক্রান্ত হয় ৩৯৮জন ব্যক্তি। দিত্বীয়ধাপের লকডাউনের চেয়ে সংক্রমণের হার ১৫শতাংশ কম থাকলেও এসপ্তাহে সর্বোচ্চ ৫৩জন ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালসহ নিজ বাসায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় ৫৩জন ব্যক্তি। এর ভিতরে করোনায় আক্রান্ত ছিলো ১০জন। সর্বশেষ চতুর্থ ধাপের লকডাউন চলাকালীন অবস্থায় ইতোমধ্যে ৭৫৭জন ব্যক্তি করোনার টেস্ট করিয়েছে। বিপরীতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ২৩১জন ব্যক্তি। তৃতীয়ধাপের লকডাউনের মতোই চতুর্থধাপের লকডাউনেও করোনায় আক্রান্ত ও উপসর্গের মৃত্যুহার উর্দ্ধমূখী। লকডাউনের পঞ্চম দিন অতিবাহিত হলেও এপর্যন্ত জেলার বিভিন্ন হাসপাতালসহ নিজ বাসায় করোনা ও করোনা উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে ৪০জন ব্যক্তি। এর ভিতরে করোনায় আক্রান্ত ছিলো ৪জন। চতুর্থ ধাপের লকডাউন চলমান অবস্থায় করোনার সংক্রমণ হার ৩২শতাংশ। তবে চতুর্থধাপের লকডাউনে মৃত্যুহার ও সংক্রমণ হার আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
দীর্ঘ ২৬দিন ধরে জেলাতে কঠোর লকডাউন চললেও করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যুহার উল্লেখযোগ্যভাবে নিয়ন্ত্রণে আসছেনা। নিয়ন্ত্রণে না আসার কারণ সমন্ধে জেলার বিভিন্ন স্থানের মানুষদের অভিযোগ, সাতক্ষীরায় গত ৫ জুন থেকে লকডাউন শুরু হলেও সাতক্ষীরায় মাঠ পর্যায়ে কাজ করা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে বার বার। এ ক্ষেত্রে এখনি জনপ্রতিনিধিদের কাজ শুরু করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল। সারা বিশ্বের ন্যায় যখন বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে তখন সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে জনপ্রতিনিধিদের সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো প্রয়োজন। স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের সাথে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয় নিয়ে কাজ করা দরকার। তবে এই সময় জনপ্রতিনিধিরা সাধারণ মানুষের পাশে না থাকায় জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্বশীলতা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তবে এই মুহূর্তে জনগণের প্রতিনিধিদের জনগণের পাশে দাঁড়ানো প্রয়োজন বলে মনে করছেন সকলে। তথ্যমতে, করোনা নিয়ে মাথা ব্যাথা নেই জনপ্রতিনিধিদের। পাশে নেই জনগণের। জেলার এমপি, মেয়র, কাউন্সিলর কিংবা ইউনিয়ন পরিষদের ওয়ার্ড মেম্বারও জনগণের পাশে নেই। নামমাত্র দুই একজন জনপ্রতিনিধি করোনা প্রতিরোধে কাজ করলেও অধিকাংশ জনপ্রতিনিধির এ নিয়ে কোন মাথা ব্যথা নেই। তবে জনপ্রতিনিধিদের এসময় সব বেশি ভূমিকা পালন করার কথা থাকলেও তারা জনগণ থেকে পিছিয়ে রয়েছে। আর এ নিয়ে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। সচেতন মহলের মতে, সাতক্ষীরায় করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জনপ্রতিনিধিরা মাঠে নামলে মানুষ গুরুত্ব দিয়ে বিষয়টি মেনে নিয়ে আরও বেশি সচেতন হবেন। তবে, জনপ্রতিনিধিরা কী কারণে এ বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন তা এখন প্রশ্নবিদ্ধ। তবে জনপ্রতিনিধিদের কাজ না করার পেছনে আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে দায়ী করছেন অনেকে। তাদের ভাষ্যমতে, জনপ্রতিনিধিরা যদি কঠোর হয় তাহলে হয়তো তাদের ভোট কমে যেতে পারে। এ আশঙ্কায় লকডাউন বাস্তবায়নে কার্যকর কোন ভূমিকা রাখছেন না তারা।
এদিকে, দুইএকজন জনপ্রতিনিধি মাঠে নামলেও এমপি, মেয়রদের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কাউকে এ বিষয় নিয়ে মাঠে নামতে দেখা যায়নি। কিন্তু এই বিষয়টি নিয়ে জনপ্রতিনিধিদের এখনি কাজ শুরু করা প্রয়োজন এমনটাই মনে করছেন সাধারণ মানুষ। তবে করোনা প্রতিরোধে জনসচেতনা বৃদ্ধি এবং এই ভাইরাস থেকে সাধারণ মানুষকে মুক্ত রাখতে প্রয়োজনী ব্যবহার সামগ্রী বিতরণ করা এখন সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে।
এবিষয়ে জেলার অধিকাংশ মানুষদের সাথে কথা হলে তারা জানান, জনপ্রতিনিধিদের পাশাপাশি সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের কিছু বিতর্কিত কর্মকান্ডে লকডাউন মানছেননা কেউ। কারণ হিসেবে তারা জানান, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে পাশে নেই জনপ্রতিধিরা। কয়েকজন জনপ্রতিনিধি মাঠে নেমে কাজ শুরু করলেও অধিকাংশ জনপ্রতিনিধি দায়িত্ব এড়িয়ে চলছেন। এই মুহূর্তে জনপ্রতিনিধিদের জনগণের পাশে দাঁড়ানো প্রয়োজন ছিল। মাস্ক বিতরণ থেকে শুরু করে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে মাঠে নেমে কাজ করা জরুরী বলে মনে করছেন নাগরিক সমাজ। এ সময় জনপ্রতিনিধিরা পাশে থাকলে সাধারণ মানুষ সাহস পাবেন করোনা মোকাবেলায়। কিন্তু, সেটা না হয়ে হীতের বিপরীত হচ্ছে।
এসময় তারা আরো জানান, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েও মোটরসাইকেলে করে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেরিয়েছেন সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম। গত ৭ জুন তার ঘোরাঘুরির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হলেও প্রশাসন তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি প্রশাসন। এঘটনার একদিন না যেতেই প্রশাসন নির্ধারিত সময়ের পর দোকানপাট বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়াকে কেন্দ্র করে সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফারুক হোসেন তারই পরিষদের এক ইউপি সদস্যকে মারপিট করে। তবে দু:খের বিষয় প্রশাসন এখানেও কোনপ্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। অথচ হামলায় আহত ওই ব্যক্তি সখিপুরের ৬নং ওয়ার্ডের বারবার নির্বাচিত ইউপি সদস্যের পাশাপাশি জেলার একটি পত্রিকার দেবহাটা উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবেও কর্মরত ছিলেন। সম্প্রতি করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্যদের আহ্বায়ক করে কমিটি গঠন করা হয়। অনুরুপভাবে সখিপুরের ৬ নং ওয়ার্ডে ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যকে আহ্বায়ক করে কমিটি গঠিত হয়।
জনসমাগমপূর্ণ ঈদগাহ বাজারটি নির্মল মন্ডলের নির্বাচিত এলাকার আওতাধীন হওয়ায় করোনা সংক্রমন হ্রাসে ওই বাজারের ব্যবসায়ীদের প্রশাসন নির্ধারিত সময়ের পর দোকানপাট বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন তিনি। নির্দেশ দেওয়াকে কেন্দ্র করে সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফারুক হোসেন রতনসহ তার সাঙ্গপাঙ্গারা তার উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এবিষয়ে ভূক্তভোগী জনপ্রতিনিধি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করলেও সুফল মেলেনি। এসময় তারা ক্ষোভের সাথে বলেন, আইনের রক্ষক যদি ভক্ষক হয় তাহলে কীভাবে লকডাউন বাস্তবায়ন করা সম্ভব? কারণ হিসেবে জানান, বিদায়ী জেলা প্রশাসক করোনার সংক্রমণ রোধে গত ১৮ জুন একটি র‌্যালির আয়োজন করেন। যেখানে জেলার সর্বস্তরের মানুষদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। এসময় তারা প্রশ্ন রেখে বলেন, করোনা কী শুধু বাজারঘাট, আর চায়ের দোকানে থাকে? জেলা প্রশাসনের র‌্যালিতে কী করোনায় সংক্রমণের ঝুঁকি থাকেনা? যদি থেকেই থাকে তাহলে এধরণের র‌্যালির যৌক্তিকতা কতটুকু? সূত্রমতে এ র‌্যালিকে কেন্দ্র করে জেলার বিদায়ী জেলা প্রশাসক তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন। সমালোচনার মুখে পড়ে র‌্যালি সম্পর্কিত তার ফেসবুক পোস্টটিও তিনি ডিলিট করে দেন। এবিষয়ে সাতক্ষীরা নবাগত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ন কবিরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ইতোপূর্বে জনপ্রতিনিধিরা লকডাউন বাস্তবায়নে কতটুকু ভূমিকা রেখেছে সে বিষয়ে অবগত নন তিনি। আর যে সমস্ত জনপ্রতিনিধি লকডাউন বাস্তবায়নে ভূমিকা না রেখে বরং বিতর্কিত কর্মকান্ডে জড়িয়েছে তাদের বিরুদ্ধে খোজঁখবর নিয়ে কঠোর থেকে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, লকডাউন কার্যকরে স্থানীয় পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। জনপ্রতিনিধিরা তাদের দায়িত্ব নিয়ে কোনপ্রকার নয়-ছয়ের সুযোগ নেই। আর সেটাই যদি হয় তাহলে জেলা প্রশাসন অভিযুক্ত জনপ্রতিনিধের বিরুদ্ধে কঠোর হবে বলে জানান তিনি।

The post ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে লকডাউনে জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ! appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/3hnWZY3

বেনাপোলে মুখিকচু চাষে বাম্পার ফলন https://ift.tt/eA8V8J

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের শার্শা বেনাপোলে মুখিকচু চাষে লাভবান হচ্ছে কৃষক। বাড়ছে চাষ। করোনার এসময়ে বাসা বাড়িতে বসে কচু পরিস্কার করে নারী পুরুষের সংসারে আসছে বাড়তি আয়। সময় কাটছে ভাল।
কৃষি প্রধান এলাকা শার্শা-উপজেলার নাভারন, বেনাপোল নিজামপুর, গাতিপাড়া, কায়বাসহ বিভিন্ন এলাকায় বেড়েছে পুষ্টিগুনে ভরা খেতে সুস্বাদু মুখিকচু চাষ। অল্প দিনেই স্বল্প খরচে বেশি লাভ পাওয়ায় এলাকায় বাড়ছে চাষ। প্রতি বিঘায় ফলছে ৮০ থেকে ১২০ মণ মুখিকচু। ৫গুন লাভের চাষ এ কচু। ফলে কৃষকেরা হচ্ছে লাভবান। সংসারে ফিরছে সুদিন। কচু তুলে ও পরিস্কার করে উপকৃত হচ্ছে এলাকার নারী পুরুষেরা। প্রতিদিন সকালে বিকালে বাড়িতে বসেই চলছে কচু পরিস্কারের কাজ। শিক্ষার্থীরাও কচু পরিস্কার করে করছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা- সৌতম কুমার শীল বলেন, কচু চাষে লাভবান হওয়ায় কৃষকের মধ্যে আগ্রহ বাড়ছে। কচু চাষে প্রশিক্ষণ পরামর্শ ও সহযোগিতা দিচ্ছে কৃষি বিভাগ। আগামীতে আরও ফলন ও চাষ বৃদ্ধির আশা কৃষি বিভাগের। উপজেলায় ৮০ হেক্টর জমিতে মুখিকচু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে চাষ হয়েছে ৯৫ হেক্টর জমিতে।

The post বেনাপোলে মুখিকচু চাষে বাম্পার ফলন appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/2SEIeYD

কলারোয়ায় বহু ভাতাভোগির টাকা চলে গেছে অন্যের নম্বরে! https://ift.tt/eA8V8J

নিজস্ব প্রতিনিধি: স্বামী নেই। বাস্তুভিটা ছাড়া জমিজমা নেই। দুই সন্তান প্রতিবন্ধী। উপার্জন বলতে ভিক্ষাবৃত্তি আর বিধবা ভাতার সামান্য ক’টা টাকা। সেই টাকা অন্যের নাম্বারে চলে গেছে।-কথাগুলো বলতে বলতে দু’চোখের পানি পড়তে থাকে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার ৬নং সোনাবাড়িয়া ইউনিয়নের মাদরা গ্রামের আতিয়ারের বিধবা কন্যা ফিরোজা খাতুনের।

স্বামীর ২কাঠা বাস্তুভিটার উপর বাস করে একই গ্রামের অহেদ সরদারের কন্যা হাসিনা খাতুন। জমিজমা না থাকায় স্বামী মারা যাওয়া ও ৩ কন্যা বিয়ের পরে ভিক্ষা করে সংসার চলত। কিন্তু দু’বছর আগে হার্টের একটা ভাল্ব অকেজো হওয়ায় চলতে পারে না তিনি। এখন মেয়েরা কিছু সাহায্য করে আর বিধাবা ভাতায় দিন চলে। কিন্তু সেই ভাতার টাকা পায়নি হাসিনা।
একই উপজেলার চান্দা গ্রামের প্রতিবন্ধী বিউটি, বিধবা সালেহা, রহিমা, মাদরা গ্রামের প্রতিবন্ধী আসমা, প্রতিবন্ধী তৌহিদ, সোনাবাড়িয়া গ্রামের বিধবা ফিরোজাসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে হাজার হাজার ব্যক্তি ভাতার টাকা পায়নি। ভাতার টাকা হিসাবে ধরে খুড়িয়ে তাদের সংসার চলে। ওষুধ কিনতে হয়।
স্থানীয় সোনাবাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম, মেম্বর কামরুজামান, মেম্বর হাসান তাদের ইউনিয়নে প্রায় তিন শতাধিক ব্যক্তির ভাতা না পাওয়ার সত্যতা স্বীকার করে জানান- ‘সমাজসেবা দপ্তরের নির্দেশ মোতাবেক মাইকিং করে তিনবার বয়স্ক বিধবা প্রতিবন্ধীদের ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে হাজির করা হয়। প্রথমবার আইডি কার্ডের কপির উপর মোবাইল নাম্বার লিখে জমা নেওয়া হয়। ২য় বার সমাজসেবা দপ্তরের কর্তারা ভাতা ভোগীদের আইডি ও মোবাইল নাম্বার যাচাই করে। তৃতীয় দফায় সমাজসেবা দপ্তরের সংগে মোবাইল ব্যাংকিং ‘নগদ’ এর কর্মচারীরা এসে মোবাইল সেট নিয়ে নাম্বারগুলো যাচাই করে।’
একই অভিযোগ করে দুইবার বঙ্গবন্ধু কৃষি পদক প্রাপ্ত দেয়াড়া ইউনিয়নের মহিলা মেম্বর আকলিমা খাতুন জানান, ‘তার এলাকা ৪, ৫ ও ৬ ওয়ার্ডের অন্তত: দুই শতাধিক ভাতা ভোগী এবার টাকা পায়নি। ভুক্তভোগীরা সমাজসেবা দপ্তরে যোগাযোগ করলে বলা হচ্ছে টাকা দেওয়া হয়েছে।’
‘তবে যে নাম্বারে টাকা গেছে বলা হচ্ছে, তা ভাতাভোগীর নয়। তাও ঢাকা, রংপুর, দিনাজপুর, যশোরে বা দেশের বিভিন্ন স্থানে সেই নাম্বারধারীর অবস্থান। রিং দিলে বেশির ভাগ টাকা পাওয়ার কথা অস্বীকার করছে। অনেক নাম্বারে টেলিফোন রিসিভ হচ্ছে না। অনেক নাম্বারে সংযোগ পাওয়া যাচ্ছে না।’-এভাবে সমগ্র উপজেলার হাজার হাজার ভাতাভোগী এবার টাকা পায়নি। টাকা না পেয়ে প্রতিদিন দলে দলে ভাতাভোগী উপজেলা সমাজসেবা দপ্তরে ভীড় করছে। সমাজসেবা দপ্তর থেকে কেউ সমাধান পাচ্ছেন না।
এব্যাপারে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নূরে আলম নাহিদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্রের উদ্যোক্তারা মোবাইল নাম্বার তালিকাভূক্ত করার সময় ভুল লেখার কারণে সমস্যা হয়েছে। তবে টাকা উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’

The post কলারোয়ায় বহু ভাতাভোগির টাকা চলে গেছে অন্যের নম্বরে! appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/3hllaGH

সাতক্ষীরা জেলা ভূমিহীন সমিতির মাসিক সভায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ত্রাণের দাবি https://ift.tt/eA8V8J

সাতক্ষীরা জেলা ভূমিহীন সমিতির উদ্যোগে বুধবার বিকাল ৫টায় কামালনগর ভূমিহীন সমিতির অস্থায়ী কার্যালয়ে মাসিক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন, জেলা ভূমিহীন সমিতির সভাপতি মো: কওছার আলী। বক্তব্য রাখেন, সহ-সভাপতি গোলাম রসূল রাসেল, রবিউল ইসলাম, আরমান আলী, আনোয়ার ইসলাম রনি, মো: মফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ, যুগ্ম সম্পাদক শাহজাহান আলী ছোট বাবু, মধু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান টুটুল, দপ্তর সম্পাদক বাবলু হাসান, অর্থ সম্পাদক কাজী আব্দুল আলিম, প্রচার সম্পাদক সোহরাব হোসেন, মহিলা নেত্রী শরিফা খাতুন, নাজমা খাতুন, ফতেমা খাতুন, ময়না খাতুন প্রমুখ।
করোনা সংক্রামন রোধে সারা দেশে সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউনকে স্বাগত জানিয়ে ভূমিহীণ নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের জনগনের জীবন রক্ষায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। কিন্তু নি¤œ আয়ের মানুষ, ভূমিহীন, রিক্সা-ভ্যান চালক, দ্বীন মজুর চরম কষ্টে দিনাতিপাত করছে। তাদের ঘরে খাবার পৌছানোর ব্যবস্থা করতে হবে। দ্রুত এসব ভূমিহীন, রিক্সা-ভ্যান চালক, দ্বীন মজুরদের ত্রাণের ব্যবস্থা করার জন্য সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন বক্তারা। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

The post সাতক্ষীরা জেলা ভূমিহীন সমিতির মাসিক সভায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ত্রাণের দাবি appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/3hjE4xz