Monday, November 1, 2021

সাতক্ষীরায় যুব দিবসে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা https://ift.tt/eA8V8J

নিজস্ব প্রতিনিধি: ‘দক্ষ যুব সমৃদ্ধ দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’ এ স্লোগানে সোমবার সাতক্ষীরায় উদযাপিত হয়েছে জাতীয় যুব দিবস। দিবসটি উপলক্ষে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ভলেন্টিয়ার ফর বাংলাদেশ (ভিবিডি) সাতক্ষীরা জেলা শাখা শহরে প্রবাহমান প্রাণ সায়র খালে সচেতনতামূলক পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযানের আয়োজন করে।

সোমবার (১ নভেম্বর) সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা পৌরসভার মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। শহরের কেষ্ট ঘোষের ব্রিজ এলাকা থেকে শুরু করে পাকাপোল পর্যন্ত সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী প্রাণ সায়র খালের প্রাণ ফিরিয়ে নিয়ে আসার লক্ষ্যে দুু’পাশের প্লাাস্টিক এবং পলিথিন পরিষ্কার করে নগরবাসীকে সচেতন করেন ভলেন্টিয়াররা। পরিচ্ছন্নতা অভিযানের নেতৃত্ব দেন সংগঠনের সভাপতি সুব্রত হালদার।

 

The post সাতক্ষীরায় যুব দিবসে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/3w1SlFY

না ফেরার দেশে তালার আ.লীগ নেতা গাজী আলাউদ্দীন, শোক https://ift.tt/eA8V8J

পত্রদূত ডেস্ক: সাবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলেন গেলেন তালার ইসলামকাটি ইউনিয়নের আ.লীগের সহ- সভাপতি গাজী আলাউদ্দীন (৬৩) ইন্না লিল্লাহী অন ইন্নাহি রাজিউন। তিনি তালা উপজেলার ইসলামকাটি ইউনিয়নের ঘোনা গ্রামের মৃত আকবর আলী গাজীর ছেলে এবং দৈনিক পত্রদূত পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি মুজিবর রহমানের শ্বশুর।

রবিবার (৩১অক্টোবর) বিকালে নিজ বাড়ি ঘোনা গ্রামে তার মৃত্যু হয়। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ দূররোগ্য ব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি এক ছেলে চার মেয়ে স্ত্রী সহ অসংখ্য গুণাগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃতুতে শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর শোক সমবেদনা জানিয়েছে তালা উপজেলা আ.লীগ, ইউনিয়ন আ.লীগসহ বিভিন্ন অংগসংগঠন। আজ এশার নামাজের পর মরহুমের জানায শেষে ঘোনা গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হবে পারিবারিক সুত্রে জানা যায়।

দৈনিক পত্রদূত এর শোক: দৈনিক পত্রদূত এর পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি সাংবাদিক মুজিবর রহমানের শ্বশুর গাজী আলাউদ্দীনের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন দৈনিক পত্রদূত এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, সম্পাদনা পর্ষদসহ সকলস্তরের সংবাদকর্মীবৃন্দ।

The post না ফেরার দেশে তালার আ.লীগ নেতা গাজী আলাউদ্দীন, শোক appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/3GEyzFG

কাইয়ুম চৌধুরীর স্ত্রী আর নেই https://ift.tt/eA8V8J

চলে গেলেন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী কাইয়ুম চৌধুরীর স্ত্রী চিত্রশিল্পী ও সেতারশিল্পী তাহেরা চৌধুরী। রোববার দিবাগত রাত ১টা ২০ মিনিটে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু বরণ করেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।

তাহেরা চৌধুরীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাঁর ছোট ভাই হাসান উজ জামান মনি (জুডো মনি)। তিনি বলেন, তাহেরা চৌধুরী নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। গত শুক্রবার নিজ বাসায় পড়ে গিয়ে তিনি আঘাত পান। সেদিন থেকেই রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। আজ সোমবার বাদ আসর আজিমপুর ছাপরা মসজিদে তাহেরা চৌধুরীর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাঁর মরদেহ আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হবে।

তাহেরা চৌধুরী ঢাকা আর্ট কলেজ বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের প্রথম পাঁচজন নারী শিক্ষার্থীর একজন ছিলেন।

তিনি বেশ কয়েকটি চিত্রপ্রদর্শনী করেছেন। দেশের বাইরে বিভিন্ন চিত্রকর্মশালায় অংশ নিয়েছেন। তাহেরা চৌধুরীর বাবার নাম খান সাহেব বদর উদ্দীন আহমেদ। মায়ের নাম হাসিনা বেগম।

২০১৪ সালের ৩০ নভেম্বর শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী মারা যান।

The post কাইয়ুম চৌধুরীর স্ত্রী আর নেই appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/3CDyX4I

কপ২৬: সবুজ প্রযুক্তির সহজ হস্তান্তর চায় ক্লাইমেট পার্লামেন্ট বাংলাদেশ https://ift.tt/eA8V8J

জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলনকে (কপ ২৬) সামনে রেখে শূন্য-কার্বন ভিত্তিক টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতে বাংলাদেশ বিশ্বের প্রথম জাতীয় জলবায়ু সমৃদ্ধি পরিকল্পনা প্রণয়ণ করেছে । তবে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে উন্নত ও দূষণকারী দেশগুলো থেকে উন্নয়নশীল দেশে কারিগরি ও অর্থনৈতিক সহায়তা বিশেষ করে সহজভাবে সবুজ প্রযুক্তির হস্তান্তর চায় সংসদ সদস্যদের নেটওর্য়াক ক্লাইমেট পার্লামেন্ট বাংলাদেশ।

রবিবার (৩১ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনের পালামেন্ট মের্ম্বাস ক্লাবের হলরুমে ক্লাইমেট পার্লামেন্ট বাংলাদেশের সচিবালয় আর্থ সোসাইটির আয়োজনে এক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। ‘রোড টু গ্লাসগো- ইয়ুথ রিফ্লেকশন অন ক্লাইমেট চেইঞ্জ এন্ড কপ২৬’ বিষয়ক আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ক্লাইমেট পার্লামেন্টের চেয়ারপার্সন তানভীর শাকিল জয় এমপি।

আর্থ সোসাইটির মাইশা নওশীনের সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদবিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এবং ক্লাইমেট পার্লামেন্ট বাংলাদেশের ভাইস-চেয়ার ওয়াসেকা আয়েশা খান, ক্লাইমেট পার্লামেন্ট বাংলাদেশের সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি এমপি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব এনার্জির সহকারি অধ্যাপক ড. এস. এম. নাসিফ শামস, ইউরোপিয়ান ক্লাইমেট ফাউন্ডেশনের কান্ট্রি লিড মনোয়ার মোস্তফা এবং প্রতীকি যুব সংসদের নির্বাহী প্রধান ও ইয়ুথনেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিসের সমন্বয়ক সোহানুর রহমান প্রমুখ।

এসময় জলবায়ু তহবিলের যর্থাথতা নিশ্চিত সংসদ সদস্য ও যুব প্রতিনিধিদের এক যৌথ সুপারিশ সংবলিত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

স্বাগত বক্তব্যে ক্লাইমেট পার্লামেন্ট বাংলাদেশের আহবায়ক নাহিম রাজ্জাক এমপি বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণতায় বাংলাদেশের অবদান অনুল্লেখযোগ্য, সামান্য মাত্র হলেও ক্ষতির দিকে আমরা শীর্ষে । তারপরও আমরা জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যা সমাধানের একটি টেকসই পথ অনুসন্ধানে গভীরভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। টেকসই অর্থনীতি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আমাদের দেশ-জাতিকে আরো সমৃদ্ধ করার সর্বোত্তম উপায় হলো শূন্য কার্বন প্রবৃদ্ধিতে বিনিয়োগ করা। আমরা এখন জলবায়ু ঝুঁকি থেকে সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। মুজিব জলবায়ু সমৃদ্ধি পরিকল্পনা- এটি এমন এক রূপকল্প, যার অধীনে জলবায়ু পরিবর্তনের ওপর গৃহীত কর্মযজ্ঞকে অনুঘটক হিসেবে ব্যবহার করে স্থায়িত্বশীলতা, কার্বন শূন্য অর্থনীতির সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নাগরিকদের জন্য সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে।পরিকল্পনা অনুসারে আমরা চলতি দশকের শেষের দিকে মোট জ্বালানি-বিদ্যুতের ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে নিশ্চিত করব। বিজ্ঞান যা বলছে তার ভিত্তিতে যদি বিশ্বনেতারা আমাদের জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর কথা শোনেন, আমাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন এবং স্থির সংকল্পে কাজ করেন তাহলে এই পৃথিবীকে রক্ষা করা সম্ভব। কপ২৬ সম্মেলনকে সফল করার এখনো সময় আছে এবং এটা আমাদের এবং ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য খুবই জরুরি।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদবিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এবং ক্লাইমেট পার্লামেন্ট বাংলাদেশের ভাইস-চেয়ার ওয়াসেকা আয়েশা খান বলেন, দুষণকারী দেশগুলো ন্যাশনাল ডিটারমাইন্ড কন্ট্রিবিউশন-এনডিসি পরিকল্পনা প্রদানে সংর্কীন ভূমিকা পালন করছে। নবায়নযোগ্য জ¦ালানী নিয়ে প্রচলিত ধ্যান-ধারণার পরিবর্তন ঘটেছে। বাংলাদেশের অনেক চ্যালেঞ্জ থাকা সত্বেও নবায়নযোগ্য জ¦ালানীর প্রসারে উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহণ করছে। জলবায়ু সংকটের কারনে শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশে^র সবদেশই কম-বেশি সমস্যার মুখে। তবে দূষণকারী রাষ্ট্রগুলো তাদের কার্বণ নির্গমণ হ্রাসের লক্ষমাত্রা এবং প্রতিশ্রুতি অর্থায়ণ নিশ্চিত করছে না। ২০১৫ সালে প্যারিস চুক্তি হলেও ৫ বছর পেরিয়ে গেছে। ২০২০ সালের মধ্যে প্রতিবছর ১শ বিলিয়ন ডলারের অঙ্গীকার পূরণ হয়নি। শূন্য কার্বনের এক ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে উন্নয়নশীল দেশগুলোর যা প্রয়োজন হবে তার তুলনায় এই ১শ বিলিয়ন ডলার যৎসামান্য, বেশ অপ্রতুল। এজন্য তরুণ সম্প্রদায়কে আরো বেশি অ্যাক্টিভিজম করতে হবে যাতে তাদেও ভবিষ্যত এবং বর্তমান সুরক্ষিত করা যায়।

ওয়াসেকা আয়েশা খান এমপি আরো বলেন, নবায়নযোগ্য জ¦ালানী সংক্রান্ত প্রকল্পগুলোর দেখাশোনার জন্য সংসদীয় কমিটি কাজ করছে। নবায়নযোগ্য জ¦ালানী প্রকল্প গ্রহণে জমি সংকট মোকাবিলায় নতুন নতুন ক্ষেত্র বের করা হচ্ছে। উপকূলজুড়ে তৈরিকৃত বায়ুচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো প্যারাবন পুনরুজ্জীবিত করবে। আর এটি আমাদের বদলে যাওয়া সমুদ্রতট-বেলাভূমিকে স্থিতিশীল এবং উপকূলীয় অঞ্চলকে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস থেকে সুরক্ষিত করতে সাহায্য করবে।

প্রযুক্তি হস্তান্তরকে খুব গুরুত্বপুর্ন ইস্যু হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সবুজ প্রযুক্তির হস্তান্তর ছাড়া আমাদের জ¦ালানী রুপান্তর কঠিন হয়ে যাবে। শিল্পোন্নত দেশগুলো প্রযুক্তিতে এগিয়ে। তাই তাদেরকে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসতে হবে। বায়োগ্যাসের মত জৈব জ¦ালানীর আরো প্রসারসহ জ¦ালানী ও বিদ্যুতের অপচয় রোধে ব্যক্তিগত পর্যায়ে সচেতনতার উপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

ইউরোপিয়ান ক্লাইমেট ফাউন্ডেশনের কান্ট্রি লিড মনোয়ার মোস্তফা বলেন, এক সময়ে ভাবা হত যে কার্বন নির্গমণ ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়। কিন্তু প্রযুক্তির কল্যাণে এখন এ বিষয় প্রতিষ্ঠিত কার্বন নির্গমণকে কমিয়েও উন্নয়নকে এগিয়ে নেয়া সম্ভব। গত দশকে বিশ^জুড়ে নবায়নযোগ্য জ¦ালানীর দাম ৮৩ ভাগ হ্রাস পেয়েছে। অন্যদিকে ফসিল ফুয়েলের দাম বেড়ে গেছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর ব্যয়বহুল নয়। সরকার এখন নিজেও কয়লা থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে প্রযুক্তি গুরুত্বপুর্ন ভূমিকা পালন করছে। তবে কয়লার বদলে এলএনজি গ্যাস টেকসই বিকল্প হবে না বরং অর্থনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করবে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে ভবিষ্যত গন্তব্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রাথমিক জ্বালানি এবং বিদ্যুত আমাদানীতে আমরা পাশ্ববর্তী দেশগুলোর উপর আমরা নির্ভরশীল। ৯০ ভাগ প্রাথমিক জ্বালানি নির্ভরশীলতা থেকে বেরিয়ে আমাদের জ্বালানি সুরক্ষা ও স্বাবভৌমত্ব নিশ্চিত করতে হবে। স্থায়ীত্বশীলতা, মানুষের জীবনযাত্রার মানোয়নন্ন এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আমাদের প্রধান গুরুত্বের জায়গা হওয়া উচিত। বায়ু দুষনের কারনে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, এটি এখন করোনার চেয়ে ভয়ংকর। শুধু আইন করলেই হবেনা। সরকারি এবং বেসরকারি খাতের কারিগরি দক্ষতা অর্জন জরুরী। আর এ লক্ষ্যে তরুণ ও ছাত্র সমাজের জোড়ালো কন্ঠে আওয়াজ তোলা উচিত বলে তিনি মনে করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব এনার্জির সহকারি অধ্যাপক ড. এস. এম. নাসিফ শামস নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারে আরো বেশি গবেষণার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

ক্লাইমেট পার্লামেন্ট বাংলাদেশের সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি এমপি বলেন, উপকূল অঞ্চল থেকে উত্তর অঞ্চল সবজায়গায় জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব বিদ্যমান। যেনতেন ভাবে উপকূলীয় বাঁধ নির্মাণ এবং সঠিকভাবে সংরক্ষণ বা দেখভাল না করায় অনেক জনপদের মানুষ কষ্টের মধ্যে রয়েছে । এছাড়া যৌথ নদী ও পানি ব্যবস্থপনায় প্রতিবেশি দেশ ভারতের সাথে সর্ম্পক উন্নয়ন করার উপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। সংসদ সদস্যদের সাথে তরুণরা যেভাবে কাজ করছে এর মাধ্যমে একদিন জলবায়ু সুবিচার প্রতিষ্ঠা পাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ক্লাইমেট পার্লামেন্ট বাংলাদেশের চেয়ারপার্সন তানভীর শাকিল জয় এমপি বলেছেন, সংসদ সদস্যদের জলবায়ু নেটওয়ার্ক তৃণমূলে জলবায়ু প্রকল্পে পরিবীক্ষনে যুক্ত করা এবং জাতীয় পর্যায়ে নীতি সংস্কারে একসাথে কাজ করছে। কপ২৬ সম্মেলনকে ঘিরে তরুণদের সাথে দেশের চারটি অঞ্চলে এক যৌথ মাঠ পর্যায়ে পরিদর্শনের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষ ও অংশীজন এবং প্রশাসনের সাথে আলোচনা হয়েছে। পরিদর্শন লব্ধ অভিজ্ঞতা নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপনের পাশাপাশি আসন্ন জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন কপ-২৬ সম্মেলনে তৃণমূলের কণ্ঠস্বর হিসেবে তুলে ধরা হবে। এ সম্মেলনে (কপ২৬) বাংলাদেশের সমস্যা তুলে ধরে জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সুবিচার আদায়ের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানো হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

The post কপ২৬: সবুজ প্রযুক্তির সহজ হস্তান্তর চায় ক্লাইমেট পার্লামেন্ট বাংলাদেশ appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/3bu04TV

বঙ্গ থেকে বাংলাদেশ https://ift.tt/eA8V8J

শ্যামল শীল
আমরা বাংলাদেশি। আমাদের ভাষা বাংলা। বাংলাদেশের অতি প্রাচীন ইতিহাস রয়েছে। হাজার হাজার বছরের প্রামাণ্য ইতিহাস রয়েছে আমাদের বাংলাদেশের। এ রকম প্রাচীন ও সুস্পষ্ট ইতিহাস অন্য কোনো দেশের আছে বলে মনে হয় না। “বাঙালির ইতিহাস” গ্রন্থে ড. মোহাম্মদ হান্নান, গোলাম হোসায়ন সলীম জইদ পুরীর ‘রিয়াজ-উস-সালাতীন’ বই হতে ‘বঙ্গ’ নামের উৎপত্তি নিয়ে বিশ্লেষণ করেছেন। রিয়াজ-উস-সালাতিন গ্রন্থখানি রচিত হয় (১৭৬৮-১৭৮৮ খ্রি.)। গ্রন্থটিতে বঙ্গ নামের মুসলিম চিন্তা-চেতনা ও বাঙালি মুসলমানদের প্রাচীন ইতিহাস লিপিবদ্ধ হয়েছে।
মহাপ্লাবনের পর হযরত নূহ (আ.), তার স্ত্রী, সন্তানসহ ৮০ জন নর-নারী আল্লাহর হুকুমে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে বংশ বৃদ্ধিতে নিয়োজিত থাকেন। নূহ (আ.) এর পরবর্তী বংশধরগণই নতুনভাবে পৃথিবী সাজিয়েছেন। নূহ (আ.)-এর এক পুত্র হাম এশিয়া অঞ্চলে বংশ বৃদ্ধিতে মনোনিবেশ করেন। হামের পুত্র “হিন্দের” নামানুসারে হিন্দুস্থান, সিন্দের নামানুসারে ‘হিন্দুস্থান’ বা ‘সিন্দু’ এবং হিন্দের পুত্র ‘বঙ্গ’-এর নামানুসারে বঙ্গদেশ। বঙ্গদেশের বা বঙ্গের সন্তানেরা বাঙালি বা বাংলাদেশি হিসেবে পৃথিবীতে পরিচিতি লাভ করে। তা হলে বলতে আর বাধা নেই নূহ (আ.)-এর পৌত্র বা নাতির নামানুসারে বঙ্গ বা বাংলাদেশ। এ ভ‚খÐের অধিবাসীরা বাংলাদেশি বা বাঙালি।
আবার অনেকে মনে করেন, বঙ্গ নামের উৎপত্তিতে ‘বংশী’ ও ‘বাঙালি নদীর’ ইতিহাস উদ্ঘাটন করা প্রয়োজন। প্রাচীন যুগেই বাংলা মূলত দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে পরে। গুপ্ত শাসনের পতন হলে ৫৫১ খ্রিস্টাব্দে পূর্ববাংলা এলাকা নিয়ে বঙ্গ-সমতট রাজ্য ও বঙ্গের পশ্চিমাঞ্চল নিয়ে গৌড় নামে আলাদা রাজ্য গড়ে ওঠে। সেই যে ৫৫১ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গ রাজ্য দুভাগে বিভক্ত হল সুদীর্ঘ দেড় হাজার বছরেও বাংলা এক হতে পারেনি। ভবিষ্যতে বাংলা একত্রিত হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
বাংলার পশ্চিমাংশ এখন (১৯৪৭ হতে) ভারতের অন্তর্গত। বঙ্গের পূর্বাংশ ১৯৭১ সাল থেকে স্বাধীন ‘বাংলাদেশ’ হিসেবে সারা বিশ্বে পরিচিত। এই প্রাচীন বঙ্গজাতির ইতিহাস সংস্কৃতি ও সভ্যতা কবে থেকে শুরু হয়েছে তা বলা মুশকিল। তবে প্রতœতত্ত¡বিদ ও ঐতিহাসিকদের ধারণা এখন থেকে ১০,০০০ বছর আগে বাংলাদেশে সভ্যতার সূচনা ঘটে। বাংলার এ সভ্যতার নাম ‘গঙ্গা রিদি সভ্যতা’। পদ্মা বা গঙ্গা নদীর তীরে এ সভ্যতার সূচনা ঘটে। গ্রিক ঐতিহাসিকগণ বাংলাকে গঙ্গারিদয় বা গঙ্গারিদি বলে উল্লেখ করেছেন। ঐতিহাসিক টলেমি ও পেরিপ্লাস গ্রিক ইতিহাসে উল্লেখ করেছেন, গঙ্গা রিদি রাজার বাসস্থান ছিল ‘গঙ্গে’ তবে গঙ্গারিদি রাজার রাজধানী গঙ্গে কোথায় অবস্থিত ছিল তা কিন্তু গ্রিক লেখকগণ উল্লেখ করেননি। তবে বাংলাদেশের ঐতিহাসিকদের ধারণা খুলনার কুমার নদীর তীরে ‘গঙ্গে’ বা গঙ্গারিদি রাজার বাসস্থান ছিল।
বর্তমান সুন্দরবনের হরিণ ঘাটাকে গঙ্গে বলে কল্পনা করা হয়। গ্রিক ইতিহাসে ‘গঙ্গে’-ই বাংলা সভ্যতার শুরুর কথা বলা হয়েছে। প্রাচীন বাংলার রাজধানী বিক্রমপুরের কালিগঙ্গা নদীর পশ্চিমতীরে এবং পদ্মা বা গঙ্গা নদীর পূর্বতীরে ‘গঙ্গানগর’ নামে একটি প্রাচীন নগরের অবস্থান বিক্রমপুরের মানচিত্রে সার্ভেয়ার জেনারেল এফআরএস দেখিয়েছেন। পদ্মার দিক পরিবর্তনে নগরটি বিলীন হয়ে গেছে। প্রাচীন বাংলায় স্বর্ণের খনি ছিল বলেও গ্রিক ইতিহাসে উল্লেখ রয়েছে। প্রাচীন বাংলায় বা বর্তমান বাংলাদেশে কোন সোনার খনি নেই। তবে প্রাচীন বাংলার বিক্রমপুরে সোনারং, স্বর্ণ গ্রাম, সোনারগাঁও, সোনাকান্দ এখনো বিদ্যমান। মহারাজ চৈতন্য গুপ্ত (৫০৭-৫০৮ খ্রি.) পূর্ব বাংলা অঞ্চল শাসন করতেন।
তিনি বাংলায় স্বর্ণমুদ্রার প্রচলন করেন। এছাড়া সমাচার দেব নামক বাংলার আরো একজন রাজা স্বর্ণমুদ্রার প্রচলন করেছিলেন। বাংলাদেশে যদি স্বর্ণের খনি না থাকতো তা হলে এতো স্বর্ণমুদ্রা কীভাবে তৈরি হতো। প্রাচীনকালে বাংলার কোথাও হয়তো স্বর্ণের খনি ছিল। আমাদের সভ্যতার ইতিহাস প্রাচীন ও রোমঞ্চকর। আরসি মজুমদার ভারতের প্রাচীন ইতিহাস গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, পশ্চিম বঙ্গের বর্ধমান জেলার অজয় নদীর তীরে বোলপুরের কাছে পান্ডু বাজার ঢিবি খনন করে বাংলার প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া গেছে। সেই প্রাচীন যুগে বাঙালিরা লোহা ও তামার ব্যবহার জানতো।
বাঙালিরা সেই প্রাচীন যুগে লিখতেও পারতো তাও ঢিবি থেকে আবিষ্কৃৃত হয়েছে। ঢিবি খননের পর পাকা রাস্তাও পাওয়া গেছে। এ সভ্যতার প্রকাশ ঘটেছিল খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ বছর আগে। নোয়াখালী জেলায় যে উৎকীর্ণ লিপি উদ্ধার করা হয়েছে তা থেকে অনুমিত হয় যে খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতাব্দীতে এ বাংলাদেশের মানুষ ‘প্রাকৃত’ ও ‘ব্রা²ী’ লিপিতে বিদ্যাচর্চা করত। ঐতিহাসিক রামশরন শর্মা বগুড়া জেলা হতে বেশ কিছু লিখন পদ্ধতির নমুনার কথা “প্রাচী ভারত’’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। এ সকল লিখন পদ্ধতি স¤্রাট অশোকের রাজত্ব কালের। সিলেট জেলার ভাটেরা গ্রামে গোবিন্দ কেশব দেবের শাসনামলের একটি লিখিত শিলালিপি উদ্ধার হয়েছে।
নিহার রঞ্জন রায় এ লিপিটি প্রাচীন বাংলার অন্যতম লিখিত প্রমাণ বলে উল্লেখ করছেন। ভারতের উত্তর প্রদেশে কৌশাম্বীর নিকট পভেসার প্রাপ্ত একটি গুহালিপিতে অধিচ্ছত্রের রাজা “বঙ্গপাল” বলে উল্লেখ রয়েছে। বঙ্গপালের পুত্র আসারসেন প্রথম শতাব্দিতে এ গুহালিপিটি করিয়েছিলেন। সামরিক দিক দিয়েও প্রাচীন বাংলার মানুষ খুবই শক্তিশালী ছিল। গ্রিক ইতিহাস থেকেও এর প্রমাণ পাওয়া যায়। গ্রিক ঐতিহাসিকরা বাঙালিদের যোদ্ধা জাতি হিসেবে অবহিত করেছেন। আলেকজান্ডার যখন ভারত আক্রমণ করেন তখন গঙ্গারিদি রাজা তার বিশাল সৈন্যবাহিনী নিয়ে বাংলাকে রক্ষার্থে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
আলেকজান্ডার ৩২৫-৩২৬ খ্রিস্টাপূর্বে মোট ১৯ মাস ভারত আক্রমণ চালান। গঙ্গারিদি রাজা আলেকজান্ডারকে বাধা দিতে দিতে ৮০,০০০ অশ্বারোহী, ২ লাখ পদাতিক, ৮,০০০ রথ, ৬০০০ যুদ্ধ হস্তি নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন। কিন্তু মহামতি আলেকজান্ডার বাংলায় না এসে বিপাশা নদী তীর থেকে ব্যবলিনে ফিরে যান। চন্দ্রগুপ্ত নামে এক বাঙালির সাথে পাঞ্জাবে আলেকজান্ডারের সাক্ষাৎ হয়েছিল। এখন থেকে ১০,০০০ বছর আগের ‘প্যালিওথিক ও মাইক্রোলিথিক’ অস্ত্র পশ্চিম বঙ্গে পাওয়া গেছে। তা থেকে আর অপেক্ষা থাকে না প্রাচীন কালে বাংলাদেশ কত শক্তিশালী ছিল। খ্রিস্টপূর্ব ১২০০-৬০০ অব্দ পর্যন্ত বাংলার নিজস্ব সভ্যতার সাথে আর্যসভ্যতার দ্ব›দ্ব বাঁধে।
তাই হয়তো মহাভারতের যুদ্ধে বঙ্গরাজ চিত্রসেন, পুন্ডুরাজ-বাসুদেব, প্রাকজ্যোতিষ-পুরাধিকনরক, মগধরাজ-জরাসন্দ কুরুক্ষেত্রে শ্রীকৃষ্ণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন। এ হলো আমাদের প্রাচীনকালের গর্বিত ইতিহাস। আমাদের প্রাচীন সেই সভ্যতার নির্দশন বিক্রমপুর, গৌড়, মহাস্থানগড়, পাহাড়পুর, ময়নামতি, সোনরাগাঁও, পান্ডুয়া এখনো কালের সাক্ষী হয়ে প্রমাণ দিয়ে যাচ্ছে। ১৯৪৭ সালে বাংলা আনুষ্ঠানিকভাবে দু’ভাগ হয়ে যায়। হিন্দু বিশেষ এলাকা পশ্চিমবঙ্গ ভারতের সাথে চলে যায়। আর মুসলমান আধিক্য এলাকা পূর্ববঙ্গ পাকিস্তানের সাথে যোগ দেয়। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ পাকিস্তান থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। ঢাকা
 গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাজধানী।
লেখকঃশিক্ষার্থী,ইতিহাস বিভাগ,জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়,ঢাকা।

The post বঙ্গ থেকে বাংলাদেশ appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/31e9RLT

৩ নভেম্বর জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের কর্মসূচি https://ift.tt/eA8V8J

বাংলাদেশের ইতিহাসে কলঙ্কজনক আর একটি অধ্যায় তিন নভেম্বর ৷ ১৯৭৫ সালের এই দিনে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দানকারীদের অন্যতম জাতীয় চার নেতাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়৷

জাতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের মাধ্যমে শোকাবহ দিনটি স্মরণ করে।

১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্ট একদল বিপথগামী সেনা সদস্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে৷ তার পর তার ঘনিষ্ঠ চার সহকর্মী সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে কারাগারে পাঠানো হয়৷ একই বছর তিন নভেম্বর আবারো একদল বিপথগামী সেনা সদস্য ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতর ঢুকে জাতীয় চার নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা করে৷ তারপর থেকে রাষ্ট্রের হেফাজতে হত্যাকা-ের এই ঘটনাটি ‘জেল হত্যা দিবস’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে বাংলাদেশে৷

‘জেল হত্যা দিবস’ উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ খুলনা জেলা শাখার উদ্যোগে

০৩ নভেম্বর, বুধবার বিকাল ৪টা৩০ মিনিটে জেলার দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

উক্ত কর্মসূচি সফল করতে, সকল নেতাকর্মীকে যথাসময়ে স্বাস্থ্য বিধি মেনে উপস্থিত থাকার আহবান করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ খুলনা জেলা শাখার সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদ ও সাধারণ সম্পাদক জনাব এ্ড সুজিত অধিকারী। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

The post ৩ নভেম্বর জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের কর্মসূচি appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/3pUl3HL

Sunday, October 31, 2021

দস্যুমুক্ত সুন্দরবন দিবস উপলক্ষে হেলিকপ্টারে র‌্যাবের লিফলেট বিতরণ https://ift.tt/eA8V8J

 

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরায় হেলিকপ্টার থেকে লিফলেট বিতরণ করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। রোববার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১২টার দিকে ওই লিফলেট বিতরণ করা হয়। লিফলেটে লিখা রয়েছে-২০১৮ সালের ১ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুন্দরবনকে ‘দস্যুমুক্ত সুন্দরবন’ ঘোষণা করেন। আগামীকাল সোমবার (১নভেম্বর) এর তৃতীয় বর্ষপূর্তি। প্রধানমন্ত্রীর প্রজ্ঞা, দিকনির্দেশনা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ তত্ত¡াবধান ও র‌্যাবের কর্মতৎপরতায় দস্যুমুক্ত হয় সুন্দরবন। এই সাফল্য অর্জনে র‌্যাব পেয়েছে দেশবাসীর আকুণ্ঠ সমর্থন ও ভালোবাসা। ২০১২সালে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে র‌্যাব মহাপরিচালককে প্রধান সমন্বয়কারী করে সুন্দরবনে জলদস্যু দমনে টাস্কফোর্স গঠনের মাধ্যমে গোড়াপত্তন ঘটে জলদস্যু মুক্তকরণ প্রক্রিয়ার।

 

২০১২সাল থেকে লিড এজেন্সি হিসেবে র‌্যাবের জোরালো অভিযানে কোণঠাসা হয়ে পড়ে জলদস্যুরা। উপর্যুপরি অভিযানে ফেরারি জীবনের অবসান ঘটিয়ে আত্মসমর্পণের পথ বেছে নেয় জলদস্যুরা। ২০১৬ সালের ৩১মে থেকে ২০১৮ সালের ১নভেম্বর পর্যন্ত সুন্দরবনের ৩২টি দস্যু বাহিনীর ৩২৮জন সদস্য, ৪৬২টি অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদসহ আত্মসমর্পণ করে। ফলে সম্পূর্ণরূপে জলদস্যুমুক্ত হয় সুন্দরবন। ২০১৮ সালের ১ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী এই সাফল্যের ঘোষণা দেন। গত তিন বছর র‌্যাব এই সাফল্য ধরে রেখেছে। এছাড়া আরো অনেক কিছু লেখা রয়েছে। উল্লেখ্য, দস্যুমুক্ত সুন্দরবন দিবসের তৃতীয় বর্ষপূর্তিতে আজ সোমবার বাগেরহাটের রামপালে আত্মসমর্পণ করা সাবেক দস্যুদের পুনর্বাসন সহায়তা দেবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। ২০১৮ সালের ১নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত ঘোষণা করেন।

 

এরপর থেকে র‌্যাবের আয়োজনে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। রামপাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার কবীর হোসেন জানান, আগামীকাল বেলা ১১টায় রামপাল উপজেলা পরিষদ চত্বরে র‌্যাব ফোর্সেসের ব্যবস্থাপনায় এই পুনর্বাসন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত থাকবেন খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, স্বারাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি শামসুল হক টুকু-এমপি, খুলনা ২এর এমপি সালাউদ্দিন, স্বারাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হাবিবুর রহমান, স্বারাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য পীর ফজলুর রহমান, এমপি গেøারিয়া ঝর্ণা সরকার, স্বারাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দীন, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো: সাফিনুল ইসলাম (বিজিবি এম-বার) এনডিসি, পিএসসি), অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন-র‌্যাবের মহাপরিচালক চৌধুরী আব্দুল্লাহ-আল-মামুন (বিপিএম, পিপিএম), স্বাগত বক্তব্য দিবেন-র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল কেএম আজাদ (বিপিএম, পিএসসি) সহ র‌্যাব-৬ ও র‌্যাব ৮-এর অধিনায়ক, বাগেরহাট জেলাসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। রামপাল উপজেলা পরিষদ চত্ত¡রে দস্যুমুক্ত সুন্দরবন দিবসে আত্মসমর্পণ করা সাবেক দস্যুদের মধ্যে অনেকে পুনর্বাসন সহায়তা হিসেবে পাচ্ছেন এসব গবাদি পশু। ইউএনও আরও জানান, আত্মসমর্পণ করা ৩২৬ জন সাবেক দস্যুর হাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন তুলে দিবেন পুনর্বাসন সহায়তা সামগ্রী। পুনর্বাসন সহায়তা হিসেবে আত্মসমর্পণ করা ৩২৬জনকে দেওয়া হবে বসতঘর, দোকানঘর, নৌকা-ট্রলার ও গবাদি পশু। পুনর্বাসন সহায়তার বসত ও দোকানঘর সাবেক দস্যুদের পছন্দনীয় জায়গায় ইতোমধ্যে র‌্যাবের ব্যবস্থাপনায় নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। তাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে ঘর ও দোকানের চাবি। আর অনুষ্ঠানস্থলে প্রস্তুত রয়েছে নৌকা-ট্রলার, জাল ও গরু। যা আনুষ্ঠানিকভাবে আগামীকাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাদের হাতে তুলে দিবেন। এরমধ্যে ঘর পাচ্ছেন ১০২জন, দোকান ৯০ জন ও ২০ জন পাচ্ছেন ট্রলার। আর বাকিরা পাচ্ছেন গবাদি পশু গরুসহ নানা সহায়তা। রামপাল উপজেলা পরিষদ চত্ত¡রে দস্যুমুক্ত সুন্দরবন দিবসে আত্মসমর্পণ করা সাবেক দস্যুদের ২০জন পাচ্ছেন পুনর্বাসন সহায়তা হিসেবে ২০টি ট্রলার। পহেলা নভেম্বর দস্যুমুক্ত সুন্দরবন দিবসের তৃতীয় বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠান সফল করতে রামপালে চলছে নানা প্রস্তুতি। উপজেলা পরিষদ চত্ত¡রে অনুষ্ঠানস্থলে র‌্যাবের ব্যাপক কার্যক্রম চলছে। সেখানে কাজের তদারকি করছেন র‌্যাবসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা। র‌্যাব জানান, দস্যুমুক্ত সুন্দরবন দিবস উদযাপনের লক্ষে র‌্যাব হেডকোয়ার্টার থেকে একটি দল হেলিকপ্টারে করে সচেতনতামূলক এ সব লিফলেট বিতরণ করেন।

The post দস্যুমুক্ত সুন্দরবন দিবস উপলক্ষে হেলিকপ্টারে র‌্যাবের লিফলেট বিতরণ appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/3mvmLgL