Thursday, April 1, 2021

শ্যামনগরের বুড়িগোয়ালিনিতে পাউবো’র বাঁধ ভেঙে পাঁচ গ্রাম প্লাবিত https://ift.tt/eA8V8J

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপকূল রক্ষা বাঁধ ভেঙে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করায় শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালীনি ইউনিয়নের পাঁচটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বুধবার রাত বারটার দিকে পাঁচ নং পোল্ডারের পশ্চিম দূর্গাবাটি এলাকার সাইক্লোন শেল্টার সংলগ্ন অংশে প্রায় দুইশ ফুট বাঁধ খোলপেটুয়া নদীনে বিলীন হলে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়।

এদিকে ভাঙন কবলিত অংশ দিয়ে নদীর সাথে সমানতালে লোকালয়ে জোয়ার-ভাটা চালু থাকায় প্রায় সাত হাজার বিঘা জমির চিংড়ি ঘেরসহ শত শত মিষ্টি পানির পুকুর লবন পানিতে তলিয়ে গেছে। প্রায় ছয় হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়ার পাশাপাশি তিন শতাধিক বাড়ি-ঘরে নদীর পানি প্রবেশ করেছে। ইতিমধ্যে স্থানীয় সংসদ সদস্য এসএম জগলুল হায়দারসহ পাউবো’র উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগন ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেছে টানা কয়েক বছর ধরে দূর্গাবাটিসহ আশপাশের এলাকার বাঁধ ভাঙতে থাকার পরও গত কয়েক মাস ধরে পাশর্^বর্তী নদী থেকে ব্যবসায়ীরা বালু উত্তোলনের কারনে সেখানকার বাঁধ ক্রমাগত ভাঙছে। দু’এক দিনের মধ্যে ভাঙন কবলিত অংশের বাঁধ মেরামত সম্ভব না হলে সামনের বড় জোয়ারে পাশর্^বর্তী গ্রামগুলো তলিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি মানুষকে বাড়ি-ঘর ছেড়ে চলে যেতে হবে বলেও তাদের দাবি।

উল্লেখ্য গত মঙ্গলবার সকালে আকস্মিকভাবে পশ্চিম দূর্গাবাটি এলাকার বাঁধের প্রায় ষাট ফুট জায়গা পাশের খোলপেটুয়া নদীতে ধসে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয়দের সাথে নিয়ে পাউবো কতৃপক্ষ টানা দু’দিন ভাঙন কবলিত অংশে বালু/মাটি দিয়ে ভাঙনের বিস্তার ঠেকানোর চেষ্টা করে। কিন্তু বুধবার রাতের জোয়ারে একই অংশ হতে প্রায় দুইশ ফুট বাঁধ নদীতে বিলীন হলে জোয়ারের পানিতে পশ্চিম ও পুর্ব দূর্গাবাটিসহ ভামিয়া, পোড়াকাটলা, আড়পাঙ্গাশিয়া আর মাদিয়া গ্রাম প্লাবিত হয়।

দূর্গবাটি গ্রামের নীলোৎপল মন্ডল জানায় বুধবার রাতের জোয়ারে সাইক্লোন শেল্টারের পাশর্^স্থ বাঁধ নদীতে ধসে যাওয়ায় তার চিংড়ি ঘের ও মিষ্টি পানির পুকুর ভেসে গেছে। একই গ্রামের নিরঞ্জন মন্ডল ও পোড়াকাটলা গ্রামের নীলকান্ত রপ্তান জানান রাতের জোয়ারের পানিতে শতাধিক চিংড়ি ঘের ভেসে গেলেও বৃহস্পতিবার দুপুরের জোয়ারে ছোট বড় হাজারের বেশী চিংড়ি ঘের আর মিষ্টি পানির পুকুর তলিয়ে গেছে। এছাড়া অনেকের বাড়ি এমনকি বসত ঘরে পর্যন্ত জোয়ারের পানি প্রবেশ করেছে বলে জানায় ভামিয়া গ্রামের গৃহবধু অনুরাধা মন্ডল আর সাবিত্রী দেবী।

স্থানীয়রা জানিয়েছে বুধবার রাতের পর বৃহস্পতিবার দুপুরের জোয়ারের পানি ভাঙন কবলিত অংশ দিয়ে লোকালয়ে প্রবেশ করায় সমগ্র এলাকা নদীর সাথে একাকার হয়ে গেছে। রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ভাঙন কবলিত অংশের পাশে নুতন করে বাঁধে ফাটল দেখা দিয়েছে। বাঁধের বাইরের অংশের চর দেবে যাওয়ার দরুন সেখানে বাঁধ দাড়াচ্ছে না দাবি করে তারা দ্রুত বাঁধ সংস্কারের পাশাপাশি পাশের নদী থেকে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবি জানিয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ সদস্য ও মাদিয়া গ্রামে বসবাসকারী ডালিম কুমার ঘরামী জানান, বুলবুল ও আম্পান এর ক্ষয়ক্ষতি এখনও আমরা কাটিয়ে উঠতে পারিনি। এর মধ্যে বুধবারের ভাঙন আমাদের ঘের-ভেড়ী তলিয়ে দিয়ে অন্তত পাঁচ হাজার মানুষকে সর্বশান্ত করে দিয়েছে। জরুরী ভিত্তিতে ভাঙন কবলিত বাঁধ মেরামতের আর্জি জানিয়ে বলেন, নদীর লবন পানিতে গোটা এলাকা তলিয়ে যাওয়াতে বুধবার সকাল থেকে গোটা এলাকার প্রায় পাঁচ হাজার পরিবার তীব্র খাবার পানির সংকটে পড়েছে।

সাতক্ষীরা পওর বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী আাবুল খায়ের জানান, স্থানীয়দের সাথে নিয়ে ভাঙন কবলিত অংশের ভিতর দিয়ে রিং বাঁধ নির্মাণের চেষ্টা চলছে। সংলগ্ন অংশের নদীর তলদেশে স্কাউরিং এর মাত্রা বেশী বিধায় সেখানকার বাঁধ বার বার ভাঙছে।

বেলাল হোসেন/আব্দুল হালিম, বুড়িগোয়ালীনি (শ্যামনগর):

The post শ্যামনগরের বুড়িগোয়ালিনিতে পাউবো’র বাঁধ ভেঙে পাঁচ গ্রাম প্লাবিত appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/3uhtI6j

অটিজম বৈশিষ্ট সম্পন্ন ব্যক্তির বিকাশে প্রয়োজন সচেতনতা https://ift.tt/eA8V8J

অটিজম স্পেকট্রাম স্নায়ুবিকাশজনিত বৈচিত্র যার প্রকৃত কারণ আজও চিকিৎসা বিজ্ঞানের কাছে অজানা। অটিজম স্পেকট্রামের ফলে একটি শিশুর জন্মের ১৮-২৪ মাস পর থেকে নানা ধরনের বুদ্ধিভিত্তিক বিকাশগত সমস্যা দেখা যায়। কখনো কখনো অটিজম সম্পন্ন ব্যক্তির মধ্যে একাধিক স্নায়ুবিক বিকাশগত সমস্যা লক্ষ করা যায়।

বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থায় কুসংস্কারের কারণে অধিকাংশ অটিজম স্পেকট্রাম বৈকল্য সম্পন্ন শিশু ও ব্যক্তি সমাজের মূলস্রোতের বাইরে রয়ে গেছে। অটিজম স্পেকট্রাম সম্পন্ন ব্যক্তির যথাযথ যত্ন, শিক্ষা প্রদান ও চিকিৎসা করলে তারাও একজন স্বাভাবিক মানুষের মত দেশের উন্নয়নে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে পারে।

মূলত অটিজম বৈশিষ্টসম্পন্ন শিশুর বয়স বাড়ার সাথে সাথে সামাজিক যোগাযোগ, ভাববিনিময় ও আচরণগত সমস্যা দেখা যায়। এসকল কারণে অভিভাবকগণ তাদেরকে সুস্থ শিশু থেকে আলাদা করে ফেলে এবং অজ্ঞতার কারণে এ সমস্যাকে প্রাকৃতিক অভিশাপ বলে শিশুকে সমাজ থেকে লুকিয়ে রাখার প্রবণতাও দেখা যায়।

অটিজম শণাক্তকরণের প্রাথমিক লক্ষণ সমূহের মধ্যে রয়েছে, শিশু জন্মের ০৬ মাসের মধ্যে স্বতঃস্ফূর্তভাবে না হাসা; ৯ মাসের মধ্যে তার যত্নকারীদের কথা, শব্দ, হাসি এবং মুখের ভাবভঙ্গির সাথে প্রতিক্রিয়ামূলক আচরণ না করা; ১২ মাসের মধ্যে মুখে কোনো শব্দ না করা, আঙ্গুল দিয়ে কোনো কিছু না দেখানো; ১৬ মাসের মধ্যে কোনো শব্দ না করা, ২৪ মাসের মধ্যে ২টি শব্দের সংমিশ্রণে বাক্য না বলা, শিশুর অর্জিত যোগাযোগ ও দক্ষতা হঠাৎ হারিয়ে যাওয়া। এসব লক্ষণ দেখা গেলে শিশুকে অটিজম বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে। শিশু স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে পরীক্ষা নিরীক্ষা করিয়ে দ্রুত যথাযথ চিকিৎসা শুরু করতে হবে। এক্ষত্রে মনে রাখতে হবে যত দ্রুত অটিজম শণাক্ত করা যায় ততই ভালো।

সরকারি জরিপমতে দেশে প্রায় সোয়া তিন লক্ষ অটিজম সম্পন্ন ব্যক্তি রয়েছে। দেশের অটিজমসহ নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবনমানোন্নয়নে সরকার নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্ট আইন ২০১৩ প্রণয়ন করেছে। এ আইনের বলে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্ট পরিচলিত হচ্ছে।

এ ট্রাস্ট আইনের ধারা ৪ অনুযায়ী যে ব্যক্তির মধ্যে (ক) মৌখিক বা অমৌখিক যোগাযোগে (Verbal and Non-Verbal Communication) সীমাবদ্ধতা; (খ) সামাজিক ও পারস্পরিক আচার-আচরণ, ভাববিনিময় কল্পনাযুক্ত কাজ করার সীমাবদ্ধতা; (গ) একই ধরনের বা সীমাবদ্ধ কিছু কাজ বা আচরণের পুনরাবৃত্তি; এই তিনটি বৈশিষ্ট উপস্থিত এবং (ঘ) শ্রবণ, দর্শন, গন্ধ, স্বাদ, স্পর্শ, ব্যাথা, ভারসাম্য ও চলনে অন্যদের তুলনায় বেশি বা কম সংবেদনশীলতা; (ঙ) বুদ্ধি প্রতিবন্ধীতা বা অন্য কোনো প্রতিবন্ধীতা বা খিচুনি;

(চ) এক বা একাধিক বা নির্দিষ্ট বিষয়ে অসাধারণ দক্ষতা এবং একই ব্যক্তির মধ্যে বিকাশের অসমতা; (ছ) অন্যের সাথে সরাসরি চোখে চোখ (eye contact) না রাখা বা কম রাখা; (জ) অতিরিক্ত চঞ্চলতা, উত্তেজনা বা অসঙ্গতিপূর্ণ হাসি-কান্না; (ঝ) অস্বাভাবিক শারীরীক অঙ্গভঙ্গি; (ঞ) একই রুটিনে চলার প্রচন্ড প্রবণতা; এসকল লক্ষণের এক বা একাধিক লক্ষণ পরিলক্ষিত হলে তারা অটিজম বৈশিষ্টসম্পন্ন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত হবেন।

সরকার এনডিডি ট্রাস্টের মাধ্যমে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন এ শিশুদের শিক্ষা কার্যক্রমকে যুগোপযোগী করতে দক্ষ শিক্ষক তৈরির জন্য বিশেষ শিক্ষা স্কুলের শিক্ষকদেরকে প্রশিক্ষণ প্রদান করছে। এনডিডি শিশুর সমন্বিত/বিশেষ শিক্ষা নীতিমালা, ২০১৯ মোতাবেক স্থাপিত বিদ্যালয় সমূহে অটিজম বৈশিষ্টসম্পন্ন শিশুদের পাঠদান নিশ্চিত করছে। এনডিডি ব্যক্তিদের কর্মমুখী প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে মেধা অনুযায়ী তাদেরকে দক্ষ করে গড়ে তোলা হচ্ছে এবং জব ফেয়ার-এর মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হচ্ছে। অভিভাবক প্রশিক্ষণ নির্দেশিকা প্রণয়নপূর্বক অভিভাবক ও কেয়ার গিভার প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে।

সরকারি উদ্যোগে অটিজম বৈশিষ্টসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা ও সেবা প্রদান করা হচ্ছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট ফর পেডিয়াট্রিক নিউরো-ডিসঅর্ডার এন্ড অটিজম (IPNA) ও শিশু ও মনোরোগবিদ্যা বিভাগ, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট, বিভিন্ন সরকারি মেডিক্যাল কলেজে শিশু বিকাশ কেন্দ্র এবং জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল এ সংক্রান্ত চিকিৎসা ও সেবা প্রদান করা হচ্ছে। মুজিববর্ষ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে এনডিডি ট্রাস্ট কর্র্তৃক ২০০০-২০২১ অর্থবছরে ২৫০০ জন এনডিডি ব্যক্তিকে ১০,০০০ টাকা করে এককালীন চিকিৎসা অনুদান প্রদান করা হচ্ছে।

অটিজম বিষয়ে পর্যাপ্ত জ্ঞান থাকলে এনডিডি ব্যক্তিরা পরিবার ও সমাজের বোঝা না হয়ে সম্পদে পরিণত হবে। এ বিষয়ে অভিভাবক বিশেষ করে মায়েদের পর্যাপ্ত জ্ঞান থাকলে শিশুর বেড়ে উঠার সময়ে কোনো অস্বাভাবিকতা লক্ষণীয় হলে সাথে সাথে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরামর্শ গ্রহণ করলে জটিলতা অনকেটাই কাটিয়ে উঠা যায়।

এ বৈশিষ্ট সম্পন্ন শিশুর শারীরীক ও মানসিক বিকাশে যথাযথ বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যবস্থা গ্রহণ করলে তাদের বিকাশ ও স্বাভাবিক মানুষের মত হয়। অটিজম কোনো অভিশাপ নয়, এটি সৃষ্টিরই রহস্য একে স্বাভাবিকভাবে মেনে নিয়ে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে প্রদানকৃত চিকিৎসা, পরামর্শ, সেবা গ্রহণ করে গাইডলাইন অনুযায়ী যত্ন নিলে তারা দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবে।

বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার উদ্যোগে প্রতি বছর এ এপ্রিল মাসের দ্বিতীয় দিন বিশ্ব অটিজম সজেতনতা দিবস পালিত হয়। অটিজম বিষয়ে ব্যাপক সচেতনতা তৈরিতে বাংলাদেশেও এ দিবসটি পালিত হয়। করোনা মহামারিকালীন সময় ও করোনাত্তোর সময় অটিজম বৈশিষ্টসম্পন্ন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ। এ বছর “মহামারিত্তোর বিশ্বে ঝুঁকি প্রশমন কর্মক্ষেত্রে সুযোগ হবে প্রসারণ” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ১৪তম বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস পালিত হচ্ছে।

অটিজম বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে সরকারি-বেসরকারি উদ্যেগের পাশাপাশি সামাজিকভাবে অংশীজনদেরও অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। এক্ষেত্রে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ অটিজম বিষয়ে আলোচনা, সামাজিক ও শারীরিক হয়রানি বন্ধে সচেতনতা তৈরি করতে পারেন। প্রতিটি  শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে প্রতিবন্ধীদের শিক্ষা প্রদান, শ্রেণিকক্ষে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া ও  সহশিক্ষার্থীদের মধ্যে সহমর্মীতা তৈরি জন্য ইতিবাচক মানসিকতার চর্চা করতে হবে।

স্থানীয় সরকার পর্যায়ের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকেও অটিজম বিষয় বিবেচনা করে স্থানীয় পর্যায়ে বাজেট প্রণয়ন ও প্রকল্প গ্রহণ করে তা বাস্তবায়নে আন্তরিক হতে হবে। সর্বোপরি স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে প্রতিটি পরিবারের মধ্যে এ বিষয়ে সচেতনতা তৈরি ও সরকারি সেবা প্রাপ্তির বিষয়ে তথ্য সরবরাহ করে অটিজম স্পেকট্রাম বৈকল্য সম্পন্ন ব্যক্তিদের মেধা বিকাশের পরিবেশ ও একটি বাসযোগ্য সমাজ নিশ্চিত করা প্রতিটি সচেতন নাগরিকের দায়িত্ব।

পিআইডি ফিচার

লেখক : মোহাম্মদ জাকির হোসেন, সিনিয়র তথ্য অফিসার, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

The post অটিজম বৈশিষ্ট সম্পন্ন ব্যক্তির বিকাশে প্রয়োজন সচেতনতা appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/3rGeSV2

করোনা সতর্কতায় সাতক্ষীরা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের জরুরি গণবিজ্ঞপ্তি https://ift.tt/eA8V8J

এতদ্বারা সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, করোনা পরিস্থিতি উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধির কারণে সরকারি সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে জেলায় সকল ধরনের জনসমাবেশ যেমন-সামাজিক/রাজনৈতিক/ধর্মীয় (ইসলামিক জলসা, নামযজ্ঞ, প্যাগোডায় প্রার্থনা, সভাসমিতি ইত্যাদি) সমাবেশ আয়োজন আগামী ১৫ (পনের) দিনের জন্য সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করা হলো। পর্যটন/বিনোদন কেন্দ্র/সিনেমা হল ইত্যাদি এ আদেশের আওতায় আসবে। জনসমাগম করে খেলাধুলা এবং সকল প্রকার উৎসব আয়োজন সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।

বিবাহ অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে ১০০ জনের অধিক জনসমাগম সম্পূর্ণ নিধিদ্ধ করা হলো। হোটেল/রেস্তোরাঁ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে শুধুমাত্র ক্ষুধা নিবারণের জন্য খোলা থাকবে। তবে হোটেল/ রেস্তোরাঁর ভেতরে অপ্রয়োজনীয় আড্ডা এবং জনসমাগম সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে।

মসজিদ, মন্দিরসহ সকল ধর্মীয় উপাসনালয়ে নামায এবং প্রার্থনাকালে কোভিড স্বাস্থ্য প্রটোকল তথা ৩ (তিন) ফুট দূরে অবস্থান এবং মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করতে উপপরিচালক ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ইমাম সাবেব এবং সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় উপাসনালয় কমিটিকে বিশেষ অনুরোধ করা হলো। আন্তঃজেলা এবং অভ্যন্তরীন রুটে চলাচলকারী সকল বাস মালিককে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক যাত্রি পরিবহন এবং স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে নির্দেশনা দেওয়া হলো।

এর কোনরূপ ব্যত্যয় ঘটলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। শপিংমলসহ সকল প্রকার হাট-বাজারে ক্রয় বিক্রয়ের ক্ষেত্রে শতভাগ মাস্ক পরধান এবং ৩ (তিন) ফুট দূরত্ব বজায় রাখা নিশ্চিত করতে হবে। ব্যর্থতায় ক্রেতা-বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শহরের অভ্যন্তরে এবং আন্তঃ উপজেলা চলাচলকারী সকল গণপরিবহনের ক্ষেত্রে এই আদেশ প্রযোজ্য হবে। সকল ধরণের কোচিং সেন্টার সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে। প্রয়োজনে বাইরে গেলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। অপ্রয়োজনীয় ঘোরাফেরা/আড্ডা বন্ধ থাকবে। আদেশ অমান্যকারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ নির্দেশনা আপাতত ১৫ দিন বলবৎ থাকবে।

আদেশক্রমে

জেলা ম্যাজিস্ট্রেট

সাতক্ষীরা

The post করোনা সতর্কতায় সাতক্ষীরা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের জরুরি গণবিজ্ঞপ্তি appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/3sHJjvs

যৌন নিযাতনের বিচার না পেয়ে কলারোয়ায় পুত্র কন্যাকে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যা https://ift.tt/eA8V8J

কলারোয়ায় শিশু কন্যাকে যৌন নির্যাতনের বিচার না পেয়ে দুই ছেলে-মেয়েকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর রশিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছেন মা মাহফুজা খাতুন (৩২)।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার লাঙ্গলঝাড়া বাজারের পাশে নিজ বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।

মাহফুজা খাতুন ওই গ্রামের ট্রাক ড্রাইভার শিমুল হোসেনের স্ত্রী। নিহত দুই শিশু হলো, শিমুল হোসেনের ছেলে মাহফুজ (৯) ও মেয়ে মোহনা (৫)।

শিমুল হোসেনের পিতা আব্দার আলী জানান, তিন দিন আগে খেলা করার সময় স্থানীয় লাল্টুর ছেলে হৃদয় (১৪) শিশু মোহনাকে যৌন নির্যাতন করে। মোহনা বিষয়টি বাড়ি এসে মাকে জানালে মাহফুজা স্থানীয় ইউপি সদস্য সাফিজুলের কাছে বিচার চান। তখন সাফিজুুল সামনে নির্বাচন উল্লেখ করে কয়েকদিন পরে বিচারের আশ্বাস দেন। বিষয়টি চেয়ারম্যানকে জানালে তিনি মামলার পরামর্শ দেন।

পরে মাহফুজা তার কাছে (আব্দার আলী) মামলা করার কথা বললে তিনি বলেন, আমরা গরীব মানুষ, মামলার খরচ চালাবো কিভাবে। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি (আব্দার আলী) কাজে গেলে মাহফুজা দুই সন্তানকে মেরে নিজেও আত্মহত্যা করেছে।

কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর খায়রুল কবীর জানান, নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। বিষয়টি নিয়ে অধিকতর তদন্ত করা হবে।

পত্রদূত ডেস্ক:

The post যৌন নিযাতনের বিচার না পেয়ে কলারোয়ায় পুত্র কন্যাকে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যা appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/2PhanDv

মধু মৌসুম শুরু, আনুষ্ঠানিকতার পর সুন্দরবনে প্রবেশ করেছে মৌয়ালরা https://ift.tt/eA8V8J

লোকজন ঠিক করা থেকে ড্রাম কিংবা দা সব কিছু রেডি করেলাম বেশ আগেই। নৌকা সাজানোর কাজও শেষ করিছি পাঁচ/সাত দিন হয়েছে। অপেক্ষা শেষে পাশ (অনুমতিপত্র) হাতে এসেছে সকালে। একটু পরেই বনে নামবো। কথাগুলো বলেন সুন্দরবন সংলগ্ন দাতিনাখালী গ্রামের ষাটোর্ধ্ব বয়সী খোকন গাজী।

নীলডুমুর খেয়াঘাটে দাড়ানো কদমতলা গ্রামের আশরাফুল ইসলামের দাবি নৌকার বিএলসি নেয়ার পর বাজার সদয় এর কাজ অনেক আগেই গুছিয়েছেন। সঙ্গে যাওয়া শ্রমিকদেরও আগাম মজুরী মিটিয়ে দিয়েছেন আগেভাগে। বনবিভাগের অনুমতি পাওয়ার পর এখন তারা সুন্দরবনে উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন।

তবে শুধু দাতিনাখালীর খোকন গাজী আর কদমতলা গ্রামের আশরাফুল না। বরং কালিঞ্চি, মীরগাং, সোরা, আর গাবুরাসহ সুন্দরবন তীরবর্তী বিভিন্ন এলাকার অসংখ্য মৌয়াল দল প্রস্তুতি শেষে বৃহস্পতিবার থেকে সুন্দরবনে ঢুকতে শুরু করেছে। পুর্বেই নৌকা সাজানোর সকল কাজ সম্পন্নের পাশাপাশি সুন্দরবনে অবস্থানকালীন সময়ের জন্য প্রয়োজনীয় কেনা কাটাও গুছিয়ে নিয়েছিল তারা। আজ বৃহস্পতিবার সকালে বনবিভাগের পাশ (অনুমতি পত্র) হাতে পাওয়া মাত্রই তারাও সুন্দরবনের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছে।

উল্লেখ্য প্রতি বছরের ন্যায় এবারও আজ ১ এপ্রিল বনবিভাগের অনুমতি নিয়ে মৌয়াল দলগুলো মধু সংগ্রহের জন্য সুন্দরবনে প্রবেশ করতে শুরু করেছে। সুন্দরবনে মৌয়ালদের প্রবেশাধিকার বা পাশ দেয়া উপলক্ষে বেলা দশটায় বুড়িগোয়ালীনি ষ্টেশন অফিসে সংশ্লিপ্ত আনুষ্ঠানিকতার পরপরই মৌয়ালদের হাতে মধু সংগ্রহের পাশ উঠিয়ে দেয়া হয়।

বুড়িগোয়ালীনি ষ্টেশন অফিসার সুলতান হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে নির্দেশণামুলক বক্তব্যের পর মৌয়ালদের হাতে ‘পাশ’ উঠিয়ে দেন পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক এম এ হাসান। পশ্চিম সুন্দরবনের চারটি ষ্টেশন থেকে প্রথম পর্যায়ে দুই শতাধিক মৌয়াল দল পাশ বা অনুমতিপত্র গ্রহন করেছে বলে বুড়িগোয়ালীনি ষ্টেশন অফিস সুত্র নিশ্চিত করে।

মৌয়াল দলগুলোর সাথে কথা বলে জানা গেছে কাটুনি বাউলে, আড়িয়ালা, কড়ের বেবলে, বাহির ছাটা ওলাসহ প্রতিটি দলে সাত থেকে নয় জন পর্যন্ত সদস্য থাকে। প্রথম পর্যায়ে তারা পনের দিন সুন্দরবনে অবস্থান করে সংগৃহীত মধু ও মোম নিয়ে লোকালয়ে ফিরে পুনরায় সুন্দরবনে প্রবেশ করে দ্বিতীয় বারের মত। এভাবে টানা দু’মাস মৌয়াল দলগুলো সুন্দরবন থেকে মধু ও মোম সংগ্রহ করবে।

এদিকে আজ থেকে মৌয়াল দলগুলো সুন্দরবনে প্রবেশ করলেও এবার আশানুরুপ মধু পাওয়া নিয়ে তারা সংশয়ের কথা জানিয়েছে। মুলত আগাম বৃষ্টি না হওয়ার পাশাপাশি চোরাইভাবে এ বছর দেদারছে মধু সংগ্রহের কারনে ‘চালান’ বাঁচানো নিয়ে তারা রীতিমত শংকায় পড়ার কথা জানিয়েছে। সোরা গ্রামের মোসলেম উদ্দীন ও আবুল হোসেন আর কদমতলা গ্রামের আলম গাজী জানায় প্রতি বছর প্রথম পনের দিনে বার থেকে পনের মণেরও অধিক মধু পাওয়া যেত। কিন্তু এবছর বৃষ্টি না হওয়ায় চাক-এ মধুর পরিমান তুলনামুলকভাবে কম থাকার সম্ভবনা।

সাত থেকে নয় জনের একটি বহর নিয়ে বনে যেতে প্রতিটি চালানে ষাট/সত্তর হাজার টাকা খরচ -উল্লেখ করে তারা আরও বলেন, মহাজনের থেকে চোটাই (সুদে) টাকা নিয়ে সুন্দরবনে যাচ্ছি। যদি চালান মার যায়, তবে ঋণের বোঝা টেনে বেড়াতি হবে। তবুও উপায়ন্তর না থাকায় বাধ্য হয়ে এবছর মধু সংগহে যাচ্ছে বলেও জানায় তারা।

কালিঞ্চি গ্রামের হাফিজুর রহমান ও চাঁদনীমুখা গ্রামের নওহর আলী জানায়, এলাকায় কাজ না থাকার সুযোগে এবছর মাছ কাঁকড়া শিকারের আড়ালে প্রচুর বনজীবি সুন্দরবনে যেয়ে চোরাইভাবে মধু কেটেছে। এসব চোরাই মৌয়ালদের কারনে প্রায় সবগুলো চাক ইতিমধ্যে দু’একবার কাটা পড়েছে। তাই ধরনা করা হচ্ছে বিগত বছরগুলোর তুলনায় মধু অনেক কম জুটবে। তারপরও বাপ-দাদাার পেশা মেনে আর পরিবারের সারা বছরের ভরোণ পোষন যোগাতে বাধ্য হয়ে বনে যাতি হচ্ছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েক মৌয়াল দলের সদস্য জানায় প্রতিবার মধু নিয়ে ফেরার পথে ‘পাশ’ সারেন্ডারের সময় বনবিভাগকে কিছু কিছু মধু দিতে হয়। এবছরও একই অবস্থা হলে মৌয়াল দলগুলো খুব বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হবে।

এদিকে গত কয়েক বছর সুন্দরবনে বাঘের উপদ্রব না থাকায় মৌয়াল দলগুলো অনেকটা নির্বিঘেœ মধু সংগ্রহ করেছিল। কিন্তু এবছর গোলপাতা মৌসুমের শেষ দিকে পশ্চিম সুন্দরবনের পায়রাটুনি এলাকায় বাঘের আক্রমে এক বনজীবি নিহতের ঘটনায় সুন্দরবনে ঢুকতে প্রস্তুত মৌয়ালদলের সদস্যরা কিছুটা আতংকে রয়েছে বলে জানিয়েছে। নীলডুমুর গ্রামের আমিরুল ইসলাম, পানখালীর জহিরুল ইসলাম ও কালিঞ্চির মনোরঞ্জন মন্ডল জানায়, বনদস্যুদের সাথে সাথে বাঘের ভয় গত কয়েক বছরে কমলেও এবছর আবারও বনে মানুষ পড়েছে। তারপরও মধু সংগ্রহ পেশা বিধায় সর্বোচ্চ সতর্কতা নিয়ে বনে যাচ্ছে সবাই।

সাতক্ষীরা রেঞ্জের পশ্চিম বনবিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক এমএ হাসান জানায় প্রতি বছর ১ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে মৌয়ালদের হাতে পাশ উঠিয়ে দেয়ার রীতি থাকলেও করোনা মহামারীর কারনে এবছর তা হচ্ছে না। বৃহস্পতিবার মৌয়ালদের হাতে অনুমতি দেয়ার পর তারা মধু সংগ্রহে বনে প্রবেশ করবে। এবছর ১ হাজার ৫০ কুইন্টাল মধু এবং ২ শত ৬৫ কুইন্টাল মোম সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আব্দুল হালিম, বুড়িগোয়ালীনি (শ্যামনগর):

The post মধু মৌসুম শুরু, আনুষ্ঠানিকতার পর সুন্দরবনে প্রবেশ করেছে মৌয়ালরা appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/3dq7cRD

শ্যামনগরে পারিবারিক বিরোধের জেরে বড় ভাইকে পটিয়ে জখম https://ift.tt/eA8V8J

পারিবারিক বিরোধের জের ধরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বড় ভাই আইয়ুব হোসেনকে পিটিয়ে জখম করেছে ছোট ভাই মিজানুর রহমান ও তার লোকজন। ঘটনাটি ঘটেছে শ্যামনগর উপজেলার ধুমঘাট গ্রামে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে নয়টার দিকে। ঘটনার পরপরই মারাত্বক আহত অবস্থায় স্থানীয়রা আইয়ুব হোসেনকে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে।

আহতের ভাতিজা আব্দুর রহিম জানান সকাল থেকে তার বড় চাচা আইয়ুব হোসেন শ্রমিকদের নিয়ে তার নিজ পুকুরের কাঁদা পরিস্কারের কাজ করছিল। এসময় তার ছোট চাচা মিজানুর রহমান লোকজন নিয়ে যেয়ে কাজ বন্ধের নির্দেশ দেয়।

নিজ পুকুরের কাঁদা পরিস্কার করছে জানিয়ে কাজ অব্যাহত রাখায় মিজানুর রহমান ও তার সহযোগী সিদ্দিক গাজীসহ ১০/১২ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আইয়ুব হোসেনের উপর হামলা চালায়। এক পর্যায়ে আইয়ুব হোসেন জ্ঞান হারালে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

আহতের অপর ভাতিজা আব্দুর রহমান অভিযোগ করেন, আইয়ুব হোসেনকে রক্ষা করতে এগিয়ে যেয়ে তার পিতা খলিলুর রহমানও ছোট চাচা মিজানুর রহমানসহ তার লোকজনের হামলার শিকার হয়েছে। বিষয়টি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে অবহিত করেছেন এবং থানায় লিখিত অভিযোগ করবেন বলেও জানান তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে মিজানুর রহমান জানান, আমি কারও উপর হামলা করিনি। বরং আমার উপর হামলা করেছে আমার ভাই।

শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নাজমুল হুদা বলেন, এখনও পর্যন্ত কোন অভিযোগ দেয়নি কেউ। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শ্যামনগর প্রতিনিধি:

The post শ্যামনগরে পারিবারিক বিরোধের জেরে বড় ভাইকে পটিয়ে জখম appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/3mhhMP1

কলারোয়ায় বিষপানে এক যুবক ও এক গৃহবধুর আত্মহত্যা https://ift.tt/eA8V8J

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ফিরোজ হোসেন মিলন (৩৫) নামে এক যুবক বিষপানে আত্মহত্যা করেছে। সে উপজেলার আলাইপুর গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে। কলারোয়া হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার মাহফুজ ইমরান জানান-তার হাসপাতালে ফিরোজ হোসেন নামে ওই যুবক বিষপান করে ৩১মার্চ দুপুর ১২টার দিকে জরুরি বিভাগে ভর্তি হন।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে মৃত্যু বরণ করেন। অরদিকে কলারোয়ায় পারিবারিক কলহের জের ধরে মর্জিনা খাতুন নামে এক গৃহবধু বিষপানে আত্মহত্যা করেছে। সে কলারোয়া উপজেলার হেলাতলা ইউনিয়নের দামুদারকাটি গ্রামের আশরাফুলের স্ত্রী।

মঙ্গলবার রাতে সে বাড়ীর সকলের অজান্তে বিষপান করে বলে জানা গেছে। বুধবার ওই গৃহবধুর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ সাতক্ষীরা মর্গে প্রেরণ করেছে। এঘটনায় কলারোয়া থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মীর খায়রুল কবীর জানান-উভয় ঘটনায় কলারোয়া থানায় পৃথক ভাবে দুটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিনিধি:

The post কলারোয়ায় বিষপানে এক যুবক ও এক গৃহবধুর আত্মহত্যা appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/3fvzyN6