Tuesday, April 28, 2020

কোভিড-১৯ মহামারীতে মৃত্যুপুরী বিশ্ব, মৃত্যু ২ লাখ ১৮ হাজার ছাড়াল https://ift.tt/eA8V8J

কোভিড-১৯ মহামারীর দাপটে মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে বিশ্ব। প্রতিদিন শয়ে শয়ে মানুষ মারা যাচ্ছে। আক্রান্ত হচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। সবশেষ তথ্যানুযায়ী করোনায় মৃত্যুর মিছিলে যোগ দিয়েছেন ২ লাখ ১৮ হাজারের বেশি মানুষ।

বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে প্রাণহানি ও অসুস্থদের পরিসংখ্যান রাখা আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত কোভিড ১৯-এ মারা গেছেন দুই লাখ ১৮ হাজার ১০ জন।

করোনাভাইরাসে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে বিশ্বের ৩১ লাখ ৩৮ হাজার ৭৮৫ জন। তাদের মধ্যে বর্তমানে ১৯ লাখ ৬৪ হাজার ১২১ চিকিৎসাধীন এবং ৫৬ হাজার ৯৬৫ জন (৩ শতাংশ) আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন।

করোনায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়িয়েছে। মারা গেছেন ৫০ হাজারের বেশি মানুষ।

তবে ইতিবাচক খবর হচ্ছে– এ ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়ে উঠেছেন অনেক মানুষ। এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্তের মধ্যে ৯ লাখ ৫৫ হাজার ৮২৪ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

কোভিড-১৯ রোগ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে সেরে উঠেছেন এক লাখ ৪২ হাজার ২৩৮ জন, স্পেনে সেরে উঠেছেন এক লাখ ২৩ হাজার ৯০৩ জন, চীনের মূল ভূখণ্ডে ৭৭ হাজার ৫৭৮, ইরানে ৭২ হাজার ৪৩৯, ইতালিতে ৬৮ হাজার ৯৪১ এবং ফ্রান্সে ৪৬ হাজার ৮৮৬ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

এ ছাড়া তুরস্কে ৩৮ হাজার ৮০৯ জন, সুইজারল্যান্ডে ২২ হাজার ৬০০, কানাডায় ১৯ হাজার ১৯০, অস্ট্রিয়ায় ১২ হাজার ৫৮০, বেলজিয়ামে ১০ হাজার ৯৪৩, দক্ষিণ কোরিয়ায় আট হাজার ৯২২, অস্ট্রেলিয়ায় পাঁচ হাজার ৬২৬ এবং মালয়েশিয়ায় চার হাজার ৩২ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীন থেকে উৎপত্তি হওয়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১০ দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। গত ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারী ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

বাংলাদেশেও থাবা বসিয়েছে কোভিড ১৯। ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। বাংলাদেশে মঙ্গলবার পর্যন্ত ১৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। মোট ছয় হাজার ৪৬২ জন করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে।

The post কোভিড-১৯ মহামারীতে মৃত্যুপুরী বিশ্ব, মৃত্যু ২ লাখ ১৮ হাজার ছাড়াল appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/2VP4wFT

আজও দেশের অর্ধেক অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির হত‌ে পার‌ে https://ift.tt/eA8V8J

আজও দেশের প্রায় অর্ধেক অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে। সেসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।আজ দিনের প্রথমভাগের পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

আজ দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজশাহী, রংপুর, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টায় ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। পশ্চিম বা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইতে পারে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি হতে পারে।

The post আজও দেশের অর্ধেক অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির হত‌ে পার‌ে appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/3d9242T

নড়াইলের জমিদার রাম রতন রায় প্রথম বিরোধিতা করেছিল: রানি রাসমনি মন্দির প্রতিষ্ঠার সময়!! https://ift.tt/eA8V8J

উজ্জ্বল রায় নিজস্ব প্রতিবেদক নড়াইল■
কাগজে ছাপা হয়েছিল দক্ষিণেশ্বরে কালীমন্দির প্রতিষ্ঠার সংবাদ, জানবাজার নিবাসিনী পুণ্যশীলা শ্রীমতী রানী রাসমণি জ্যৈষ্ঠ পৌর্ণমাসী তিথি যোগে দক্ষিণেশ্বরের বিচিত্র নবরত্ন ও মন্দিরাদিতে দেবীমূর্তি প্রতিষ্ঠা করিয়াছেন। ওই দিবস তথায় প্রায় লক্ষ লোকের সমাগম হইয়াছিল।’‌উজ্জ্বল রায় নিজস্ব প্রতিবেদক নড়াইল জানান, মন্দির প্রতিষ্ঠাত্রী রানি রাসমণি ছিলেন সর্ব অর্থেই ব্যতিক্রমী, সমসাময়িক রক্ষণশীলতার মুখে ছুঁড়ে দেওয়া নিত্য চ্যালেঞ্জ। তা ছাড়া একের পর এক বাধায় মন্দির প্রতিষ্ঠার তারিখ ক্রমশ পিছোচ্ছিল। মন্দির তৈরি হওয়ার আগেই মূর্তি তৈরির বরাত দিয়ে বসেছিলেন। মূর্তি তৈরি হয়ে গিয়েছিল। কালো ধূসর আগ্নেয়শিলা ব্যাসল্ট পাথর দিয়ে তৈরি কালী। চতুর্ভুজা দেবীমূর্তির উচ্চতা তিন ফুটেরও কম, সাড়ে তেত্রিশ ইঞ্চি। প্রচলিত কালীমূর্তির মতোই দেবীর গলায় মুণ্ডমালা। কিন্তু কোমরে কাটা হাত গেঁথে তৈরি কটিবন্ধনী নেই। দেবী শায়িত শিবের ওপর দাঁড়িয়ে আছেন। শিবের মূর্তিটি সাদা মার্বেল পাথরের। মূর্তি তৈরি শেষ হওয়ার পর সেটাকে একটা কাঠের বাক্সে সযত্নে ভরে রাখা হয়। পাছে কোনওভাবে মূর্তিটি ভেঙে যায় বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেজন্যই এই ব্যবস্থা। সেই মূর্তি বাক্সবন্দি হয়ে পড়ে আছে অনেকদিন। আর দেরি করার পক্ষপাতী ছিলেন না জানবাজারের রানি। মন্দির প্রতিষ্ঠা হবে, আর দেরি করা চলবে না। এই হল তাঁর মত।সাত বছর আগে ১৮৪৮-এ প্রথম মন্দির নির্মাণের ভাবনাটা মাথায় আসে। নৌকাযোগে কাশী যাওয়ার পথে স্বপ্নাদেশ লাভ। কাশী যাওয়ার আর দরকার নেই। ভাগীরথী তীরেই দেবীকে প্রতিষ্ঠা করে অন্নভোগ নিবেদনের আদেশপ্রাপ্তি। স্বপ্নে আদেশ পাওয়া মাত্র কোমর বেঁধে কাজে নেমে পড়েন রানি। আর পড়ামাত্র একটার পর একটা বাধার মুখোমুখি। প্রথম বাধা জমি নিয়ে। গঙ্গার পশ্চিমকূল, ভাগীরথী সমতুল। স্বাভাবিকভাবে প্রথম খোঁজ চলল সেখানে। অর্থাৎ বালি-উত্তরপাড়ায়। রানি ধর্মপ্রাণা এবং বিত্তশালী। সুতরাং মন্দিরের জমির জন্য যে-কোনও অঙ্কের অর্থ দিতে তৈরি ছিলেন। তবু জমি পাওয়া গেল না। কারণটা কী ছিল তা স্বয়ং শ্রীরামকৃষ্ণ জানিয়েছিলেন ‘লীলাপ্রসঙ্গ’-এর রচয়িতা স্বামী সারদানন্দকে। বালি-উত্তরপাড়ার জমিদারদের বক্তব্য ছিল, ‘‌তাঁহাদের অধিকৃত স্থানের কোথাও অপরের ব্যয়ে নির্মিত ঘাট দিয়া তাঁহারা গঙ্গায় অবতরণ করিবেন না।’‌ এই জমিদারদের নেতৃত্বে ছিলেন নড়াইলের জমিদার রামরতন দত্তরায়,  শোনা যায় রামরতন রাসমণির প্রিয় জামাই মথুরামোহন বিশ্বাসকে বলে পাঠিয়েছিলেন, স্ত্রীলোকের এত বাড়াবাড়ি ভাল নয়। এই রামরতন মহা ঘটা করে বরানগরের কুঠিঘাটে দশমহাবিদ্যার মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। ভাগনে হৃদয়কে নিয়ে সেই মন্দির দর্শন করতে যান শ্রীরামকৃষ্ণ। ততদিনে রামরতনের মৃত্যু হয়েছে। মন্দিরের বেহাল দশা। নিত্য সেবাটুকুও প্রায় অনিয়মিত। কষ্ট পেলেন শ্রীরামকৃষ্ণ। রানির জামাই মথুরামোহনকে জানালেন সেকথা। শুনলেন রানিও। ঠিক করলেন প্রতি মাসে দশ মহাবিদ্যা মন্দিরে দুমণ চাল আর দুটাকা পাঠাবেন। নিয়মিত ভোগের ব্যবস্থা করবেন। যে ব্যক্তি একদিন তাঁর মন্দির প্রতিষ্ঠায় বাধ সেধেছিল, তাঁরই প্রতিষ্ঠা করা মন্দিরের দেখভালের দায়িত্ব নিতে হল রাসমণিকেই। ন্যায়ের অদ্ভুত গতিপথ।অগত্যা জমির খোঁজ শুরু হল পূর্বপাড়ে। প্রথমে ভাটপাড়ায়। সেখানে বলরাম সরকার জমি দিতে রাজি হলেন। কথাবার্তা পাকা। কিন্তু শেষমুহূর্তে ভাটপাড়ার গোঁড়া ব্রাহ্মণদের চাপে বেঁকে বসলেন। এক বিধবা মন্দির তৈরি করবে, এটা মেনে নিতে পারেনি গোঁড়া হিন্দুসমাজ।শেষমেশ জমি কেনা হল দক্ষিণেশ্বর গ্রামে। প্রাচীনকালে এই জায়গাটার নাম ছিল শোণিতপুর। বানরাজার রাজত্বের মধ্যে ছিল ওই গ্রাম। বানরাজাই নাকি সেখানে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন শিবলিঙ্গ। সেই শিবলিঙ্গের নাম অনুসারে জায়গাটার নাম দক্ষিণেশ্বর। সেখানেই পাওয়া গেল জমি। একলপ্তে ষাট বিঘা। জমির মালিক কোনও হিন্দু জমিদার নন। তিনি খ্রিস্টান। নাম হেস্টি। কলকাতায় তখন সুপ্রিম কোর্ট। সেখানকার অ্যাটর্নি তিনি। জমি কিনতে খরচ হল ৫৫ হাজার টাকা। জমির গড়ন খানিকটা কচ্ছপের পিঠের মতো, অর্থাৎ তন্ত্রমতে শাক্তসাধনার উপযুক্ত এই জমি।জমি কেনার বাধা কাটানোর পর মন্দির নির্মাণে বাধা।মন্দির কেমন হবে সে সম্পর্কে রানির ধারণা ছিল স্পষ্ট। মন্দির হবে নবরত্ন মন্দির। অর্থাৎ মন্দিরের মাথায় থাকবে নয়টি চূড়া। প্রথম ধাপে চারটে। তার ওপরের ধাপে আরও চারটে। আর একবারে মন্দিরশীর্ষে একটা। রাসমণি মন্দিরের এই গঠনশৈলীর ধারণা পেয়েছিলেন সম্ভবত একটি রাধাকৃষ্ণর মন্দির দেখে। মণ্ডলদের রাসমন্দির। টালিগঞ্জের কাছে। মণ্ডল পরিবারের আদিনিবাস ছিল বজবজের কাছে বাওয়ালিতে। সেখানেই তাঁদের জমিদারি প্রায় আড়াইশোটা গ্রামজুড়ে। পরিবারের তিন পুরুষ সদস্য, তিন ভাই, কলকাতায় টালি নালার কাছে থাকতে শুরু করেন। ইংরেজদের সঙ্গে তাঁদের দারুণ দহরম-মহরম। সেই সখ্যকে আরও পোক্ত করতেই সম্ভবত তাঁদের কলকাতায় বাস করার সিদ্ধান্ত। ওই তিন ভাইয়ের একজন প্যারীলাল মণ্ডল। স্নান করতে গিয়েছিলেন আদিগঙ্গায়। সেখানেই জলের তলায় পান রাধাকৃষ্ণের মূর্তি। জল থেকে তুলে এনে সেই মূর্তি প্রতিষ্ঠার জন্য জমিদারির দশ বিঘা জমির ওপর তৈরি হয় মন্দির। সেই মন্দিরের স্থাপত্যে ছিল ওই নবরত্ন শৈলী। মন্দিরের মাথায় তিন ধাপে নয়টি চূড়া। প্যারীলালরা রাধাকৃষ্ণ মন্দির চত্বরেই নির্মাণ করেছিলেন শিবমন্দির। নয়টি। মন্দির তৈরি হয়েছিল ১৮৪৭ সালে। দক্ষিণেশ্বর মন্দির নির্মাণের আট বছর আগে। জানবাজারের রাজবাড়ির মেয়ে, রাসমণির প্রপৌত্রী, নগেন্দ্রবালার বিয়ে হয় মণ্ডল পরিবারে। সেই সূত্রে রানির রাসমন্দিরে যাতায়াত। তখনই তাঁর হয়তো মনে ধরেছিল ওই স্থাপত্যশৈলী। মনে বাসা বেঁধেছিল নবরত্ন কালীমন্দিরের বিপরীতে বারোটা শিবমন্দির তৈরির ভাবনা। তবে শিবমন্দিরের নির্মাণশৈলী আলাদা। সেগুলোতে একেবারে বাংলার নিজস্ব আটচালা ঘরানার ছাপ। শিব আর শক্তির মন্দিরের পাশাপাশি রাধাকৃষ্ণ মন্দিরের কথাও ভেবেছিলেন রানি। শাক্ত-বৈষ্ণব বিবাদ-বিরোধের আবহের মধ্যেই সমন্বয়ের ভাবনা। বিবাদ-বিসংবাদের ঊর্ধ্বে সংহতির বাতাবরণ প্রতিষ্ঠার কথা। একই পাঁচিলের বেষ্টনীতে শাক্ত, শৈব আর বৈষ্ণব মতাদর্শের মহামিলন।প্রথমে ঠিক হয়েছিল, দেশীয় মিস্ত্রিদের দিয়ে তৈরি হবে মন্দির। তাদের বরাতও দেওয়া হয়। কিন্তু কাজ এগোতে লাগল ধীরগতিতে। তার মধ্যে গঙ্গার প্রবল বানে সব নষ্ট। তখন খানিকটা বাধ্য হয়েই রানি বরাত দিলেন সাহেবি নির্মাণ সংস্থা ম্যাকিনটসবার্ন কোম্পানিকে। ১৮৫০ সালে তারা মন্দির তৈরির কাজ শুরু করল। প্রথমে ঠিক হয়েছিল গঙ্গার তীরে পোস্তা আর ঘাট তৈরি করবে তারা। সেই মতো চুক্তি। বরাত দেওয়া হয় এক লাখ ষাট হাজার টাকার। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সুচারু ভাবে কাজটা শেষ করে তারা। রানি খুশি হন। দক্ষিণেশ্বরে মন্দির চত্বরে যাবতীয় নির্মাণকর্মের দায়িত্ব পায় তারা। কালীমন্দির, শিবমন্দির, বিষ্ণুমন্দির থেকে শুরু করে পুকুরের ঘাট বাঁধানো, নহবতখানা তৈরি করা, পুরো জায়গাটা পাঁচিল দিয়ে ঘেরা, সব কিছুর। আজও ওই কোম্পানির নেতাজি সুভাষ রোডের অফিসে পুরোনো ফাইল ঘাঁটলে দেখতে পাওয়া যাবে ইংরেজিতে লেখা কটা লাইন। কোম্পানি কেবল মন্দির তৈরির ব্যাপারে অনন্যতার ছাপ রেখেছিল তা নয়, নদীর তীরের জমি যাতে ধসে নদীর গর্ভে চলে না যায়, সে ব্যাপারেও দুর্দান্ত বন্দোবস্ত করতে সক্ষম হয়েছিল। ‘প্রোটেকশন ওয়ার্কস এগেইনস্ট ইরোসন’ এবং ‘কনস্ট্রাকটিং দ্য দক্ষিণেশ্বর টেম্পল’, উভয় ক্ষেত্রেই তারা  ‘ইউনিক ডিস্টিংশন’ দেখাতে সমর্থ হয়েছিল। এই সাফল্যের কারণে তারা রানির কাছ থেকে নয় লক্ষেরও বেশি টাকা পেয়েছিল।কিন্তু সেসব তো অনেক পরের কথা।১৮ মার্চ ১৮৫৩-র সংবাদপ্রভাকর পত্রিকায় মন্দির-সংক্রান্ত একটা খবর বেরিয়েছিল। ‘‌আমরা শুনিয়াছি…শ্রীমতী (রানী রাসমণি) আগামী বৈশাখী পূর্ণমাসী তিথিতে দক্ষিণেশ্বরে মহতী কীর্তি স্থাপন করিবেন অর্থাৎ ওই দিবস গুরুতর সমারোহ সহযোগে কালীর নবরত্ন দ্বাদশ শিবমন্দির ও অন্যান্য দেবালয় এবং পুষ্করিণী প্রভৃতি উৎসর্গ করিবেন…।
’‌কিন্তু তা আর হল কই? জমি কেনা এবং মন্দির নির্মাণ-সংক্রান্ত বাধার পর এবার সমস্যা পূজারিকে নিয়ে। লীলাপ্রসঙ্গকারের ভাষায়, ‘‌এখানেও আবার প্রচলিত সামাজিক প্রথা তাঁহার বিরুদ্ধে।’‌কী, কী সমস্যা এবার?সে যুগে শূদ্ররা মন্দির প্রতিষ্ঠা করলে ব্রাহ্মণরা সে মন্দিরের প্রসাদ খেতেন না, এমনকী সেখানকার দেবমূর্তিকে প্রণাম পর্যন্ত করতেন না। সুতরাং রাসমণির মন্দিরে পুরোহিত হতে তাঁরা নারাজ। আবার ওদিকে জানবাজারে তাঁদের বাড়ির কুলপুরোহিত রামসুন্দর চক্রবর্তী বা তাঁর বংশধরদের রানি অশাস্ত্রজ্ঞ বলে মনে করতেন। তাই তিনি চেয়েছিলেন গুরুবংশীয়দের ‘ন্যায্যবিদায় আদায়’ অক্ষুণ্ণ থাকুক কিন্তু নতুন মন্দিরে নিত্য দেবসেবার ভার কোনও ‘শাস্ত্রজ্ঞ সদাচারী’ ব্রাহ্মণের হাতে অর্পিত হোক।কিন্তু রানি চাইলেই তো আর হল না। শাস্ত্রজ্ঞ ব্রাহ্মণরা সে দায় নেবেন কেন? শূদ্রাণী প্রতিষ্ঠিত মন্দিরে সেবায়েতের দায়িত্ব নিলে তো সমাজে ব্রাত্য হতে হবে। কে সেই ঝুঁকি নেবে?এবার পরিত্রাতা হয়ে এগিয়ে এলেন রাসমণির দুজন কর্মচারী, মহেশচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং রামধন ঘোষ। প্রথমজনের বাড়ি শিহরে আর দ্বিতীয়জনের দেশড়াতে। শিহরে রামকুমার চট্টোপাধ্যায়ের বোন হেমাঙ্গিনীর শ্বশুরবাড়ি। আর দেশড়ার কাছেই কামারপুকুর গ্রাম। সেখানে থাকতেন রামকুমার নিজে। ফলে,  রানির দুই কর্মচারীরই বিশেষ পরিচিত ছিলেন রামকুমার। শাস্ত্রজ্ঞ ব্রাহ্মণ। নীতিনিষ্ঠ এবং বিচক্ষণ। বছর তিনেক আগেই ভাই গদাধরকে নিয়ে রামকুমার চলে এসেছেন কলকাতায়। এই গদাধরই হলেন পরবর্তীকালের শ্রীরামকৃষ্ণ। কলকাতার ঝামাপুকুরে দিগম্বর মিত্রের বাড়ি। সেখানেই তখন চালু হয়েছে রামকুমারের স্মৃতি-শাস্ত্র-ব্যাকরণশিক্ষার টোল। সেখানে দাদার টোলে শিক্ষা পাচ্ছেন গদাধর। রানির দুই কর্মচারী গিয়ে ধরলেন রামকুমারকে। তিনিই তখন অগতির গতি। মহেশচন্দ্র এবং রামধনের পীড়াপীড়িতে মন্দিরের পৌরোহিত্য করতে রাজি হলেন রামকুমার। এত সব বাধা পেরিয়ে ‘কালীপদ অভিলাষিণী’ রানি রাসমণির কালীমন্দিরের প্রতিষ্ঠা। মন্দির প্রতিষ্ঠার দিন পঞ্চাশের বেশি গৌড়ীয় ব্রাহ্মণ মন্ত্রপাঠের দায়িত্ব সামলালেন। তাঁদের সব্বাইকে দান-দক্ষিণা বাবদ রেশমবস্ত্র, উত্তরীয় আর স্বর্ণমুদ্রা দিলেন রানি। অতিথি আপ্যায়ন থেকে কাঙালি ভোজন কোথাও যাতে কোনও ত্রুটি না থাকে সেদিকে ছিল তাঁর সতর্ক দৃষ্টি। হুগলির কুলিহান্তা থেকে প্রবোধচন্দ্র সাঁতরার বাবার কাকা-কাকিমা এসেছিলেন সেদিনের সেই বিশাল অনুষ্ঠানে। এহেন প্রবোধচন্দ্র সেদিনের কথাপ্রসঙ্গে জানিয়েছেন, ‘‌শালবাড়িয়া তালুক হইতে দুটি হস্তী আসিয়াছিল, ওই হস্তীপৃষ্ঠে অতি উত্তম বিশুদ্ধ ঘৃত আনীত হইয়াছিল।’‌ সংবাদপ্রভাকরের খবর অনুযায়ী, সেদিন লোক খাওয়ানোর জন্য শুধু কলকাতা নয়, পানিহাটি, বৈদ্যবাটি, ত্রিবেণী প্রভৃতি জায়গা থেকে ৫০০ মণ সন্দেশ আনা হয়েছিল। ওই প্রতিবেদনে আরও প্রকাশ, ‘‌নবরত্নের সম্মুখস্থ নাটমন্দির অতি রমণীয় রূপে সজ্জীভূত হইয়াছিল, ঝাড়লণ্ঠন প্রভৃতিতে খচিত হয়, বরাহনগর অবধি নাটমন্দির পর্যন্ত রাস্তার উভয় পার্শ্বে বান্ধা রোশনাই হয়, কোনোরূপ অনুষ্ঠানের কোনোপ্রকার বৈলক্ষণ হয় নাই।’‌ সত্যিই কোথাও আয়োজনে এতটুকু ত্রুটি হতে দেননি জানবাজারের রানি। ব্রাহ্মণ এবং গোস্বামীরা তো বটেই উপস্থিত কাঙালিদের পেটপুরে খাওয়ানোর পর তাদের নগদ দক্ষিণা দেওয়া হয়, কারওকে সিকি, কারওকে আধুলি, আবার কারওকে গোটা এক টাকা। সব মিলিয়ে সেদিন রাসমণির খরচ হয়েছিল প্রায় দুলক্ষ টাকা।পূর্বদিকে যে জমি তার মালিক কাশীনাথ চৌধুরি। পশ্চিমদিকে বয়ে চলেছে গঙ্গা। উত্তরে ইংরেজ সরকারের বারুদ কারখানা ‘ম্যাগাজিন’। আর দক্ষিণদিকে হেস্টিসাহেবের কারখানা (পরবর্তীকালে এই কারখানাটি কিনে নেন যদুনাথ মল্লিক, তৈরি করেন তাঁর বাগানবাড়ি)। এরই মধ্যে গড়ে উঠল মন্দির। চারকোনা চাতাল। লম্বা প্রায় ৪৪০ ফুট, আর চওড়া প্রায় ২২০ ফুট। চাতালের পূর্বদিকে মূল মন্দির। গর্ভগৃহে দেবীমূর্তি দক্ষিণমুখী। দেবী সর্বত্র পরিচিতা ভবতারিণী নামে। ভবসংসারে তিনিই ত্রাতা। তাই ভক্তির আখরে লৌকিক ওই নাম। অথচ দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের দলিলদস্তাবেজে তিনি ভিন্ন নামে উল্লিখিতা। আমরা সাধারণভাবে যাঁকে ‘ভবতারিণী’ বলে পূজা নিবেদন করি, নথিপত্রে তাঁরই নাম ‘জগদীশ্বরী’। ভবসংসারে যাবতীয় যন্ত্রণার ত্রাতা কাগজকলমে জগতের ঈশ্বরী। নামে ফারাক থাকলেও ভাবে খুব একটা অসঙ্গতি নেই।মন্দিরপ্রাঙ্গণের পশ্চিমদিকে বারোটা শিবমন্দির। প্রতিটি মন্দির পূর্বমুখী। প্রতিটি শিবলিঙ্গের আলাদা আলাদা নাম। গঙ্গার দিকে মুখ করে দাঁড়ালে ডানদিকে ছটি মন্দির, বাঁদিকে ছটি। একদিকে অবস্থান করছেন যোগেশ্বর, যত্নেশ্বর, জটিলেশ্বর, নকুলেশ্বর, নাকেশ্বর আর নির্জরেশ্বর। অন্যদিকে যজ্ঞেশ্বর, জলেশ্বর, নাগেশ্বর, নন্দীশ্বর, নরেশ্বর এবং জগদীশ্বরী কালীর ভৈরব জগদীশ্বর। এখানে নিত্যপূজার বন্দোবস্ত। নিত্য নৈবেদ্য নিবেদন। কিন্তু বছরে একদিনই লুচি নিবেদন করা হয় শিবশম্ভুকে। স্নানযাত্রার দিন। অর্থাৎ, মন্দির প্রতিষ্ঠার দিনটিতে।মন্দিরপ্রাঙ্গণের পশ্চিমদিকে বিষ্ণুমন্দির। সেখানে অধিষ্ঠিত রাধাকৃষ্ণের মূর্তি। পশ্চিমমুখো এই মন্দিরের শ্রীকৃষ্ণর নাম রাধাকান্ত আর রাধারানির পরিচয় নিস্তারিণী নামে। মন্দির প্রতিষ্ঠার দিন কালীপুজোর দায়িত্ব যেমন নিয়েছিলেন রামকুমার তেমনই রাধাকৃষ্ণ পুজোর দায়িত্বে ছিলেন ক্ষেত্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। ইনি রানির কর্মচারী মহেশচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দাদা। পরবর্তীকালে এই রাধাগোবিন্দ মন্দিরের পুরোহিত হিসেবেই দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পূজারি হিসেবে প্রথম কাজ পান শ্রীরামকৃষ্ণ। তখনও তিনি গদাধর। ১৮৫৮ সালের রানি রাসমণির হিসেবের খাতা জানাচ্ছে, শ্রীরামকৃষ্ণর জন্য বরাদ্দ ছিল ৩ জোড়া কাপড়, সাড়ে চার টাকা, আর সেই সঙ্গে খোরাকি বাবদ আধ সের সেদ্ধ চাল, আধ পোয়া ডাল, দুখানা পান, এক ছটাক তামাক। জ্বালানির জন্য দেওয়া হত আড়াই সের কাঠ।মন্দির প্রতিষ্ঠার দিনের বর্ণনা দিতে গিয়ে প্রবোধ সাঁতরা লিখেছেন, সেদিন দক্ষিণেশ্বরে দইয়ের পুকুর, পায়েসের সমুদ্র, ক্ষীরের হ্রদ, দুধের সাগর, তেলের সরোবর, ঘিয়ের কুয়ো, লুচির পাহাড় আর মিষ্টির স্তূপ তৈরি হয়েছিল। ছিল রাশি রাশি কলার পাতা আর মাটির থালাবাটির পাহাড়। সেসবের মধ্যে ছিলেন গদাধরও। কিন্তু ওসব কিচ্ছুটি দাঁতে কাটেননি তিনি। সারাদিন ঘুরে ঘুরে সব কিছু দেখেছেন। সন্ধেবেলায় একপয়সা খরচ করে মুড়ি–মুড়কি কিনেছেন। তাই খেয়ে ফিরে গিয়েছেন ঝামাপুকুরে। দাদা পুরোহিতের চাকরি করছেন, এ ব্যাপারটা মন থেকে মেনে নিতে পারেননি।কদিন পর অবশ্য ঝামাপুকুরের পাট চুকিয়ে চলে এসেছেন দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে। সেটাও চাকরির জন্য নয়। দাদার টানেও নয়। এমনকী ভবতারিণী বা জগদীশ্বরীর প্রতি ভক্তির জন্যও নয়। ভবিষ্যতের শ্রীরামকৃষ্ণ গদাধর হিসেবে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে এসেছিলেন স্রেফ গঙ্গার টানে। গঙ্গার তীরে নিজে রান্না করে খেতে পারবেন, দাদার কাছ থেকে এই প্রস্তাব পাওয়ার পর। কথাটা মনে ধরেছিল তাঁর। কালকে হরণ করেন যিনি তিনিই কালী। সেই দেবীই বুঝি কালান্তরে গদাধরকে শ্রীরামকৃষ্ণে বদলে দেবেন বলেই অন্য অজুহাতে টেনে এনেছিলেন দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে। পাকাপাকি ভাবে।সেদিন যদি মন্দির প্রতিষ্ঠা না হত, তা হলে আমরা রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দ–কে পেতাম না। ভগিনী নিবেদিতা ‘স্বামীজিকে যেরূপ দেখিয়াছি’ গ্রন্থে সে কথাটা স্পষ্টাস্পষ্টি মনে করিয়ে দিয়েছেন। জানিয়েছেন, স্বামীজি তাঁদের বারংবার মনে করিয়ে দিতেন, এ সব কিছুই ‘নিম্নজাতির এক ধনবতী নারীর ভক্তির ফল’। তাঁর দৃঢ় বিশ্বাস ছিল, ‘‌ব্রাহ্মণ-প্রাধান্য- সংরক্ষণে দৃঢ়বদ্ধ হিন্দু রাজাগণ কর্তৃক এদেশ সম্পূর্ণ রূপে শাসিত হইলে ওইরূপ ঘটা কদাপি সম্ভব হইত না।’‌দক্ষিণেশ্বরের কালীমন্দির কোনও বড়লোক জমিদার বাড়ির পুণ্যকামী বিধবার মন্দির প্রতিষ্ঠা নয়। তার নির্মাণের স্তরে স্তরে মিশে আছে একজন সাব-অলটার্ন নারীর লড়াই আর বাংলার রেনেসাঁসের একটা অধ্যায়। তাই দক্ষিণেশ্বর কালীমন্দির প্রতিষ্ঠার ইতিহাস তাৎপর্যের বিচারে বাংলাদেশের আর পাঁচটা মন্দির নির্মাণের চেয়ে অনেকটাই আলাদা, একেবারে অন্যরকম।২২ জ্যৈষ্ঠ ১২৬২ বঙ্গাব্দ অর্থাৎ ৪ জুন ১৮৫৫-র। 

উজ্জ্বল রায় নিজস্ব প্রতিবেদক নড়াইল

The post নড়াইলের জমিদার রাম রতন রায় প্রথম বিরোধিতা করেছিল: রানি রাসমনি মন্দির প্রতিষ্ঠার সময়!! appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/2KIVgg2

নেই কিছু হারানোর ভয়/ রুদ্র অয়ন https://ift.tt/eA8V8J

বুকের গভীরে

আকাশ রেখেছি লুকিয়ে;

বৃষ্টির জন্যে তাই

এখন আর প্রার্থনা নেই।

দেবীর কাছে নেইআত্মার আকুতি।

 চোখের কোণে

লুকিয়ে রয়েছে 

এক সাগর। 

জলের প্রেমে তাই

পদ্মপাতায় লিখিনা

শিশিরের গল্প।

বুকের গভীরে

লুকিয়ে আছে

এক আগ্নেয়গিরি ;

পুড়ে যাওয়ার

ভয় করিনা আর। 

মহাশুন্য বুকে নিয়ে

পাড়ি দেই জীবনের পথ।

নেই কিছু হারানোর ভয়। 

The post নেই কিছু হারানোর ভয়/ রুদ্র অয়ন appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/35gRdkz

নতুন দল নিয়ে আত্মপ্রকাশের অপেক্ষায় জামাত নেতারা https://ift.tt/eA8V8J

আত্মপ্রকাশ করবে নতুন দল (ছবি : সংগৃহীত)

মতবিরোধে সম্পৃক্ততার জেরে বিতর্কিত জামায়াত ছেড়ে আসা ও দলটি থেকে বহিষ্কৃত নেতারা নতুন একটি রাজনৈতিক দল গঠনে একাট্টা হয়েছেন। এখনও নাম ঠিক করা না হলেও আগামী ২ মে নাগাদ দলটি আত্মপ্রকাশ করবে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। এতে করে সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক এই চক্রটি পুনর্গঠিত হওয়ার তৎপরতা সৃষ্টি করছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। 

সোমবার (২৭ এপ্রিল) এক অনলাইন ব্রিফিংয়ে এসে নতুন এই দল গঠনের ঘোষণা দেন এই প্রক্রিয়ার সমন্বয়ক জামায়াতের সাবেক নেতা মজিবুর রহমান মনজু।

নাম প্রকশে অনিচ্ছুক ঢাকা মহানগর উত্তরের এক সংস্কারপন্থী শিবির নেতাও এই তথ্যের কথা নিশ্চিত করেছেন।

আত্মপ্রকাশের দিনই দলের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন ছাত্রশিবিরের সাবেক এই সভাপতি। তবে বিশেষ সূত্রে জানা গেছে নতুন এই দলের নাম হচ্ছে ‘আমার বাংলাদেশ পার্টি (এ বি পার্টি)’।

একাত্তরে স্বাধীনতা যুদ্ধে ভূমিকার জন্য জামায়াতকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়ে গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে দল ছাড়েন প্রভাবশালী নেতা ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক। পরদিন বহিষ্কার হন জামায়াতে সংস্কারের দাবিতে সরব থাকা ছাত্রশিবিরের সাবেক এই সভাপতি মজিবুর রহমান মনজু।

অভিন্ন দাবিতে মজলিশে শূরা সদস্য এবং রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান এ এফ এম সোলায়মান চৌধুরীসহ আরো কয়েকজন নেতাও জামায়াত থেকে পদত্যাগ করেন।

জামায়াত ছেড়ে আসা ও বহিষ্কার হওয়া এসব নেতাদের নিয়ে গেল বছরই একটি নতুন দল গঠনের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন মনজু। ওই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে একই বছরের ২৭ এপ্রিল ‘জনআকাঙক্ষার বাংলাদেশ’ নামের একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গঠন করেন।

এই ব্যানারে গেল বছরে দেশের প্রায় জেলায় তারা সমমনাদের নিয়ে মতবিনিময় সভা করে আসছিলেন। সবশেষ সোমবার নতুন দল গঠনের ঘোষণা এলো সংস্কারের কথা তুলে জামায়াতে অপাংক্তেয় হওয়া মনজুর মুখে।

অনলাইন ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ‘দেশবিদেশে হাজারো নাগরিকদের সঙ্গে আমরা মতবিনিময় করেছি। সবার মুখে দেশ নিয়ে আশা, হতাশা আর স্বপ্নের কথা আমরা শুনেছি। তাই সবার মতামতকে ধারণ করে আগামী ২ মে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করতে যাচ্ছি আমরা।

করোনাভাইরাসের সঙ্কটের মধ্যে দল গঠনের কারণ ব্যাখ্যা করে ছাত্রশিবিরের সাবেক এই নেতা বলেন, ‘ভবিষ্যতে পরিস্থিতির আরো অবনতি হতে পারে। তাই আগেভাগেই এই দল গঠন করা হচ্ছে।’

অনলাইন বিফ্রিংয়ে মনজুর সঙ্গে যোগ দেন জনআকাঙ্খার কেন্দ্রীয় সংগঠক সোলাইমান চৌধুরী, অধ্যাপক ডা. মেজর (অব.) আ. ওহাব মিনার, অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম, ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, ব্যারিস্টার যুবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া প্রমুখ।

তবে সত্যিকার অর্থেই এই দলটি সংস্কারবাদিদের ঘর হতে যাচ্ছে নাকি পুরাত সংগঠনটি নিষেধাজ্ঞার মুখে থাকায় ভোল পাল্টে নতুন করে আত্ম প্রকাশের চেষ্টা, সেই প্রশ্ন কিন্তু থেকেই যাচ্ছে।

The post নতুন দল নিয়ে আত্মপ্রকাশের অপেক্ষায় জামাত নেতারা appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/2KFNfIK

অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন সাতক্ষীরা জেলার কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষকরা https://ift.tt/eA8V8J

মরণঘাতী করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় গত মার্চের মাঝামাঝি সময়ে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক দেশের সরকারি-বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলি ও বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এতে করে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন পার করছেন এ সকল স্কুলের পরিচালক ও শিক্ষকেরা। গোটা সাতক্ষীরা জেলাতেও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। দেশের শতকরা ৯৫ ভাগ কিন্ডারগার্টেন স্কুল পরিচালিত হয় ভাড়াবাড়িতে। জেলা শিক্ষা অফিসের সূত্রমতে সাতক্ষীরা জেলায় প্রায় ৬০/৬৫ টির অধিক কিন্ডারগার্টেন স্কুল রয়েছে। এর মধ্যে সাতক্ষীরা সদরে রয়েছে ২৫/৩০টির অধিক কিন্ডারগার্টেন স্কুল। এ সব স্কুলে কর্মরত রয়েছেন প্রায় ৩/৪ হাজার শিক্ষক ও কর্মচারী। বাড়িভারা, শিক্ষক ও কর্মচারীদের বেতন প্রদান, বিদ্যুৎবিল সহ অন্যান্য খরচ যোগাতে হিমশিম খেতে হয় প্রতিষ্ঠান পরিচালকদের। একটি সূত্রে জানা যায় সম্পূর্ণ বেসরকারি উদ্যেগে নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত সারাদেশে ৪০ হাজারের বেশি কিন্ডারগার্টেন স্কুল রয়েছে। তারা দাবি করেন, এসব স্কুলে লেখাপড়া করছে ১ কোটিরও বেশি শিক্ষার্থী। শিক্ষক কর্মচারী রয়েছে প্রায় ৬ লাখ। দেশের প্রাথমিক শিক্ষার প্রায় শতকরা ৩০ভাগ চাহিদা এ স্কুলগুলো পূরণ করে থাকে বলেও দাবি করেন তারা। করোনা ভাইরাসের কারণে বন্ধ রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। এ কারণে বন্ধ রয়েছে শিক্ষার্থীদের বেতন আদায়। শিক্ষার্থীদের মাসিক বেতনের ওপর নির্ভর করেই শিক্ষকদের বেতন ও বাড়িভাড়া পরিশোধ করতে হয়। এছাড়া শিক্ষকগণ প্রাইভেট পড়িয়ে যে আয় করতেন সেটাও পুরোপুরি বন্ধ। এ পরিস্থিতিতে কষ্টে পড়ে গেছেন কিন্ডারগার্টেন শিক্ষক ও কর্মচারীরা। অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে গত এপ্রিল মাসের শিক্ষক ও কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ হয়নি। এর মধ্যে করোনার কারণে স্কুলগুলি এক মাসের অধিক সময় বন্ধ হয়েছে। ফলশ্রুতিতে স্কুল প্রশাসন চোখে সর্ষেফুল দেখছে। সামান্য বেতন ভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারী সম্পূর্ণ অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। অধিকাংশ পরিবারের মাঝে জুটছে না তিনবেলা খাবার। শিক্ষকরা সম্মানের কথা চিন্তা করে ত্রাণের জন্য রাস্তায়ও দাঁড়াতে পারে না আবার অনটনও সহ্য করতে পারেন না। করোনার কারণে যদি সেপ্টম্বর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে তাহলে কিন্ডারগার্টেন স্কুল শিক্ষক কর্মচারীদের কোন উপায় থাকবে না। এ অবস্থা চলতে থাকলে দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ কিন্ডারগার্টেন স্কুল বন্ধ হয়ে যাবে। আরও বলা হয়, শিক্ষকরা কখনো সরকারের কাছে বেতন ভাতার জন্য আবেদন করেনি। এ সকল স্কুলগুলো যদি না থাকতো তাহলে সরকারকে আরো ২৫ থেকে ৩০ হাজার বিদ্যালয় স্থাপন করে প্রতি মাসে শিক্ষক বেতন বাবৎ কোটি কোটি টাকা ব্যয় করতে হতো। সেদিক থেকে আমরা সরকারের বিরাট রাজস্ব ব্যয় কমিয়ে দিয়েছি। বর্তমান পেক্ষাপটে এ প্রতিষ্ঠানগুলো টিকিয়ে রাখার স্বার্থে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ১০০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা থেকে আমাদের জন্য ১০০ কোটি টাকার প্রণোদনা বা আর্থিক অনুদান দেয়ার দাবি জানাচ্ছি। রমজান মাস চলছে। সামনে ঈদুল ফিতর। কিন্ডারগার্টেন শিক্ষকদের নিশ্চিন্তে রোজা ও ঈদ উদ্যাপনের জন্য এই প্রণোদনা একান্ত জরুরি বলেও জানানো হয় সাতক্ষীরা জেলার কিন্ডারগার্টেন এ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের সাথে কথা বললে তারা এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেম।
শেখ আমিনুর রহমান, মর্নিং সান প্রি-ক্যাডেট স্কুল, সাতক্ষীরা।

The post অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন সাতক্ষীরা জেলার কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষকরা appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/2WiRqQj

এখন পর্যন্ত ১১টি টাইপ শনাক্ত: ভোল পাল্টে করোনার হানা, রূপ চেনাচ্ছেন দুই বাঙালি https://ift.tt/eA8V8J

পার্থপ্রতিম মজুমদার ও নিধানকুমার বিশ্বাস- দৈনিক আনন্দবাজার

মানুষ বনাম ভাইরাস ‘বিশ্বযুদ্ধ’ চলছে চার মাস ধরে। শত্রুপক্ষ খালি চোখে অদৃশ্য। ‘সার্স-কোভ-২’ (করোনাভাইরাস) সংক্রমণে পৃথিবী জুড়ে এ-পর্যন্ত দু’লক্ষেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সংক্রমিত ৩০ লাখেরও বেশি। দিনরাত এক করে গবেষণাগারে প্রতিষেধকের খোঁজ চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। কিন্তু  সেক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আণুবীক্ষণিক এই শত্রুটিকে ভাল করে চেনা। অচেনা শত্রুর বিরুদ্ধে এই ‘এনিমি ডিটেক্টিং’-এর সেই কাজটি করেছেন দুই বাঙালি বিজ্ঞানী।

এখনও পর্যন্ত ভাইরাসটির ১১টি টাইপ বা ধরন সম্পর্কে জানতে পারা গিয়েছে। এবার তার মধ্যে সব চেয়ে ‘সংক্রামক’ করোনাভাইরাস টাইপটিকে চিহ্নিত করলেন ভারতের ‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োমেডিক্যাল জিনোমিক্স’-এর দুই বিজ্ঞানী নিধানকুমার বিশ্বাস ও পার্থপ্রতিম মজুমদার। সেই সঙ্গে কেন সেটি এতটা সংক্রামক, তা-ও বিশ্লেষণ করেছেন তাঁরা। 

‘ইন্ডিয়ান জার্নাল অব মেডিক্যাল রিসার্চ’-এ সোমবার (২৭ এপ্রিল) প্রকাশিত হয়েছে তাদের এই গবেষণাপত্রটি।

গত বছর ৩১ ডিসেম্বর চিনের উহানে নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম কারও মৃত্যু হয়। এর পরে সীমান্ত পেরিয়ে উহান থেকে গোটা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯। পার্থপ্রতিম জানাচ্ছেন, পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাপক ভাবে মিউটেশন বা পরিবর্তন ঘটেছে ভাইরাসটির গঠনে। প্রত্যেক ভাইরাসে ডিএনএ বা আরএনএ থাকে। ‘সার্স-কোভ-২’ আরএনএ ভাইরাস। এই জিনোমের গঠনে সামান্য অদলবদল ঘটে গিয়েই ভিন্ন চেহারা নেয় ভাইরাস। বাড়ায় সংক্রমণ ক্ষমতা।

নিজেদের বাঁচার জন্যই তাদের এই লড়াই। ভাইরাস স্বাধীন ভাবে বাঁচতে পারে না। বেঁচে থাকার জন্য তাদের বাসা বাঁধতে হয় কোনও প্রাণীর শরীরে। এ ক্ষেত্রে এবার তারা বেছে নিয়েছে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ আশ্রয় মানুষকে।

গোটা পৃথিবী থেকে পাওয়া ভাইরাসটির আরএনএ সিকোয়েন্সের তথ্য থেকে তাদের গতিবিধির উপরে নজর রাখছিলেন নিধান ও পার্থপ্রতিম। ২০১৯ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২০ সালের ৬ এপ্রিল পর্যন্ত ৫৫টি দেশের ৩,৬৩৬ জন করোনা-রোগীর দেহ থেকে ভাইরাস-নমুনার আরএনএ সিকোয়েন্স নিয়ে গবেষণা করে দেখেন তারা। 

এ প্রসঙ্গে পার্থপ্রতিম জানান, অন্যান্য ভাইরাসের মতো এটিও নিজের চেহারা বদলেছে। এখনও পর্যন্ত ‘ও’, ‘এ২’, ‘এ২এ’, ‘এথ্রি’, ‘বি’, ‘বি১’-সহ মোট ১১ টাইপের ভাইরাসের ধরণ মিলেছে। এর মধ্যে চীনে প্রথম সংক্রমণ ঘটায় ‘ও’। আর সেটিই মূল টাইপ। বাকি ১০টি তৈরি হয়েছে সময়ের সঙ্গে-সঙ্গে। এর মধ্যে এখন সবচেয়ে সংক্রামক ‘এ২এ’। 
পার্থ আরো বলেন, ‘‘অবাক করা বিষয়, বেশির ভাগ ভৌগোলিক এলাকাতেই দেখা যাচ্ছে দখল নিয়েছে নোভেল করোনাভাইরাসের ‘এ২এ’। ‘এ২এ’-র অস্তিত্ব প্রথম ধরা পড়ে ২৪ জানুয়ারি। মার্চ মাসের শেষের মধ্যে মোটামুটি অন্য সবাইকে সরিয়ে দিয়ে ৬০ শতাংশ দেশে সংক্রমণ ছড়িয়েছে এরাই।’’ নিধান জানান, ইউরোপ-আমেরিকায় সব চেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে ‘এ২এ’। আমাদের দেশে সেখান থেকে ‘এ২এ’ এসেছে। আবার চিন থেকে এসেছে ‘ও’। ইরান থেকে এসেছে ‘এথ্রি’। তিনি বলেন, ‘‘এ২এ এবং ও, দু’টোই শক্তিশালী। তবে এ২এ বেশি শক্তি ধরে।’’

তার কারণও ব্যাখ্যা করেছেন দুই বিজ্ঞানী। সার্স-কোভ-২ তার চরিত্র অনুযায়ী ফুসফুসে ঢুকে সংক্রমণ ছড়ায়। ভাইরাসটির স্পাইকে থাকা প্রোটিন মানুষের ফুসফুসে থাকা ‘এসিই২’ প্রোটিনটিকে কাজে লাগিয়ে কোষের উপরিভাগে ‘অ্যাঙ্কর’ করে বা জুড়ে যায়। এর পরে ফুসফুসে উপস্থিত অন্য একটি প্রোটিন তাকে কোষের ভিতরে প্রবেশ করাতে সাহায্য করে। ‘এ২এ’-র ক্ষেত্রে তার স্পাইকে থাকা অ্যামিনো অ্যাসিডটি ‘অ্যাসপারটিক অ্যাসিড’ থেকে বদলে ‘গ্লাইসিন’-এ পরিণত হয়। যা তার সংক্রমণ ক্ষমতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

দুই বিজ্ঞানীই জানাচ্ছেন, যেহেতু ভাইরাসটির মধ্যে এত পরিবর্তন ঘটছে, তাই ভ্যাকসিন বা প্রতিষেধক তৈরি বেশ চ্যালেঞ্জিং। ভাইরাসটি সম্পর্কে পুরোপুরি জানতে না-পারলে প্রতিষেধক তৈরি হলেও তা সবার শরীরে কাজ করবে না। সেই কাজেই সাহায্য করবে নিধান ও পার্থপ্রতিমের গবেষণা। সেই বিষয়ে বেশ আশাবাদী এই দুই বাঙালি।

সূত্র- আনন্দবাজার

The post এখন পর্যন্ত ১১টি টাইপ শনাক্ত: ভোল পাল্টে করোনার হানা, রূপ চেনাচ্ছেন দুই বাঙালি appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/2yRtefu