Friday, February 26, 2021

শ্যামনগর সেটেলমেন্ট অফিসের জরিপ বিভাগে সীমাহীন দুর্নীতির অভিযোগ https://ift.tt/eA8V8J

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলা সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসে ‘কর্মসহায়ক’ হিসেবে বেসরকরিভাবে দায়িত্ব পালনরত এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে সীমাহীন দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সেটেলমেন্ট অফিসের ‘সার্ভেয়ার’ তথা জরিপকারক এর ঘনিষ্ঠভাজন হিসেবে সংশ্লিষ্ট বিভাগে সার্বক্ষণিক কাজ করার সুযোগে নথিপত্রে নানান ধরনের জাল জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে বিভিন্ন জনকে সুবিধা পাইয়ে দিচ্ছেন বলে অভিযোগ। তার এমন অপতৎপরতার শিকার হয়ে অনেকে আবার যারপর নেই মারাত্মকভাবে হয়রানীর শিকার হচ্ছে।

প্রায় তিন দশক ধরে আলোচিত ঐ ব্যক্তি উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসের সাথে সম্পৃক্ত থাকার সুযোগে জরিপকারক তথা সার্ভেয়ারের দপ্তরকে একান্ত নিজের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছেন বলেও অভিযোগ।

তথ্যানুসন্ধনে জানা গেছে, শ্যামনগর উপজেলা গোপালপুর এলাকায় মনিরুজ্জামান শিমুল সরকারিভাবে নিযুক্ত সেটেলমেন্ট অফিসের কোন দায়িত্বে নেই। কিন্তু জরিপকারক এর দপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র এবং নথিসমুহের যাবতীয় তথ্য সামগ্রী তার নিয়ন্ত্রণে থাকে। আর এসবের সুযোগ নিয়ে তিনি বিভিন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রভাবিত হয়ে এসএ দাগ নং সহ বিভিন্ন নথির গুরুত্বপূর্ণ যে ঘষা মাজা করেছেন তার বিস্তর প্রমান রয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে মুন্সিগঞ্জের একটি খতিয়ানের দাগ নম্বর নতুন খতিয়ান থেকে অলৌকিকভাবে উধাও করে দিয়ে তিনি ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেন। এক পর্যায়ে বিষয়টি জানাজানি হলে তিনি সংক্ষুব্ধ পক্ষকে ম্যানেজ করে ঐ মানচিত্রে আবারও সংশ্লিষ্ট দাগ বসিয়ে দিয়ে বিষয়টি মিটমাট করেন।

এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, সার্ভেয়ারের দপ্তরের কাজ করার সুযোগে বিভিন্ন এলাকার মৌজা, দাগ পরিবর্তনসহ পেনসিল ব্যবহার করে রেকর্ড রুমে পর্যন্ত সংরক্ষিত ভলিউমের এসএ দাগ পরিবর্তন করেন তিনি। এমনকি সার্ভেয়ারের সাথে বিশেষ সখ্যতার কারণে তিনি রেকর্ড রুমে সংরক্ষিত কাগজপত্রসহ বিভিন্ন গোপন নথির গোপন তথ্য বাইরে প্রকাশ করে দেন।
অভিযোগহ উঠেছে, যেসব এলাকার মৌজা অদ্যাবধি ছাপার জন্য যায়নি, সেখানকার মৌজাসমুহের দাগ নম্বর এবং নকশা পরিবর্তন করে ইতোমধ্যে মনিরুজ্জামান হাতেনাতে ধরা পর্যন্ত খেয়েছেন। এমনকি সম্প্রতি এক ব্যক্তির দাগ টেম্পাংি করার ঘটনায় ধরার পড়ার পর ঐ মনিরুজ্জামান শিমুল সংক্ষুব্ধ পক্ষের চাপের মুখে সদ্য প্রকাশিত ম্যাপে পূর্বের দাগ বসিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছেন।
অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, প্রায় ৩০ দশক ধরে ঐ মনিরুজ্জামান শিমুল উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসের যাতায়াত করে। যেকারনে এক পর্যায়ে সুচতুর মনিরুজ্জামান শিমুল যখনই যে সার্ভেয়ার এসছে তাকে বিভিন্ন ভাবে ম্যানেজ করে ‘হয় কাজ, নয় করেছেন’।
এমনও অভিযোগ রয়েছে দীর্ঘদিন সার্ভেয়ারের দপ্তরে কাজ করার সুযোগে যখনই যে সার্ভেয়ার এসেছে তাকে কৌশলে নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয় মনিরুজ্জামান শিমুল। আর শিমুল সংশ্লিষ্ট দপ্তরের যাবতীয় কাজ নিজ হাতে করে উপার্জিত ঘুষের নির্দিষ্ট ভাগ সংশ্লিষ্ট ভাগ ঐ সার্ভেয়ারকে বুঝিয়ে দেয়ার কারণে ধরে সে বহাল তবিয়তে সেটেলমেন্ট অফিসের সার্ভেয়ার রুমের একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে।
এছাড়া সরকারি নির্দেশনা উপক্ষো করে সারাদিন পর্শ্চা বিক্রির পর সন্ধ্যায় এই শিমুল ও পেশকার রনজিৎ সুত্রধরের নেতৃত্বে উপস্থিত কর্মজীবীদের মাঝে এসব উৎকোচের টাকা ভাগ বাটোয়ারা হয়।
জানা গেছে, পেশকার তথা সার্ভেয়ারের অতিশয় কাছের মানুষ হওয়াতে মনিরুজ্জহামান শিমুল বিভিন্ন পক্ষের দ্বারা প্রভাবিত করে সব মুশকিল’ আহসান করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি নিয়ে বেশুমার অর্থ বাণিজ্য করে চলেছে
এছাড়া বহিরাগতদের রেকর্ড রুমে নিয়ে যাওয়া, বিভিন্ন নথি প্রদর্শনসহ কাট পেনসিল ব্যবহারের নথি থেকে বিভিন্ন দাগ মুছে দেয়া অঅর নতুন নতুন দাগ সংযুক্ত করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা তার নিয়মিত কাজের অংশ বলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তর সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয়রা আরও অভিযোগ করেছে মনিুরজ্জামান শিমুল স্থানীয় আরও ৩/৪ জনকে নিয়ে একটি সিন্ডিকেট গড়ে দুলে পর্শ্চা প্রদানসহ মিসকে শুনানী আর নথিপত্র ঘষাঁমাজা করে সেটেলমেন্ট অফিসকে দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করেছে।
অভিযোগ স্থানীয় কিছু চিহ্নিত ভূমিদস্যু প্রতিনিয়ত তার অফিসে যাওয়ার পর মনিরুজ্জামান শিমুলের নিকট থেকে অনেক মূল্যবান কাগজপত্র সংগ্রহ করে। আরও অভিযোগ অফিসের অনেক স্পর্শকাতর আর গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সে বাইরের নিজস্ব লোকদের সরবরাহ করে অফিসের গোপনীয়তার শর্ত ভংগ করে। আর সে সুযোগ নিয়ে পরবর্তী সংশ্লিষ্টরা ঐ তথ্যের ভিত্তিতে সরকারি জমি পর্যন্ত ইজারা নিয়ে রীতিমত রেকর্ড সৃষ্টি করেছেন।
এবিষয়ে মনিরুজ্জামারন শিশু বলেন, আমি সরকারি কোন কাজ করিনা। সার্ভেয়ার সাহেবকে একটু কাজে সহায়তা করি। মুন্সিগঞ্জ, জেলেখালীসহ কয়েকটি এলাকার দাগ নং টেম্পারিং নিয়ে জানতে তিনি বলেন- ঐ কাজ কে করেছে জানিনা।
স্থানীয়রা অবিলম্বে বেপরোয়া দুর্নীতিবাজ মনিরুজ্জামান শিমুল ও তার প্রশয়দাতা সার্ভেয়ার রনজিৎ সুত্রধরের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ যাচাই বাছাই ও তদন্তের অনুরোধ করেছেন। একইসাথে সরকারি তথ্য বাইরে পাচারসহ ম্যাপ জালিয়াতি ও এসএ খতিয়ানসহ মুল ভলিয়মের দাগ নং ঘঁষামাজার কাজে জড়িত মনিরুজ্জামান শিমুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগসহ জোনাল অফিসারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

The post শ্যামনগর সেটেলমেন্ট অফিসের জরিপ বিভাগে সীমাহীন দুর্নীতির অভিযোগ appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/3uzxCs0

সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া ধারাভাষ্যকার ফোরামের নতুন কমিটি গঠন https://ift.tt/eA8V8J

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: শুক্রবার সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়াম ভবনে অনুষ্ঠিত জেলা ক্রীড়া ধারাভাষ্যকার ফোরামের নতুন কমিটি আগামী দুই বছরের জন্য অনুমোদিত হয়েছে। অনুষ্ঠানের সিনিয়র ক্রীড়া ধারাভাষ্যকার সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব ও সাবেক ফিফা এলিট রেফারী মো. তৈয়েব হাসান বাবু, বাংলাদেশ ক্রিকেট আম্পায়ার্স এন্ড স্কোরার্স এসোসিয়েসান খুলনা বিভাগীয় সভাপতি ও সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক, আ. ম. আখতারুজ্জামান মুকুল, সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার কার্যনির্বাহী সদস্য, উকবাল হাসান বাপ্পি। সভায় সর্ব সম্মতিক্রমে মো. অলিউল ইসলামকে সভাপতি ও জনাব আব্দুল্লাহ সিদ্দিককে সাধারণ সম্পাদক করে ১৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠিত হয়। কমিটির নির্বাচিত সদস্যরা হলেন, সভাপতি মো. অলিউল ইসলাম, সিনিয়র সহ সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম, সহ-সভাপতি ইসমাইল হোসেন মিলন, সহ-সভাপতি আসাদুজ্জামান আসাদ, সহ-সভাপতি শাহাজান আলি শাহিন, সহ-সভাপতি- সঞ্জয় সরকার, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ সিদ্দিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আফজাল হোসেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আলিম, কোষাধ্যক্ষ মো. ফারুক হোসেন, দপ্তর সম্পাদক এমআর মোস্তাক, প্রচার সম্পাদক মো. শাহাদাত হোসেন সাজু, কার্য নির্বাহী সদস্য শাহাজান সিরাজ, কার্য নির্বাহী সদস্য জাকির হোসেন, কার্য নির্বাহী সদস্য ডা. আব্দুল কুদ্দুস, কার্য নির্বাহী সদস্য মো. খায়েরুজ্জামান, কার্য নির্বাহী সদস্য অনুপ ঘোষ ও কার্য নির্বাহী সদস্য মো. মফিজুল ইসলাম

The post সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া ধারাভাষ্যকার ফোরামের নতুন কমিটি গঠন appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/3szjlto

চাম্পাফুল আঞ্চলিক প্রেসক্লাবের ইট চুরি করে বিক্রির অভিযোগ ও আসবাবপত্র গায়েব https://ift.tt/eA8V8J

চাম্পাফুল (কালিগঞ্জ) প্রতিনিধি: কালিগঞ্জের চাম্পাফুল আঞ্চলিক প্রেসক্লাবের ইট চুরি করে বিক্রির অভিযোগ ও আসবাবপত্র গায়েব করার অভিযোগ উঠেছে। চাম্পাফুল আঞ্চলিক প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান মনির বিরুদ্ধে ওই অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, চাম্পাফুল আঞ্চলিক প্রেসক্লাবের জন্য ২০০০ এক নম্বর ইট রাখা ছিল অস্থায়ী প্রেসক্লাবের সামনে। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি সকালে প্রেসক্লাবের সদস্যরা দেখতে পান সেখানে আর ইট নেই। অনেক খোঁজাখুঁজির পর ইট বহনে সহায়তাকারী আব্দুল¬াহর খোঁজ পাওয়া যায়। এর পর আব্দুল¬াহর মাধ্যমে ইট নিয়ে যাওয়া ১নং বিবাদীর সন্ধান পেলে চাম্পাফুল আঞ্চলিক প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে কৃষ্ণপদকে বিবাদী করে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি কালিগঞ্জ থানায় অভিযোগ করা হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে কালিগঞ্জ থানার এসআই ও চাম্পাফুল ইউনিয়ন বিট অফিসার সিহাব ২৬ ফেব্রুয়ারি সকাল আনুমানিক ১০টার সময় উজিরপুর বাজারে এসে কৃষ্ণপদকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বেরিয়ে আসে থলের বিড়াল। কৃষ্ণপদ বলেন, সাবেক সভাপতি মনিরুজ্জামান মনি আমাকে ইটগুলো দিয়েছে। এছাড়া তিনি আরও বলেন, আমার ঘরে থাকা প্রেসক্লাবের আসবাবপত্র মনিরুজ্জামান মনি বের করে নিয়ে গেছে। উল্লেখ্য, গত জানুয়ারি মাসের ১৩ তারিখে চাম্পাফুল আঞ্চলিক প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন হলেও আজ পর্যন্ত কোনো হিসাব নিকাশ নতুন কমিটির কাছে বুঝে দেয়নি। তার কাছে বিভিন্ন সময় প্রেসক্লাবের নাম করে কালেকশনকৃত মোটা অংকের টাকা, ১০ ব্যাগ সিমেন্ট মাটিসহ অনেক জিনিসপত্র আছে। চুরি করে বেঁচে ফেলা ইট, প্রেসক্লাবের টাকা, আসবাবপত্রসহ যাবতীয় মালামাল উদ্ধার করে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন চাম্পাফুল আঞ্চলিক প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা ম-লী ও সদস্যবৃন্দ।

The post চাম্পাফুল আঞ্চলিক প্রেসক্লাবের ইট চুরি করে বিক্রির অভিযোগ ও আসবাবপত্র গায়েব appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/3bIlL2f

আশাশুনিতে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মানববন্ধন করায় কর্তৃপক্ষের উপর হামলা https://ift.tt/eA8V8J

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনির আনুলিয়া ইউনিয়নের চেঁচুয়া মদিনাতুল উলুম বহুমুখী ফাযিল মাদ্রাসার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সচেতন এলাকাবাসীর ব্যানারে মানববন্ধন করায় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। গত ২১ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির সুনাম নষ্ট করার লক্ষে মানববন্ধনের আয়োজন করার প্রতিবাদে ষড়যন্ত্রকারীদের আইনের আওতায় আনার দাবিতে বুধবার সকালে মানববন্ধনের আয়োজন করায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের উপর এ হামলার ঘটনা ঘটে।

থানায় লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, চেঁচুয়া গ্রামের আব্দুল বারী সরদারের ছেলে ইউনুস, এনামুল, ইউসুফ ও আইয়ুব, আইয়ুব আলী সরদারের ছেলে শরিফুল, আশরাফুল ও তরিকুল, ইসমাইল সরদারের ছেলে আরিফুল এবং মৃত আফসার আলীর ছেলে আছাদুল হকসহ আরও কয়েকজন সংঘবদ্ধ হয়ে মদিনাতুল উলুম বহুমুখী ফাযিল মাদ্রাসার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২১ ফেব্রুয়ারি মাদ্রাসার ক্ষতি সাধন ও মাদ্রাসার সাথে জড়িত শিক্ষকদের হেয় করার লক্ষে মানববন্ধনের আয়োজন করে। এর প্রতিবাদে ২৪ ফেব্রুয়ারি মাদ্রাসার কতৃপক্ষের আয়োজনে এবং সচেতন এলাকাবাসীর ব্যানারে প্রতিবাদ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। প্রতিবাদে মানববন্ধন করা হলে সংঘবদ্ধ কুচক্রীমহলটি ক্ষিপ্ত হয়ে দেশিয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে প্রতিষ্ঠানের মৌলুভী শিক্ষক তৈয়্যেবুর, তার ভাইয়ের ছেলে মাহাবুব ও মাসুমের উপর হামলা চালায়। এসময় তারা মাসুমের বাড়িতে ভাংচুর ও লুটপাট করে। মৌলুভী শিক্ষক তৈয়্যেবুর রহমান জানান, এ ঘটনায় আমি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। আনুলিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এটিএম শামসুজ্জামান জানান, এই কুচক্রী মহলটির নেতৃত্বে আছে একাধিক নাশকতা মামলার আসামি। এরা বহু দিন থেকে এলাকার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিনষ্টের লক্ষ্যে এধরনের বিভিন্ন কর্মকা- সম্পন্ন করে যাচ্ছে।
আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মাদ গোলাম কবির বলেন, এ সংক্রান্ত লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

The post আশাশুনিতে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মানববন্ধন করায় কর্তৃপক্ষের উপর হামলা appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/3q6pZpL

ভুক্তভোগী জনগোষ্ঠীর জন্য দীর্ঘমেয়াদী ত্রাণ ও পুনর্বাসন প্রদান বিষয়ক মতবিনিময় https://ift.tt/eA8V8J

আব্দুল জব্বার, তালা: শুক্রবার সকালে তালা উত্তরণ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে সাতক্ষীরা জেলায় আম্পান সংঘটিত উপকূলীয় বাঁধভাঙা প্লাবন ও জলাবদ্ধ সমস্যায় ভুক্তভোগী জনগোষ্ঠীর জন্য দীর্ঘমেয়াদী ত্রাণ ও পুনর্বাসন প্রদান বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উত্তরণ পরিচালক শহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল। তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. তারিফ-উল-হাসানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসএম তারেক সুলতান, সাতক্ষীরায় সদ্য যোগদানকৃত সহকারী কমিশনার আব্দুল্লাহ আল আমীন, শাহনেওয়াজ তানভীর, বাপ্পী দত্ত রায়, সজীব তালুকদার, আশাশুনী সদর ইউপি চেয়ারম্যান স,ম সেলিম রেজা মিলন, শ্রীউলা ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা শাকিল ও সাতক্ষীরা সদরের ধুলিহর ইউপি চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমান প্রমুখ। সভায় মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন উত্তরণের অধ্যাপক হাসেম আলী ফকির। এসময় ভুক্তভোগী জনগোষ্ঠীর জন্য দীর্ঘমেয়াদী ত্রাণ ও পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকাসহ কিছু ডকুমেন্টেশন প্রধান অতিথির হাতে তুলে দেয়া হয়। উক্ত মতবিানময় সভায় সরকারী কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, এনজিও প্রতিনিধি, পানি কমিটির নেতৃবৃন্দসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

The post ভুক্তভোগী জনগোষ্ঠীর জন্য দীর্ঘমেয়াদী ত্রাণ ও পুনর্বাসন প্রদান বিষয়ক মতবিনিময় appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/2ZWAFMV

কেশবপুর পৌরসভা নির্বাচন রবিবার: লড়াই হবে নৌকা-ধানের শীষে https://ift.tt/eA8V8J

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: রাত পোহালেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে কেশবপুর পৌরসভা নির্বাচন। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরাপক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে কঠোর অবস্থানে রয়েছে আইনশৃংখলা বাহিনী। পৌরপিতা নির্ধারণে নৌকা ও ধানের শীষ প্রার্থীর মধ্যেই হবে তুমুল লড়াই।

সিইসি নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আগামী ২৮ ফেব্রয়ারি ৫ম ধাপের আওতায় রবিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে কেশবপুর পৌরসভা নির্বাচন। রাত পোহালেই রবিবার। এই দিন সকাল ৮ থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে ভোট প্রহন। আচারন বিধি অনুযায়ী শুক্রবার রাত ১২টায় শেষ হয়েছে প্রার্থীদের সকল ধরনের প্রচার-প্রচারনা। প্রচারণা শেষে প্রার্থীরা ছক কষসে কিভাবে তারা নির্বাচনে বিজয়ী হবেন। সাবদিয়া ও আলতাপোল ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ-বিএনপির পাল্টাপাল্টি ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ছাড়া কেশবপুর পৌরসভার বাকী ওয়ার্ডগুলোতে শান্তিপূর্নভাবে শেষ হয়েছে প্রার্থীদের প্রচারনা। তবে কেশবপুর পৌরসভা নির্বাচনে প্রত্যেক ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের একাধিক কাউন্সিলর প্রার্থী হওয়ায় ভোটের মাঠে ভোটার উপস্থিতি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সরকার দলীয় প্রার্থীরা তাদের জয়-পরাজয়ের কথা ভেবে স্ব-স্ব প্রার্থীরা ২৮ তারিখে ভোটার সমাগম বাড়াতে এলাকার ভোটারদেরকে উৎসাহ দেখাচ্ছেন এবং ভোটারদের সকল ধরনের নিরাপত্তার আশ্বাস দিচ্ছেন।
সরেজমিনে কেশবপুর পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের সাধারন ভেটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তারা ভোট দিতে আগ্রহী। নির্বিগ্নে ভোটের মাঠে যাওয়ার পরিবেশ হলে তারা ভোট দিতে যাবেন বলে তারা জানান। তবে প্রার্থী ও আইনশৃংখলা বাহিনীর উপর সম্পূর্নভাবে নির্ভর করছে তাদের ভোটের মাঠে যাওয়ার বিষয়টি। বিভিন্ন জরিপের মাধ্যমে জানাগেছে, কেশবপুর পৌরসভা নির্বাচনে ধানের শীষ ও নৌকার প্রার্থীর মধ্যে মুলপ্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। অবাধ-নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে এই দুই প্রার্থীর মধ্যে তুমুল লড়াই হবে। তবে নৌকা ও ধানের শীষের জয়-পরাজয় নির্ভর করছে দলীয় নারী-পুরুষ কাউন্সিলরদের উপর। বিএনপি ও আওয়ামী লীগ উভয় মেয়র প্রার্থী দলীয় কাউন্সিলর প্রার্থীদের উপর ভর করে নির্বাচনে জেতার বিভিন্ন কৌশলে সামনে এগুচ্ছে। শুধু মেয়র প্রার্থীরা নয়, অনেক কাউন্সিলর প্রার্থীরাও নৌকা-ধানের শীষকে ব্যবহার করে নির্বাচনে জয়ের পথ খুঁজছে। অপর দিকে পৌর শহরের কোন কোন জায়গায় ইসলামী আন্দোলন মনোনীত হাতপাখা মার্কার প্রার্থী আবদুল কাদেরের পোস্টার চোখে পড়লেও এই প্রার্থীকে কখনো প্রচার করতে দেখা যায়নি।
এবিষয়ে ধানের প্রতীকের মেয়র প্রার্থী আব্দুস সামাদ বিশ্বাস অভিযোগ করে বলেন, সরকার দলীয় প্রার্থীর কর্মীরা ধানের শীষের ভোটারদের মাঝে আতংক সৃষ্টি করছে,যাতে তারা ভোট কেন্দ্রে এসে ভোট দিতে না পারে। সেজন্য প্রতিটা ভোট কেন্ত্রে ভোটারদের আসার রাস্তায় ব্যারিকেট দেবে বলে ভয়ভীতি অব্যাহত রেখেছে।তবে ভোটাররা যদি ভোট কেন্দ্রে আসতে পারে তাহলে ধানের শীষের বিজয় সু-নিশ্চিত।
সরকার দলীয় নৌকার প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম মোড়ল বলেন, পৌরসভা নির্বাচন অবাদ ও সুষ্ঠু হবে। ধানের শীষের প্রার্থীর অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার প্রতিপক্ষ প্রার্থী নির্বাচনে পরাজয় বুঝতে পেরে নৌকার কর্মীদের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। তবে তিনি আসা করেন বিগত ৫ বছরে পৌরসভার উন্নয়নের দিকে বিবেচনা করে সবাই নৌকায় ভোট দিয়ে তাকে বিপুল ভোটের মাধ্যমে বিজয় করবেন।
হাতপাখা মার্কার মেয়র প্রার্থী আব্দুল কাদের বলেন, দল আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে, তাই ভোটের দিন পর্যন্ত মাঠে থাকব। কেশবপুর উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকতা ও উপজেলা নির্বাচন অফিসার বজলুর রশীদ জানান, ২৮ ফেব্রয়ারি কেশবপুর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়রসহ ৩ পদে আওয়ামীলীগ-বিএনপির নারী-পুরুষ সহ মোট ৫৪ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। কেশবপুর পৌরসভার মোট ভোটার সংখ্যা-২০ হাজার ৭শ ৭৫ ভোট। এর মধ্যে নারী ভোটার ১০ হাজার ৫শ ৬৭ ও পুরুষ ভোটার ১০হাজার ২০৮। ভোট কেন্দ্র ১০টি।
কেশবপুর উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাহী অফিসার এম.এম আরাফাত হোসেন জানান, পৌরসভা নির্বাচনে সবগুলো কেন্দ্রে ই্িভএম-এ ভোট হবে। নির্বাচনে সাধারণ ভোটারদের সার্বিক নিরাপত্তা প্রদানে প্রতিটিা কেন্দ্রে ৪ জন পুলিশ এবং ৮ জন আনসার ও তাৎক্ষনিক বিচারের জন্য ১ জন ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে। এছাড়া নির্বাচনী মাঠে পুলিশের স্টাফ ফোর্স, র‌্যাব ও বিজিবির ২টি করে টিমসহ সাদা পেশাকে প্রশাসনের বিভিন্ন টিম কাজ করবে।

The post কেশবপুর পৌরসভা নির্বাচন রবিবার: লড়াই হবে নৌকা-ধানের শীষে appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/37PEqrP

তালার খেশরায় চেয়ারম্যান পদে সাংবাদিক লিয়াকত হোসেনের প্রচারণা https://ift.tt/eA8V8J

খলিষখালী (পাটকেলঘাটা) প্রতিনিধি: সাংবাদিক এসএম লিয়াকত হোসেন আবারো চেয়ারম্যান হতে চান। যার কারণে তিনি ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছেন। তালার হরিণখোলার বাতুয়াডাঙ্গা গ্রামে কবি গান অনুষ্ঠানে তিনি জানান দিন যতই ঘনিয়ে আসছে প্রার্থীদের দৌড়ঝাপ ততই বেড়ে গেছে। তিনি আগেও চেয়ারম্যান ছিলেন তারসময়ে সাধারণ মানুষ কষ্টে ছিল না। এখন শোনা যায় টাকা ছাড়া কোন কার্ড হয় না। তার সময়ে কোন টাকা লাগতো না। তিনি সকলের কাছে দোয়া কামনা করেছেন।

The post তালার খেশরায় চেয়ারম্যান পদে সাংবাদিক লিয়াকত হোসেনের প্রচারণা appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/3dMwn2M