Saturday, August 29, 2020

মাটির চেয়েও মহা-নজরুল https://ift.tt/eA8V8J

সালেম সুলেরী
চুরুলিয়ায় গিয়েছিলাম আসানসোলের পথে,
কবির ভিটায় মা-মাটিকে পরখ করার ব্রতে।

 

কবি মানেই বাংলা ভাষার কাব্য-গানের রাজন,
নূরু মিয়া, দুখু মিয়া, বাহারী চুল, সাজন
গিয়েছিলাম জৈষ্ঠ মাসেই, জন্ম জয়ন্তীতে,
কবির নামে বিশাল মেলা, আরশিতে-পড়শিতে,
প্রমীলা তার স্ত্রী ছিলেন, কবরখানার পাশে
ভক্তি-গীতি, কাব্য-বয়ান উচ্ছ্বাসে উল্ল¬াসে।

 

গরম মানে সেকি গরম, আম পাকারও অধিক!
আমরা ক’জন অনুজ কবি এদিক থেকে ওদিক-
খুঁজেছিলাম কবির নাড়ী, আদি বাড়ির ঘ্রাণ,
গাঁ-মাটিতে কবি গড়ার কিই সে উপাদান!
সেই মক্তব, যাত্রা-লেটো, রুটির দোকান শৈশব-
সবকিছু তো খুব সাধারণ, ইতিহাসের ঐ সব।
আসাধারণ বিষয় হলো-ঢের প্রতিভার ফুল,
মাটির চেয়েও মহান তিনি বিদ্রোহী নজরুল।

The post মাটির চেয়েও মহা-নজরুল appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/3hIefpK

নজরুল ও আদি-অনাদি https://ift.tt/eA8V8J

সালেম সুলেরী
জন্ম আর মৃত্যুর বাঁধনে এক অদ্ভূত অভূত সেতুবন্ধ-
বর্ধমান চুরুলিয়া থেকে ঢাকার বৈভবী বিদ্যাতীর্থে,
সদ্যমুক্ত বিশুদ্ধ বাংলাদেশে
সীমানার দুই পাশে, প্রত্যন্ত প্রবাসে অসীম সাহসে
এখনও শাসন করো অগ্নিবীণা-ছোঁয়া রাজ্যপাট।
সাম্যবাদ-সর্বহারার ভাঙার গান;
রুদ্রবীণার ঝংকারময় কবিতা-প্রলয় শিখা!

 

তাতে ফের পাখার বাতাস,
এই যে বিপ¬ব বাতায়ন
কোমলে-মধুরে-শিল্পে
বরফ গলার জাদুমন্ত্রে, স্নিগ্ধ স্বরলিপি হয়ে
দোলালে দোলন চাঁপা, ছায়ানট, পূবের হাওয়া।
ঝিঙে ফুলের শৈশবে,
রুটি-ডলা লিচুতলা লেটো-ভোলা মাভৈ মাভৈ সব হৃদয়বৃত্তির চিত্তনামা,
শিউলিমালা বা মধুমালা-গীতা শতদল-সঞ্চয়িতা, সুসংহিতা
জীবনে না মেলা অংকে অংকিত মরু-ভাস্কর,

 

রাজবন্দীর জবানবন্দী-
এবার তোমাকে বলি কবি নজরুল
দারিদ্র্য ও মৃত্যুক্ষিদে চিনতে বলেছো,
আমরা চিনেছি,
স্বাধীনতার লাগাম ধরে রাখা
ভগবানকে তাড়াতে বলেছো,
আমরাতো হারাতে পেরেছি সেইসব দানব অন্ধকারকে৷
আমাদের করতলে মুক্তিযুদ্ধের বিষেরবাঁশি, বিজয় পতাকা
আমাদের মুক্ত চোখে রুদ্র মঙ্গলের স্বপ্ন,
গুলবাগিচার শতদল-ছুঁতে চাই কিন্তু
রিক্তের বেদন, কুহেলিকা, চক্রবাক, দুর্দিনের যাত্রী
তারাও মননে বাঁধনহারা, বারবার ফিরে ফিরে আসে।
সন্ধ্যা’র জিঞ্জির, চোরের চাতক দেখো নতুন সংস্করণে
ধুমকেতু হয়ে আসে আর পাঠ করে
দারিদ্র্রের শাশ্বত কবিতা। সৈনিকত্বে বিবমিষা,
মান্ধাতার বিষ-তৃষা।
আমরা জিতেও হেরে যাচ্ছি নজরুল,
কি অক্ষয় সেতুবন্ধ সুরক্ষায়
কি সমৃদ্ধি নদী-গ্রাম ভূ-রক্ষায়
পুড়িব একাকী বলে কাঁদলে অথচ দেখো-
একযোগে পুড়ছি সবাই।
মুক্ত বাংলায় এসে-তো দেখলে
অবমুক্ত হলোনা কণ্ঠের ব্যামো-ব্যাধি,
আজ শুধু, তুমি আর তোমার অর্জন পর্যন্তই আছি
দারিদ্র্য-মহান স্বর্গে আদি এবং অনাদি
আছি এ জাতির ইতিহাসকাঁদা বীর, হে উন্নত মমশির।

The post নজরুল ও আদি-অনাদি appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/32HERRM

কবির প্রতি https://ift.tt/eA8V8J

সাহাবুল ইসলাম
প্রবল ঝঞ্ঝায় আলুথালু কেশ যেদিন পৃথিবীর
তুমি এলে সেই দিনে।
তোমার আগমনের সেই দিনের মতোই
তোমার উদ্ভাস সাহিত্য ভূবনে
ধূমকেতুর মতোই।
স্বপ্নের কবি তুমি।
ঈশ্বরের বাণীই যেন তোমার কবিতায় মূর্ত হলো
বিদ্রোহী রূপে।
দামাল শৈশব থেকে কবি রূপে তোমার এই ঝোড়ো উত্তরণ
প্রতিটি লোমকূপে এখনও জাগায়
সহ¯্র উল্ল¬াস।
চির বিদ্রোহী তুমি।
বিদ্রোহ তোমার, সমস্ত অনাচার আর অবিচারের বিরুদ্ধে।
আজও মোরা তোমারই পথ চেয়ে-
কেউ আসুক আবার অগ্রপথিক হয়ে
তোমারই মতো।
হে কবি, হে মহাপ্রাণ
তোমাকে হাজারো সালাম।

The post কবির প্রতি appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/2YLzBv5

হও ধর্মেতে ধীর https://ift.tt/eA8V8J

এটিএম রেজাউল হক
কাজী নজরুল ইসলাম সম্পর্কে বলতে হলে কথা কেউ শেষ করতে পারবে না যদি সে মনের ধনী কোন ব্যক্তি হয়।

 

তাই কাজী নজরুল ইসলাম নিজেই বলে গেছেন আমার মৃত্যুর পরে কত লোক আমাকে নিয়ে চায়ের টেবিলে হাত চাপড়াতে চাপড়াতে, পরে কত বড় বড় কথা বলবে কত ভাষণের জন্ম দেবে কিন্তু সত্যিকার অর্থে তারা বৈষম্যহীন একটি জাতি সৃষ্টিতে হয়তো কোনো ভূমিকা রাখতে পারবে না উনার ভাষণে স্পষ্টভাবে বলে গেছে আমি কারোর ওপর আধিপত্য বিস্তার করতে আসিনি আমি হিন্দু মুসলিম সম্প্রদায়কে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ করতে চেয়েছিলাম কিন্তু পারিনি বিশ্ব এই বৈষম্যের চির শিকার আমরা তা থেকে মুক্ত হব কীভাবে সেটা নিয়ে অনেক কাজ করার প্রয়োজন আছে। ইদানিং একটা জিনিস পরিষ্কার ভাবে পরিলক্ষিত হচ্ছে। আমরা কোন অনুষ্ঠানে যে ছোট বড় বক্তব্য দিয়ে অথবা কবিতা পাঠ করে সম্মাননা নেব। তখন আমি লজ্জিত হই। বিশ্ব মানবতা আমরা কত পিছনে। সেইতো হাজার হাজার কোটি টাকার ফোয়ারা উড়ে চলেছে। সেইতো মার্বেল পাথর দিয়ে বহুতলা ভবন নির্মিত হচ্ছে।

 

কিন্তু সেখানেই সেই ভবনের নিচে ফুটপাতে গড়াগড়ি খাচ্ছে রাত্রি যাপন করছে অসংখ্য মানুষ। আপনার নির্লজ্জ মানসিকতা তাদেরকে সামান্যতম সহানুভূতি প্রকাশের ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলেছি। তাহলে নজরুলের মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণ করে টেবিল চাপড়ে দুটো চারটে বড় বড় কথা বলে লাভ কি। উনার বিদেহী আত্মা কি আরও কষ্ট দেওয়া হবে নাকি। হা দু’একজন হয়তো সত্যিই উপলব্ধি করেন। কিন্তু কি করার আছে। আমরা তো নিজেরাই আপন মনে আপন সুখের জন্য আপন নীড়ে অবস্থান করছি। আসুন সবাই মিলে নিজেকে নি:স্ব করে দেখিয়ে দেই। কাব্য আর কবিতার ভান্ডার খুলে দিয়ে পসার বসাই। নিজের জ্ঞানের আমিততকে দূর করে।

 

চলে আসি একেবারেই তৃণমূল পর্যায়ে। যদিও বর্তমানে করোনা কালীন সময়ে আমরা বাধাগ্রস্থ। কিন্তু এই সময় উত্তীর্ণ হলে রাস্তায় রাস্তায় বের হয়ে নজরুলের। নবজাগরণ এর সকল গান কবিতা। প্রচার করতে জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে মানবিক দৃষ্টান্ত রেখে যেতে পারি কিনা সেটা ভাবুন।
হও ধর্মেতে ধীর, হও কর্মেতে বীর। হও উন্নত শির নাহি ভয়।

The post হও ধর্মেতে ধীর appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/32wsgk6

সাতক্ষীরা চেম্বারের পরিচালক শেখ মহাসিন এর মায়ের মৃত্যু: শোক https://ift.tt/eA8V8J

সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র পরিচালক শেখ মহাসিন এর মাতা মোছাঃ সালেহা খাতুন, ২৯ আগস্ট’ ২০২০ শনিবার আনুমানিক ভোর ৪টার সময় নিজস্ব বাসভবনে বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাহে রাজেউন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর।

তাঁর শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন ও তার রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র সভাপতি নাছিম ফারুক খান মিঠু, সিনিয়র সহ-সভাপতি, সহ-সভাপতি ও চেম্বার অব কমার্সের সকল পরিচালকবৃন্দ।

তার মৃত্যুতে সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি এর পক্ষ থেকে গভীরভাবে শোক জ্ঞাপন করা হয়েছে এবং তার রুহের মাগফেরাত কামনা করা হয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

The post সাতক্ষীরা চেম্বারের পরিচালক শেখ মহাসিন এর মায়ের মৃত্যু: শোক appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/3hIlBJZ

হলুদ ঝিঙে ফুল https://ift.tt/eA8V8J

বাবুল চৌধুরী
বাঁশি বিষ হোক, তবুও কলে¬ালিত ধ্বনি
দ্রোহ ও প্রেমের বর্ণগুলি, বিনোদ বেণী
নীরব নার্গিস বন সরবে, সৌরভে জানায়,
আর যদি বাঁশি না বাজে, সে সংশয় ভুল।
কড়িকাঠে দুলে একমাথা খোলা চুল আর
তীব্র চাহনি ক্যালেন্ডারে তোমার মায়া-মুখ
হাসি, রহস্যঘন দৃষ্টি পলকে তিরবিদ্ধ করে
নার্গিস বনে এখনও মুখর কবিতার বুলবুল।
এখনও লোকালয়ে কীর্তন, মুখর ভাটিয়ালি
শোনা যায়, পরদেশী মেঘ আসে ফিরে যায়
তুমুল বিনোদ বেণী মূর্চ্ছিত সুরে গুনগুনায়
তোমাকে ধরেছে হৃদিপদ্মে হলুদ ঝিঙে ফুল।

The post হলুদ ঝিঙে ফুল appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/32ys6sB

বাজে কি বাজেনা অগ্নিবীণা https://ift.tt/eA8V8J

মনিরুজ্জামান মুন্না
দেবদূত তুমি, তুমি অবাক দেশের অবাক গুণী। কবিতা-গানের মিষ্টি কথায় সমতার সুর শুনি। সাহসের আধার তুমি কবি সমতার স্বপ্নের ধ্রুব তুমি সাথী জনতার, রেনেসাঁ মানব তুমি কালের খেয়ার। গণের দেবতা তুমি মুকুট বাঙলার। বকুল ফুলের সুবাস তুমি বৈরী বৃষ্টিতে ভেজা। প্রসন্ন প্রহরে পল¬ীবালার ধার না ধারা তেজা। প্রদীপ জ্বালাও প্রাণে-মনে তিমির তিমিরান্তিকে, মহাকাল সমকালে ভেড়াও চিন্তার মুক্ত প্রান্তিকে। আলোক বর্ষের স্বপ্ন ফেরী করে পরপারে ক্লান্তির নীড়ে কিম্বা খেয়ালী নির্জনতায় পরম মমতায় ছুঁয়ে দাও বিভাজিত জীবনে রোদ্দুর। তুমি তোমার কালে রেনেসাঁ মানব বলে- গরবিনীর জীর্ণবসনে যৌবন কাব্যের প্রচ্ছদ এঁকেছিলে। জননী জন্মভূমে; উজ্জীবনী মন্ত্রে কল্প-কলুষ কুঞ্জনে; গুঞ্জনে-গুঞ্জনে হতাশার কফিনে বিজয়ের উত্তরীয় জড়ালে। সে সৌভাগ্য সুধায়-মেঘলা মন ধেয়ে যায় সত্যালোকের ঝর্ণায় ঢাকা-কোলকাতা কিংবা চুরুলিয়ায়। প্রজাপতি রঙ ছড়ালো মেঘের ভাঁজে। জনম-জনমে ধূর্জটি রূপে হৃদয়ের মরা গাঙে বান ডাকে। কলঙ্ক মুক্তির তা-বী নবাবে বঙ্গ-অঙ্গে জ্যোৎস্না জাগালে। তুলে আনলে বর্ণের বর্নিলে হেলায় হারানো অস্তিত্বরে; অসুস্থ বাস্তিল থেকে টানলে ভাড়াখাটা মগজের অপকীর্তির খতিয়ান। রক্তের লোহিত ছায়াপথে নক্ষত্রের বৃষ্টি ঝরায়ে সময়ের সংগ্রামী চাহিদায় তুমি হয়েছিলে জনতার কবি। সে পদচিহ্নের বিচিত্র রঙে খুঁজে নিয়েছি নির্ভরতার চাবী। স্বাধীনতার স্বস্তির সৌরভে অটল অভিপ্রায় ভেঙে দিয়েছিলে ঘুমিয়ে থাকা মানুষের ঘুম। তাই কামনার ক্যানভাসে স্বপ্নরা নেমে আসে পূর্ণিমার পথে; দূর্লভ নির্ভয়ের সংগ্রামী গীত-মুখরিত করে চারদিক। দুখের দুখুমিঞা তুমি। অথচ তোমার সৃষ্টির যাযাবরে অস্থিরতা নেই। সে পরশ প্রেরণায় বাঙালিকে জাগরুখ আর স্বস্তির প্রত্যাশয় জীবন সংগ্রাম সম্মুখের। যদিও তোমার সে যুদ্ধ আমি দেখিনি, তবুও মনে হয় টিকে থাকার নিরন্তর লড়াইয়ের দায় তোমার একার নয়। চোখ উপড়ানো পদ্মফুল দিতে না পারলেও প্রজন্মের পরম্পরায় সে দায়ভারে ভারাক্রান্ত হতে চাই আমরাও। চাই ঐ অসাম্প্রদায়িক চেতনার সমাদওে খাঁটির প্রত্যয়ী হতে।
আনন্দ যজ্ঞের যোগী হয়ে আজ হতে শতবর্ষ আগে নিভৃতের এ তৃষ্ণিত জনপদে তুমি এসেছিলে। তুমি এসেছিলে বলে বাঙলার এই নৈঋখ প্রান্তের লোকালয় পরেছিলো টিপ, জে¦লেছিলো দ্বীপ লাল-সবুজের আভায়। এসেছিলে বলে ভাবনার পালে বিবর্তনের হাওয়া লাগে। অনুভূতির গভীরতা ঋদ্ধ হয়ে দূর-নিকটের ব্যবধান ঘোচায়। তোমাকে পাওয়ায় দারুণ মিথস্ক্রিয়ায় নদী হয়ে ছুটি মোহনায়। অগ্নিবীণা বেজে আচমকায় স্বাক্ষী হয় ইতিহাসের প্রচার-পাতায়। গ্লানির মোহ পরে আলোক রাখী, উজ্জীবনের সুরে-সুরে গান গায় সুখপাখি। শিক্ষণের বীক্ষণে সে অগ্নীবীনায় রচিয়ে হৃদয়ের আকুল অঞ্জলী সপেছি আজ হে নজরুল। তোমার রসদের চুম্বনে নব ভীত্তির উত্থিত সৃষ্টির সৃজনে ভাদ্রের বৃষ্টিতে আকাশের কান্নার মতো সিক্ত করো আমাদের হৃদয়। ¯œাত করো নবধারা’র শুভ্র জলে। চিন্তার প্রশিক্ষণ আর চেতনার চাষাবাদে পৌঁছে দাও দ্রোহ-বিদ্রোহের উত্তরাধিকারীরি সক্ষমতায়। মানবতার আলতাপরির কাক্সিক্ষত মোহনচূড়ায়। বঙ্গের তরে তোমার আত্মবিসর্জন আর সুখ-দুঃখের দোলাচলে সাহিত্যেও জলসায় আমাদের তুমি ভাসিয়ে নাও ত্যাগ আর অহিংসার সাম্যবাদী ঠিকানায়। যেন কোন স্বার্থন্বেষী অপপ্রচারির প্রচারণায় থাকতে না হয় বাঁশি আর না বাজার আশঙ্কায়। কীর্তির দীপ্ত ধূলায় রয়েছো তুমি অন্তর-অন্তরায়। মুক্তমনার সজীব চেতনায়, শুধু সম্মানের অভিবাদনে নয়, কোটি বাঙালির নিখাদ ভালোবাসায়। তাই জীবন নদীর বাঁকে সময় আজ তোমাকে মহাকালের স্বাক্ষীরূপে আপন করে রাখে।

The post বাজে কি বাজেনা অগ্নিবীণা appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/3gyrmbS