Tuesday, June 1, 2021

দ্বিতীয় মেয়াদে যবিপ্রবির উপাচার্য হলেন অধ্যাপক ড. আনোয়ার https://ift.tt/eA8V8J

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) দ্বিতীয় মেয়াদে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন। মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর-এঁর অনুমোদনক্রমে আজ মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগাদেশ জারি করে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে তাঁর নিয়োগের মেয়াদ যোগদানের তারিখ হতে ৪ বছর হবে। তবে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে তিনি নিয়মিত চাকরির বয়স পূর্তিতে মূল পদে প্রত্যাবর্তনপূর্বক অবসর গ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা সম্পাদন শেষে উক্ত মেয়াদের অবিশিষ্টাংশ পূর্ণ করবেন।’ বিশিষ্ট অণুজীববিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন ২০১৭ সালের ২০ মে তারিখে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম মেয়াদে উপাচার্য হিসেবে যোগদান করেন। তাঁর প্রথম মেয়াদ শেষ হয় গত ১৯ মে।

অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে করোনা ভাইরাসের পরীক্ষাসহ করোনার জীবনরহস্য উন্মোচন, গতিপথ পরিবর্তনসহ নানা বিষয়ে এ জিনোম সেন্টারে গবেষণা চলমান রয়েছে। তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের পর শিক্ষা ও গবেষণাক্ষেত্রে যবিপ্রবি এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে যায়। ২০২০ সালে গবেষণা প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে যবিপ্রবি বাংলাদেশে প্রথম স্থান অর্জন করে। গত ৮ মে অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে যবিপ্রবির ল্যাবে প্রথমবারের মতো করোনার ভারতীয় ধরণ শনাক্ত করা হয়। এ ছাড়াও তাঁর নেতৃত্বে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক কম খরচে করোনা ভাইরাস শনাক্তে ‘সাইবারগ্রিন পদ্ধতি’ উদ্ভাবন করে।

অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১৯৮১ সালে স্নাতক ও ১৯৮৩ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি জাপানের টোকিও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৯১ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি জাপানের ওসাকায় সানতোরি কর্পোরেশনে এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সিতে অবস্থিত রবার্ট উড জনসন মেডিক্যাল স্কুলের ইউএমডিএনজে (বর্তমানে রাটগার্স বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে পোস্ট ডক্টরেট সম্পন্ন করেন।

১৯৮৪ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৯৭ সালে তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীববিজ্ঞান বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করে অদ্যাবধি কর্মরত আছেন। ড. আনোয়ার হোসেন বাংলাদেশের সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট, সিন্ডিকেট, রিজেন্ট বোর্ড, অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল ও উচ্চতর গবেষণা বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন ও করছেন। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত ‘ন্যাশনাল টাস্কফোর্স অন ন্যাশনাল বায়োটেকনোলজি ফর বাংলাদেশ’-এ বিশেষজ্ঞ সদস্য হিসেবে ২০০৯ সাল থেকে এ সময়কাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করছেন।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মনোনীত ব্যক্তি হিসেবে তিনি ২০০৯ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ কাউন্সিল ফর সায়েন্টিফিক অ্যান্ড রিসার্চ (বিসিএসআইআর)-এর বোর্ড অফ গভর্নরস এবং কাউন্সিল সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিভিন্ন জার্নাল, বই-এর অধ্যায়, আন্তর্জাতিক কনফারেন্স প্রকাশনায় তার ১৫০-এর অধিক পিয়ার রিভিউড নিবন্ধ ও মুখবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। ড. আনোয়ার কমনওয়েলথ, মনোবসু, ইউনেস্কো, এফওবিএমবি, ফিডা ফাউন্ডেশন ইত্যাদি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান থেকে বৃত্তি ও ফেলোশিপ অর্জন করেছেন।

২০১১ সালে তিনি বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন থেকে শ্রেষ্ঠ গবেষকের পুরস্কার অর্জন করেন। ড. আনোয়ার এবং তার গবেষণা সহযোগীরা ‘ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিজ (গরুর ক্ষুরা রোগ) ভাইরাস’-এর তিন ধরনের সেরাটাইপের জীবনরহস্য উন্মোচন এবং ক্ষুরা রোগ প্রতিরোধী কার্যকর ভ্যাকসিন আবিস্কার, পোল্ট্রিতে সালমোনেলা জীবাণুর প্রাদুর্ভাব, পরিযায়ী পাখির মাধ্যমে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণুর বিস্তার, অণুজীব দ্বারা আর্সেনিকের জৈবপরিশোধন, গরুর ওলান ফোলা (ম্যাসটাইটিস) রোগ সংক্রান্ত গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। ড. আনোয়ার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীববিজ্ঞান বিভাগে বায়োসেফটি লেভেল টু প্লাস পর্যায়ে মলিকুলার বায়োলজি ও ভ্যাকসিন রিসার্চ ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা করেছেন। তাঁর গবেষণার স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি ২০১৯ সালে বাংলাদেশ অ্যাকাডেমিক অব সায়েন্সেস হতে স্বর্ণ পদক পান এবং অ্যাকাডেমির সম্মানিত ফেলো মনোনীত হন।

অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেনের জন্ম ১৯৫৮ সালের ১ জানুয়ারি, মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার সাতঘরিয়া গ্রামে। তাঁর পিতা মরহুম শেখ খোরশেদ আলম ও মাতা পিয়ারা বেগম। ড. আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী বিলকিস ফেরদৌসী ঢাকার হাবিবুল্লাহ বাহার বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অর্থনীতি বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ড. আনোয়ারের বড় ছেলে আজওয়াদ আনোয়ার কানাডার ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার বিজ্ঞানে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন। ছোট ছেলে আজরাফ আনোয়ার যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব কলম্বিয়া, সিটি অব নিউইয়র্কে বায়ো-মেডিকেল বিভাগে অধ্যায়নরত আছেন।

The post দ্বিতীয় মেয়াদে যবিপ্রবির উপাচার্য হলেন অধ্যাপক ড. আনোয়ার appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/34DdCcq

করোনার উপসর্গ নিয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেলে তিনজনের মৃত্যু https://ift.tt/eA8V8J

করোনা উপসর্গ নিয়ে তিন ঘণ্টার ব্যবধানে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুই নারীসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সোমবার রাত সোয়া ৭টা থেকে রাত সোয়া ১০টার মধ্যে তাঁদের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে এই হাসপাতালে করোনা উপসর্গে ২১০ জনের ও করোনা পজিটিভ হিসেবে ৩৩ জনের মৃত্যু হলো।

মৃত ব্যক্তিরা হলেন সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার সাহেবআটি গ্রামের আবদুস সামাদ (৭০), কলারোয়া উপজেলার বাটরা গ্রামের ফরিদা বেগম (৫৫) ও সাতক্ষীরা সদর উপজেলার পদ্মশাখরা গ্রামের সুফিয়া খাতুন (৫৫)।

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, কালীগঞ্জ উপজেলার সাহেবআটি গ্রামের আবদুস সামাদ গত শুক্রবার দিবাগত রাত একটার দিকে জ্বর, সর্দি, কাশি, গলাব্যথা ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি হন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর অবস্থার অবনতি হলে গতকাল তাঁকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল রাত সোয়া ১০টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।

একই ধরনের উপসর্গ নিয়ে কলারোয়া উপজেলার বাটরা গ্রামের ফরিদা বেগম গত শনিবার রাত আটটার দিকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি হন। গতকাল রাত সাড়ে নয়টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।

একই ধরনের উপসর্গ নিয়ে গত বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরা সদর উপজেলার পদ্মশাখরা গ্রামের সুফিয়া খাতুনকে হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি করা হয়। তিনি চিকিৎসাধীন গতকাল রাত সোয়া সাতটার দিকে মারা যান।

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক কুদরত-ই-খোদা মৃত্যুর খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ পর্যন্ত হাসপাতালে করোনার উপসর্গ নিয়ে ২১৭ জন এবং করোনা পজিটিভ হিসেবে ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

The post করোনার উপসর্গ নিয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেলে তিনজনের মৃত্যু appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/3g4MecF

শুভ জন্মদিন চঞ্চল চৌধুরী https://ift.tt/eA8V8J

আজ জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরীর জন্মদিন। ১৯৭৪ সালের ১ জুন তিনি জন্মগ্রহণ করেন। জন্মদিনে ভক্তদের শুভেচ্ছার জোয়ারে ভাসছেন প্রিয় এই তারকা।
চঞ্চল চৌধুরী মঞ্চ, টেলিভিশন, বড় পর্দা সব মাধ্যমেই নিজের অভিনয় দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, চঞ্চল তার কণ্ঠে গান তুলেও শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছেন।

পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার কামারহাট গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন চঞ্চল। সেখানেই বেড়ে উঠেন তিনি। রাজবাড়ি সরকারি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চারুকলায় ভর্তি হন। ছোটবেলা থেকেই তার গানবাজনা, আবৃত্তি আর নাটকের প্রতি টান ছিল। পরে মঞ্চনাটকের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়।

১৯৯৬ সালে মামুনুর রশীদের আরণ্যক নাট্যদলের সঙ্গে যুক্ত হন চঞ্চল। এর মাধ্যমে অভিনয় জীবনের শুরু। তার অভিনীত প্রথম মঞ্চনাটক আরণ্যক নাট্যদলের ‘কালো দৈত্য’। পরবর্তীতে এই নাট্যদলের ‘সংক্রান্তি’, ‘রাঢ়াঙ’, ‘শত্রুগণ’সহ অনেক নাটকে কাজ করেন।

২০০০ সালে ফরিদুর রহমান পরিচালিত ‘গ্রাস’ নাটকের মাধ্যমে টেলিভিশন নাটকে পা রাখেন তিনি। অল্প সময়ের মধ্যে দক্ষ অভিনেতা হিসেবে সুনাম কুড়ান তিনি। মোস্তফা সরওয়ার ফারুকীর ‘তাল পাতার সেপাই’ নাটক দিয়ে দর্শকের কাছে পরিচিত হয়ে ওঠেন চঞ্চল।

২০০৬ সালে তৌকির আহমেদ পরিচালিত ‘রূপকথার গল্প’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে চঞ্চলের। ২০০৯ সালে গিয়াস উদ্দিন সেলিম পরিচালিত ‘মনপুরা’ সিনেমায় সোনাই চরিত্রে অভিনয় করেন। এই সিনেমায় অভিনয় করে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান তিনি। পরের বছর গৌতম ঘোষ পরিচালিত বাংলাদেশ-ভারত যৌথ প্রযোজনার ‘মনের মানুষ’ সিনেমায় অভিনয় করে প্রশংসা কুড়ান তিনি। ২০১৬ সালে ‘আয়নাবাজি’ সিনেমায় শাফায়েত করিম আয়না চরিত্রে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে দ্বিতীয়বারের মতো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ঘরে তোলেন চঞ্চল। এ অভিনেতার অন্যতম সিনেমাগুলোর মধ্যে ‘টেলিভিশন’ ও ‘দেবী’ অন্যতম। হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ‘দেবী’তে অভিনয় করে বেশ সুনাম অর্জন করেন তিনি। এতে মিসির আলি চরিত্রে অভিনয় করেছেন চঞ্চল।

তবে সিনেমার পাশাপাশি ছোটপর্দায় দারুণ জনপ্রিয় তিনি। অসংখ্য জনপ্রিয় নাটকে অভিনয় করে চঞ্চল নিজের দখলে নিয়েছেন একটি বিশেষ শ্রেণির দর্শককে। যারা প্রতিনিয়ত অভিনেতার নতুন নতুন নাটকের অপেক্ষায় থাকেন।

The post শুভ জন্মদিন চঞ্চল চৌধুরী appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/3crl7HN

নিজের জন্মদিন নিয়ে যা বললেন কুমার বিশ্বজিৎ https://ift.tt/eA8V8J

আজ জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী কুমার বিশ্বজিতের জন্মদিন। ১৯৬৩ সালের আজকের এই দিনে পৃথিবীতে এসেছিলেন তিনি। ‘তোরে পুতুলের মত করে সাজিয়ে’, ‘তুমি রোজ বিকেলে’ কিংবা ‘যেখানে সীমান্ত তোমার’ এর মতো গান দিয়ে এখনো শ্রোতাদের হৃদয়ে চির সবুজ হয়ে আছেন কুমার বিশ্বজিৎ।
নিজের জন্মদিন নিয়ে কুমার বিশ্বজিৎ বলেন, ‘আরো একটি বছর চলে গেলো। মানুষ আমাকে নি:স্বার্থভাবে এতো ভালোবাসে, অথচ আমার এই সময়ে এসে মনে হচ্ছে, কিছুই করতে পারিনি। বারবার মনে হচ্ছে, সৃষ্টিশীল মানুষদের তিন জনমের সমান সময় প্রয়োজন এই ধরনীর বুকে। কারণ শৈশব, তারপর বেড়ে উঠা, জীবন সাজানো, ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য ভাবনা এবং সর্বোপরি জীবনের অনেকটা সময় ঘুমে চলে যাবার কারণে সৃষ্টিশীল কাজ করার সুযোগ তেমন হয়ে উঠে না। তবে আমার আত্মতৃপ্তি এখানেই যে, আমি কখনো প্রথাগত স্রোতে গা ভাসাইনি। সঙ্গীত অনেক শ্রদ্ধার, অনেক সাধনার। এই কাজ করতে গিয়ে অনেক সময় না খেয়েও থাকতে হয়েছে আমাকে, বাসা ভাড়াও দিতে পারিনি আমি। আমি ধৈর্য্য হারা হইনি। নতুন প্রজন্মের প্রতি আহবান থাকবে, তারা যেন ধৈর্য্য হারা না হয়। করোনায় আমরা অনেককেই হারিয়েছি, তাদের আত্মার শান্তি কামনা করছি। আবার করোনা’তে অনেক শিল্পী, মিউজিসিয়ান দুর্বিষহ জীবন কাটাচ্ছেন। এই অবস্থা থেকে যেন সবাই দ্রুত পরিত্রাণ পান এই কামনা থাকবে আমার। আর আমার স্বর্গী মায়ের জন্য আশীর্বাদ চাই।’

উল্লেখ্য, তার শৈশব কেটেছে চট্টগ্রাম জেলায়। বাংলা আধুনিক কিংবা চলচ্চিত্রের গানে দীর্ঘ চার দশক ধরে কণ্ঠ দিচ্ছেন কুমার বিশ্বজিৎ। তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জয় করেছেন। এখনো নিয়মিত গান গেয়ে যাচ্ছেন তিনি।

গানের প্রতি ছিল তার অগাধ টান। হিন্দু ধর্মালম্বী পরিবারে বেড়ে ওঠায় কীর্তন ও শ্যামা সংগীত শোনার সুযোগ ছিল। তার বিশ্ব সঙ্গীতের উৎস ছিল রেডিও। এভাবে গান শুনতে শুনতে একসময় শেখার প্রতিও আগ্রহ জন্মে কুমার বিশ্বজিতের। সঙ্গীতের ব্যাকরণ শিখতে তেজেন বাবু নামে এক সঙ্গীতজ্ঞের শরণাপন্ন হন তিনি। সেই থেকে তার সংগীতের পথচলা শুরু।

ধ্রুপদী, আধুনিক সমসাময়িক, লোকসঙ্গীত ও জীবনমুখী গান নিয়ে নানান পরীক্ষানিরীক্ষা চালিয়েছেন কুমার বিশ্বজিৎ। ‘তোরে পুতুলের মতো করে সাজিয়ে’ ‘তুমি রোজ বিকেলে’, ‘যেখানে সীমান্ত তোমার’, ‘শিকারি’, ‘ও ডাক্তার’, ‘ইতিহাস’, ‘জ্বালাইয়া প্রেমের বাত্তি’, ‘অন্তর জ্বলে’, ‘একটা চাঁদ ছাড়া রাত’, ‘প্রেমের মানুষ’সহ অসংখ্য জনপ্রিয় গান রয়েছে কুমার বিশ্বজিতের।

এদিকে এ মাসে ‘মেঘদূত’ শিরোনামের নতুন একটি গানের মিউজিক ভিডিওর শুটিং-এ অংশ নিবেন তিনি। গানটি লিখেছেন এবং সুর করেছেন রাজীব। এছাড়াও আসিফ ইকবালের লেখা এবং কিশোর সুর সঙ্গীতে ‘ঐশ্বর্য’ অ্যালবামের জন্য আরো দুটি গান গেয়েছেন।

The post নিজের জন্মদিন নিয়ে যা বললেন কুমার বিশ্বজিৎ appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/3p7ItY1

বাংলাদেশিদের যেসব দেশে যেতে লাগবে না ভিসা https://ift.tt/eA8V8J

 

 

ভ্রমণের নেশা কার না থাকে! আর তা যদি হয় দেশের বাইরে, তাহলে তো নেশাটা আরও বেড়ে যায়। কিন্তু বিদেশ যাওয়ার ঝক্কি কম না; এর মধ্যে অন্যতম ভিসা। তবে বাংলাদেশের পাসপোর্টের সম্মানে বিশ্বের অনেক দেশই আছে যেখানে ভ্রমণে লাগবে না কোনো ভিসা। শুধু বৈধ পাসপোর্ট হলেই যাওয়া যাবে ১৮টি দেশে।
বিশ্ব আর্থিক উপদেষ্টা সংস্থা অ্যারটন ক্যাপিটালের পাসপোর্ট ইনডেক্স জানিয়েছে, বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ২৬টি দেশে অন-অ্যারাইভাল ভিসার ব্যবস্থা রয়েছে। আর ১৫৪টি দেশে যেতে হলে সবুজ পাসপোর্টে ভিসা থাকতে হয়।

ভিসা লাগবে না যেসব দেশে

এশিয়ার ইন্দোনেশিয়া, ভুটান, প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশ ফিজি, আফ্রিকার গাম্বিয়া, লেসোথো, প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশ মাইক্রোনেশিয়া, ভানুয়াতু, ক্যারিবীয় দেশ হাইতি (৯০ দিন), জ্যামাইকা, ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাকো, বারবাডোজ (১৮০ দিন), ডমিনিকা, বাহামা, গ্রানাডা, সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস (৯০ দিন) ও সেন্ট ভিনসেন্ট অ্যান্ড দ্য গ্রেনাডিনস।

অন-অ্যারাইভাল সুবিধা যেসব দেশে

এশিয়ার মালদ্বীপ, নেপাল, কম্বোডিয়া (৩০ দিন), টিমোর-লেস্ট, আফ্রিকার মরিটানিয়া, মোজাম্বিক, সোমালিয়া (৩০ দিন), উগান্ডা (ই-ভিসা), রুয়ান্ডা (৩০ দিন/ই-ভিসা), মাদাগাস্কার, বেনিন, গিনিয়া-বিসাউ (ই-ভিসা), কেপ ভার্দে, কমোরোস, টোগো, দক্ষিণ আমেরিকার বলিভিয়া (৯০ দিন/ই-ভিসা), প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশ সামোয়া ও টুভালু।

ই-ভিসা সুবিধা যেসব দেশে

এশিয়ার মালয়েশিয়া (৩০ দিন), শ্রীলঙ্কা (ইটিএ), কাতার, মিয়ানমার (২৮ দিন), পূর্ব আফ্রিকার সিশেলেস, আফ্রিকার কেনিয়া (৯০ দিন), ইথিওপিয়া, জিবুতি ও গ্যাবোনে।

 

The post বাংলাদেশিদের যেসব দেশে যেতে লাগবে না ভিসা appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/3fWYn3i

মন্ত্রীর মোবাইল ফোন ছিনতাই https://ift.tt/eA8V8J

ছোঁ মেরে ছিনতাইকারী কেড়ে নিয়েছে মন্ত্রীর ফোন। রবিবার (৩০ মে) রাজধানীর বিজয় সরণিতে এভাবেই ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান। মঙ্গলবার (১ জুন) একনেক সভা শেষে ব্রিফিংয়ের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি তার মোবাইল ছিনতাইয়ের ঘটনাটি বর্ণনা করেন।

উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জানা যায়, একজন সাংবাদিক একাধিকবার ফোন করলেও ফোন না ধরার কারণ জানাতে গিয়ে প্রসঙ্গক্রমে মন্ত্রীর মোবাইল ফোন ছিনতাই হওয়ার বিষয়টি উঠে আসে।

সাংবাদিকদের সঙ্গে গল্প করে পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, ‘রবিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বিজয় সরণিতে ছোঁ মেরে মোবাইল ফোনটা নিয়ে গেছে। ছেলেটা (মন্ত্রীর ছেলে) আমেরিকা থেকে এক হাজার ডলার দিয়ে কিনে পাঠিয়েছে। গাড়িতে পতাকাও ছিল। এ সময় মন্ত্রীর গাড়ির গ্লাস খোলা ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে মোবাইলের আইএমই নম্বর দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কাফরুল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু আজিজ বলেন, ‘পরিকল্পনা মন্ত্রী অফিস শেষে বিজয় সরণি হয়ে ফিরছিলেন। এ সময় মন্ত্রীর গাড়ি জ্যামে আটকা ছিল। গাড়ির গ্লাস খোলা ছিল। কথা বলা অবস্থায় এক ছিনতাইকারী মন্ত্রীর ফোনটি টান দিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় মন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী কাফরুল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। আমরা মোবাইল ফোনটি উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’

The post মন্ত্রীর মোবাইল ফোন ছিনতাই appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/3wLAbYi

জেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের ভাঙন কবলিত পদ্মপুকুর পরিদর্শন, ত্রাণ বিতরণ https://ift.tt/eA8V8J

শ্যামনগর প্রতিনিধি: ‘ইয়াস’ এর প্রভাবে সৃষ্ট জলোচ্ছাসে ভাঙন কবলিত বাঁধসহ প্লাবিত পদ্মপুকুর এলাকা পরিদর্শন করেছে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগ নেৃতৃবৃন্দ। এসময় তারা পানিবন্দী দুর্গত এলাকার দুইশ পরিবারের মধ্যে ত্রাণ হিসেবে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।

মঙ্গলবার বেলা এগারটার কিছু পরে পদ্মপুকুর এলাকায় পৌছে উপদ্রুত এলাকার নিঃস্ব বেশ কয়েকটি পরিবারের সাথেও তারা কথা বলেন। জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষে দুর্গত এলাকা পরির্দশন দলে অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি, সাবেক এমপি এ কে ফজলুল হক, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি, সাতক্ষীরা সদর সংসদীয় আসনের এমপি, শ্যামনগর-কালিগঞ্জ আংশিক আসনের সংসদ সদস্য শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এসএম জগলুল হায়দার, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শেখ সাহিদ উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ ফিরোজ কামাল শুভ্র, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ হারুণ অর রশিদ, ত্রাণ ও পুনঃবাসন সম্পাদক এড. আজাহারুল ইসলাম, আইন সম্পাদক এড. ওসমান গনি, জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক শ্রমিক নেতা হারুন-অর রশিদ, মহিলা বিষয় সম্পাদক দৈনিক পত্রদূত পত্রিকার সম্পাদক লায়লা পারভীন সেঁজুতি, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ সুব্রত ঘোষ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক শামীমা পারভীন রতœা, সদস্য এড. সৈয়দ জিয়াউর রহমান, মুন্নি প্রমুখ।

ত্রাণ বিতরণের পূর্বে সংক্ষিপ্ত পরিসরে দুর্গত এলাকার জনগোষ্ঠীর উদ্দেশ্যে বক্তব্যে জেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ বাঁধের অব্যাহত ভাঙন নিয়ে পাউবোর সমালোচনা করেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে উপকূলবাসীকে রক্ষায় টেকসই বাঁধ নির্মাানের বিষয়ে তারা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষনের কথাও বলেন। এছাড়া বার বার প্রকৃতির সাথে লড়াই করে বেঁচে থাকা উপকূলবাসীর সাহসের প্রশংসা করে বক্তরা সবসময় যেকোন দুর্যোগে এ জনপদের মানুষের পাশে থাকারও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

The post জেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের ভাঙন কবলিত পদ্মপুকুর পরিদর্শন, ত্রাণ বিতরণ appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/2RbrDuB