তরু তলে পড়ে থাকা সব বকুলগুলো
ইচ্ছে হয়েছিল কুড়িয়ে নেই আঁচল পরে
একটিও না থাক পড়ে ধুলি মাঝে অযত্নে!
আহা, পারলুম না ওদের আদর করে
বুকে তুলে নিতে! এক মুঠো মাত্র এনেছি
রুগ্ন মেয়েটির দূ’হাতে তুলে দিতে,
একটু সুরভিতে যদি ওর মনটা ভরে দিতে পারি!
একরাশ শিউলি পড়ে ছিল মন্দিরের সাথে
পায়ে হাঁটা পথের পরে,
ওদের দেখে কত যে খারাপ লাগছিল…
হায়রে ক্ষণজন্মা!
কত সুন্দর করে সৃজিছে তোমারে বিধাতা,
তুলতুলে নরম সুভ্র দেহ, বোটাখানি লাল
বুকের গভীরটুকুও বুঝি রক্তক্ষরণে করেছ লাল…
শিউলি! কখন ফুটেছিলে রাতের আঁধারে
কেউ জানে না, আবার ঝরেও গেছো সবার অলক্ষ্যে
সেই আঁধারের ই মাঝে,
একটু আলোর মুখও তোমার দেখা হলো না!
আমি কি করে তোমায় এভাবে আজ
পথও পরে ফেলে চলে যাই?
মখুর্জ্যে বাড়ির মালতির আজ বিয়ে যতদূর জানি
ওই যে! সানাইয়ের সুর ভেসে আসছে
থেকে থেকে কি করুণ সুর…
সোনার জড়োয়ায় বিয়ে সাজ কি আর হবে মালতির?
সাধ আছে, তবে সাধ্য যে নেই পরিবারের-
আমি আজ ওখানে তোমাদের নিয়েই যাবো,
যত্ন করে মালা গেঁথে সাজিয়ে দেব মালতিকে-
হাতের বালা, কানের দূল, গলার মালা আর
সিথাপাটি হয়ে জড়িয়ে থাকবে তোমরা
সারা দেহখানি ভরে ওর,
সারা রাত জুড়ে সুরভি ছড়াবে নব দম্পতিকে,
কি যে খুশি আমার মনে আজ একথা ভেবে…
তা যদি তোমরা জানতে শিউলি-মালতি!
বুকটা কি আর চিরে দেখানো যায় কোনোদিন!
একটু তোমাদের মূল্য দিতে পারা,
একটু খুশিতে মন ভরে দেয়া তোমাদের,
এ যে আমার কত বড় পাওয়া
কি যে প্রশান্তিতে বুক ভরে নেয়া
সে তো শুধু বিধাতাই জানেন,আর
তাঁর সমীপেই সকল প্রশান্তির অর্ঘ্য আমার!!
কোহিনূর বিনতে আবুবকর।
The post প্রশান্তির অর্ঘ্য appeared first on Daily Patradoot Satkhira.
from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/3eADNUF
No comments:
Post a Comment