কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি: আধুনিক কপিলমুনির রুপকার রায় সাহেব বিনোদ বিহারী সাধুর ব্যক্তিগত অর্থে কপিলমুনি ভরত চন্দ্র হাসপাতাল, যাদব চন্দ্র চ্যারিটেবল ডিসপেন্সরি, অমৃতময়ী টেকনিক্যাল স্কুল, কপিলমুনি সহচারী বিদ্যা মন্দির, গণ-সৌচাগার, সহচারী সরোবর, বিনোদ গঞ্জ বাজার, সিদ্ধেশ্বরী ব্যাংক,পাবলিক স্টেডিয়ামসহ প্রভৃতি জনহিত কর প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। পাবলিক স্টেডিয়ামটিতে ১৯৮৫/৮৬ সাল অবধি খেলাধুলা চালু ছিল।
কালক্রমে যখন স্টেডিয়ামে খেলাধুলা বন্ধ হয়ে যায় তখন ওই স্থানে বিভিন্ন জনহিতকর প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে।
১৯৯২ সালে স্টেডিয়ামের পতিত জমিতে বিনোদ বিহারী শিশু বিদ্যালয়, কেকেএসপি ও আনছার ভিডিপি কøাব গড়ে ওঠে। কপিলমুনি বিনোদ বিহারী শিশু বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মজিবর রহমান বলেন, বিগত ২৮ বছর যাবৎ সরকারের কাছ থেকে ডিসিআর মূলে উক্ত জমি ইজারা গ্রহণ করা হয়। তবে সম্প্রতি কতিপয় চক্রান্তকারী ব্যক্তি উক্ত জমি নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে যার কারণে প্রতিষ্ঠানগুলি হুমকির মুখে পড়েছে। প্রকাশ থাকে, ১৯৩৩ সালে বিনোদ বিহারী সাধুর পুত্র যমুনা বিহারী সাধুর নামে খেলাধুলার স্থানের শূন্যে ১ কর ০৩ শতক সম্পত্তি কোবলামুলে ক্রয় করা হয়। পরবর্তীতে তারই নামে এসএ রেকর্র্ড হয়। তবে ১৯৭৬ সালে কাজী মাহমুদ (মাখন কাজী) গং তঞ্জকী দলিল স্থাপন করে ওই জমিতে দখলের চেষ্ঠা করে আসছেন। দলিলটি পন বিহিন বেদড়া হওয়ায় আরএস রেকর্র্ডের সময় উপস্থাপন করা থেকে বিরত থাকে। তারা কখন ও ওই সম্পত্তিতে দখল পায়নি। ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ওই জমিতে স্থাপিত দুটি প্রতিষ্ঠানকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে জড়িয়ে নিয়ে একটি মোকদ্দমা তৈরী করে পাইকগাছা আদালতে পরাজিত হয়ে পরবর্র্তীতে খুলনাতে আপিল করে।
The post কপিলমুনিতে তিন প্রতিষ্ঠান দখলের ষড়যন্ত্র appeared first on Daily Patradoot Satkhira.
from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/3mFK2L0
No comments:
Post a Comment