Sunday, March 21, 2021

কলারোয়া সীমান্তে ২কোটি ৮লক্ষ টাকার স্বর্ণের বার উদ্ধারের ঘটনায় ১বছর ৪ মাস পর থানায় মামলা https://ift.tt/eA8V8J

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্তে ২ কোটি ৮লক্ষ টাকা মূল্যের ৪০০ ভরি স্বর্ণের বার উদ্ধারের ঘটনায় ১ বছর ৪ মাস পরে থানায় মামলা হয়েছে। কলারোয়া থানায় ২০মার্চ বিকেলে সীমান্তের কাকডাঙ্গা বিজিবির পক্ষ থেকে একটি মামলা দেয়া হলে ঘটনার প্রকাশ পায়। মামলার বিবরণে জানা গেছে, গত ২২ নভেম্বর ২০১৯ সালে সকাল সাড়ে ৮ টার সময় ৩৩/ই কোম্পানীর কাকডাঙ্গা বিওপি ৮৮৪৫২ নং সিপাহী শামীম হোসেন, সঙ্গীয় সিপাহী ৯৬৫৯০ আকিব হোসেন, সিপাহী ৯৪৩৯০ সুমন মিয়া, সিপাহী ৯৬৮৪৯ রাজু আহম্মেদ বালিয়াডাঙ্গা বাজার এলাকায় টহল দেয়। ডিউটি চলাকালে বেলা সাড়ে ৮টার সময় বালিয়া ডাঙ্গা বাজার বড় মসজিদের সামনে কসটেপ দ্বারা মোড়ানো অবস্থায় ৪০০ভরি (৪.৬৬৮গ্রাম) স্বর্ণের বার উদ্ধার করে। যার বাজার মূল্যে ২ কোটি ৮লাখ টাকা। সে সময় ওই মালামাল উদ্ধারের স্বাক্ষী ছিলো-কাকডাঙ্গা গ্রামের ইব্রাহীম হোসেনের ছেলে মিকাইল হোসেন (৩২), তাহের আলীর ছেলে জহুরুল ইসলাম (৪৫)। পরে স্বর্ণের বার গুলো উদ্ধার করে সাতক্ষীরা জুয়েলার্স সমিতিতে পরীক্ষা নিরিক্ষা করে ২দিন পরে সাতক্ষীরা ট্রেজারী অফিসে ২৪ নভেম্বর-২০১৯ সালে জমা দেয়। যার ট্রেজারী নং-১৭/২০১৯ইং। দীর্ঘ ১বছর ৪ মাস পরে ২০১৯সালের স্বর্ণ উদ্ধারের ঘটনায় ২০২১সালের ২০মার্চ বিকালে কাঁকডাঙ্গা বিওপির একজন সিপাহী শামীম হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-৩৮(৩)২১। এই মামলায় কোন সুবেদার বা হাবিলদার ও নায়েক সুবেদারের বাদী করা হয়নী। শুধূ মাত্র একজন সিপাহী নিজের ক্ষমতা বলে অজ্ঞাতনামা আসামীদের নাম ও ঠিকানা উদঘাটনের চেষ্টা করতে ১ বছর ৪ মাস সময় নিয়েছে। আসলে এঘটনার পিছনে অনেক রহস্য লুকিয়ে রয়েছে। তা না হলে কেন এতদিন পরে থানায় মামলা দেয়া হলো। তিনি এজাহারে আরও বলেছেন-অজ্ঞাতনামা আসামীদের নাম ও ঠিকানা উদঘাটনের চেষ্টা করিয়া উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করতে ১বছর ৪মাস সময় লেগে যায়। এটাই মামলার বিলম্বের কারণ।

The post কলারোয়া সীমান্তে ২কোটি ৮লক্ষ টাকার স্বর্ণের বার উদ্ধারের ঘটনায় ১বছর ৪ মাস পর থানায় মামলা appeared first on Daily Patradoot Satkhira.



from Daily Patradoot Satkhira https://ift.tt/3cWbjVh

No comments:

Post a Comment